Views: 3
পোস্ট-প্যান্ডেমিক বা করোনা পরবর্তী বাংলাদেশে সহনশীল কৃষি পুনরুদ্ধার ও গ্রামীণ জীবিকা সচল রাখার লক্ষ্যে যশোরে এক গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) যশোর অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘ফসল, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতে সামাজিক অভিযোজন ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া’ শীর্ষক এই সেমিনারটি সম্পন্ন হয়।
হায়ার এডুকেশন অ্যাক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের অর্থায়নে আয়োজিত এই সেমিনারে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গাকৃবি) কৃষি সম্প্রসারণ ও গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ শামীম হাসান। তিনি একই সাথে উক্ত প্রকল্পের এসপিএম হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন।
সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আলমগীর বিশ্বাস বলেন, “কোভিড-১৯ কেবল একটি স্বাস্থ্য সংকট নয়, এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব কৃষি ও গ্রামীণ জীবিকায় গভীরভাবে পড়েছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গবেষণাভিত্তিক ও সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি।”
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে অধ্যাপক ড. শেখ শামীম হাসান তাঁর গবেষণালব্ধ ফলাফল তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, সামাজিক অভিযোজন এবং সমন্বিত প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষি, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাতকে আরও সহনশীল ও টেকসই করা সম্ভব। ডিএই যশোরের উপপরিচালক মো. মোশাররফ হোসেনের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশগ্রহণকারীরা মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও বিভিন্ন নীতিগত সুপারিশ তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিএই যশোরের উপপরিচালক মো. মোশাররফ হোসেন। এছাড়াও কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, বীজ প্রত্যয়ন, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও কৃষি সম্প্রসারণ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ সেমিনারে অংশ নেন। আয়োজকদের মতে, এই সেমিনার থেকে প্রাপ্ত দিকনির্দেশনা পোস্ট-প্যান্ডেমিক সময়ে বাংলাদেশের কৃষি খাত পুনরুদ্ধারে এবং দীর্ঘমেয়াদে টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।