Views: 0
ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘১০০ কোটি টাকা ঘুষ’ দেওয়ার অভিযোগ অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। হত্যা, শেয়ার জালিয়াতি ও প্রতারণার একাধিক মামলা ধামাচাপা দিতে এই বিপুল অঙ্কের ঘুষ লেনদেন হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
সম্প্রতি সংস্থাটির উপ-পরিচালক এ কে এম মাহবুবুর রহমানকে এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে দুদক সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানের অভিযোগে বলা হয়েছে, ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান তাঁর বিরুদ্ধে আনীত ‘হত্যা, শেয়ার জালিয়াতি ও প্রতারণার’ একাধিক মামলা ধামাচাপা দিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ১০০ কোটি টাকা ঘুষ দেন।
অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে কোনো ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা বা সম্পদ জব্দ করার প্রয়োজন হলে তা লিখিতভাবে জানাতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছে দুদক। উল্লেখ্য, ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমানের বিরুদ্ধে তাঁর ছোট বোন শাযরেহ হক ভাইকে হত্যার অভিযোগ আনেন। ২০২৩ সালের ১৬ জুন ঢাকার গুলশানের বাসায় আরশাদ ওয়ালিউর রহমানকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে, ২০২৪ সালের ২১ মার্চ ঢাকার গুলশান থানায় করা মামলায় বড় বোন সিমিন রহমান ও তাঁর ছেলে—ট্রান্সকম গ্রুপের হেড অব ট্রান্সফরেশন যারাইফ আয়াত হোসেনসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। হাইকোর্ট এই মামলায় ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ সিমিন রহমানসহ তিনজনকে দেশে ফেরার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। বর্তমানে মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করছে।