রমজান আলী রুবেল, শ্রীপুর(গাজীপুর) প্রতিনিধি.
/ ১০৯
বার দেখা হয়েছে
আপডেট
রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
শেয়ার
Views: 0
গাজীপুরের শ্রীপুরে ওসমান গ্রুপের টোপাজ ড্রেসেস নামক পোশাক কারখানা বিক্রির অভিযোগে দিত্বীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে কর্মরত শ্রমিকরা। আজ দুপুর বারোটা থেকে শ্রমিকরা মাওনা-কালিয়াকৈর আঞ্চলিক সড়কের সিংগারদীঘি নামক স্থানে। আড়াইটার সময় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। দূর্ভোগে পড়েছে শত শত গাড়ী। আটকে বিপাকে পরেছে হাজার হাজার যাত্রী। কারখানা করাতৃপক্ষ ও আইনশৃংখলা বাহিনী শ্রমিকদের সড়ক থেকে সড়াতে চেষ্টা করলেও শ্রমিকরা তা মানছেনা।
শ্রমিকদের অভিযোগ, আমরা দীর্ঘ দিন ধরে ওসমান গ্রুপের ওই কারখানায় চাকুরী করে আসছি। কর্তৃপক্ষ চায়না মালিকের নিকট কারখানা বিক্রি করে দিয়েছে। কারখানার যন্ত্রপাতি গোপনে সড়িয়ে নিচ্ছে। চায়নাদের স্বাক্ষর ছাড়া গেইট পাস মেলেনা। তাদের চাকুরীর নিরাপ্তা নেই। শুনতেছি আমাদের ছাটাই করা হবে। ঈদের পর আমাদের কারখানায় ডুকতে দিবেনা। কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ শ্রমিকদের সড়ক থেকে সড়াতে চেষ্টাকরে ব্যর্থ হয়।এ সময় শ্রমিকরা উচ্চস্বরে শ্লোগানদিয়ে ভূয়া ভূয়া বলে মিছিল দিতে থাকে। বিক্ষোব্ধ শ্রমিকরা ঘোষণা করে, যদি তাদের গায়ে একটি টোকাপড়ে তাহলে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে। মালিক এসে ঘোষণা দিতে হবে। তাদের দাবী না মানা পর্যন্ত তারা সড়ক ছাড়বেনা। গত বৃহসপতিবার আমাদের আস্বাস দেয়া হয়েছিলো রবিবার আমাদের সমস্যা সমাধান করা হবে। আজ কর্তৃপক্ষো কোন কথা বলেননি। তাই আজ ফের রাস্তায় নেমেছি। কারখানার জিএম রফিকুল ইসলাম রতন জানান, করখানা বিক্রি হয়নি। চায়না মালিকের সাথে যৌথ ব্যবসার চুক্তি হয়েছে। কোন শ্রমিক ছাঁটাই হয়নি। আমরা শ্রমিকদের বুঝাতে চেষ্টা করছি।
সড়কে আটকেপড়া ট্রাক চালক রশিদ মিয়া বলেন, এ কারখানার শ্রমিকরা চার দিনের মধ্যে দু’দফা সড়ক অবরোধ করেছে। আমরা সড়কে চলাচল কারীরা যথা সময়ে গন্তব্যে পৌছতে পারিনা। শ্রমিক-মালিকদের রশি টানাটানিতে আমরা ক্ষতির শিকার হচ্ছি। শ্রীপুর থানার পরিদর্শক (ওসি) মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডল জানান, কারখানা কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা চলছে। আমরা চেষ্টাকরছি শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়কথেকে সড়িয়ে দিতে।এর আগে গত বৃহসপতিবার এ কারখানার শ্রমিকরা একই দাবীতে ওই সড়ক প্রায় চার ঘন্টা অবরোধ করে রাখে। এতে একই ভাবে বিরম্বনায় পড়ে শত শত গাড়ি। দূর্ভোগে পরেছিলো হাজার হাজার মানুষ।