Views: 0
সিলেটের ওসমানীনগরে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় একই গ্রামের দুই যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার গোয়ালাবাজারের ইলাশপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন— বড় ইসবপুর গ্রামের আরশ আলী (২৮) ও নাজমুল হোসেন (৩২)। তারা উমরপুর ইউনিয়নের একই গ্রামের বাসিন্দা। আরশ আলীর বাবা আব্দুল গনি বর্তমানে উমরপুর বাজারের সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাস করছেন। নাজমুল হোসেন আব্দুল করিম মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সিলেটগামী ‘ঢাকা এক্সপ্রেস’ নামের একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দিয়ে কয়েকশ গজ টেনে নিয়ে যায়। এতে মোটরসাইকেল চালক নাজমুল ঘটনাস্থলেই মারা যান। পেছনে থাকা আরোহী আরশ আলী গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ, ওসমানীনগর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের দাবি, দুর্ঘটনার পর মোটরসাইকেলটি যাত্রীসহ কয়েকশ গজ দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় বাসটি। ঘটনার পরও চালক বাস থামাননি। কিছু দূর গিয়ে তাজপুর বাজার ফায়ার সার্ভিসের সামনে উত্তেজিত জনতা বাসটি আটক করে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে সেনাবাহিনী ও স্থানীয়রা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
শেরপুর হাইওয়ে থানার (ওসি) আবু তাহের দেওয়ান বলেন ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই বাসটিকে আটক করা হয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।
একই এলাকার দুই তরুণের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা দুর্ঘটনার জন্য দ্রুতগতি ও বেপরোয়া চালককে দায়ী করে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন।