Views: 0
সততা, নিষ্ঠা এবং দায়িত্ববোধ—এই তিনটি গুণ একজন মানুষকে সমাজে অনন্য সম্মান এনে দেয়। বগুড়ার ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুল আলম এমনই একজন কর্মকর্তা, যিনি তার পেশাদারিত্ব, স্বচ্ছতা ও মানবিক আচরণ দিয়ে পুলিশ বিভাগ ও সাধারণ মানুষের কাছে সমানভাবে সম্মানিত। তার দৃঢ় নেতৃত্ব ও জনমুখী কর্মকাণ্ডের জন্য তিনি সততার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
ওসি সাইদুল আলম ধুনট থানায় যোগদানের পর থেকেই জনগণের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। তিনি প্রতিটি অভিযোগ অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেন। তার কার্যালয়ে আসা কোনো নাগরিককে হয়রানির শিকার হতে হয় না। তিনি তাদের সঙ্গে এমনভাবে কথা বলেন, যেন তারা নিজেদের সমস্যা সমাধানের জন্য সঠিক মানুষের কাছেই এসেছেন। তার বিনয়ী আচরণ এবং সহমর্মিতা স্থানীয়দের মনে গভীর ছাপ ফেলেছে। তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন। তার অধীনে কাজ করা পুলিশ সদস্যরাও তার এই আদর্শকে অনুসরণ করে।
ওসি সাইদুল আলম শুধুমাত্র একজন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা নন, তিনি একজন দক্ষ ও দূরদর্শী নেতাও। তার নেতৃত্বে ধুনট থানায় একটি সুশৃঙ্খল, পেশাদার এবং সহযোগিতাপূর্ণ কর্মপরিবেশ গড়ে উঠেছে। তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে থানা কমপ্লেক্সের পরিবেশ উন্নত হয়েছে। তিনি নিজ খরচে পুলিশ সদস্যদের জন্য আধুনিক গোসলখানা এবং অফিস কক্ষ নির্মাণ করেছেন, যা তার মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও দায়িত্ববোধের বাস্তব উদাহরণ। এর ফলে, কর্মক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের মনোবল বেড়েছে এবং তারা আরও বেশি উৎসাহের সঙ্গে জনগণের সেবা করতে পারছেন।
ধর্মভীরু, সত্যনিষ্ঠ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন এই কর্মকর্তা মনে করেন, শুধু আইন প্রয়োগ করাই যথেষ্ট নয়, বরং সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করাও পুলিশের দায়িত্ব। যেকোনো অন্যায় বা অবিচারের বিরুদ্ধে তিনি কঠোর পদক্ষেপ নেন এবং কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির চাপের কাছে নতি স্বীকার করেন না। তার এই আপসহীন মনোভাবের কারণে ধুনট উপজেলায় অপরাধ প্রবণতা অনেকটাই কমেছে।
এলাকাবাসীর মতে, ওসি সাইদুল আলম তাদের কাছে একজন আদর্শ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত। তারা আশা করেন, তিনি ভবিষ্যতেও এই সততা, নিষ্ঠা ও মানবিকতা নিয়ে জনসেবায় অটল থাকবেন এবং তার এই আদর্শ অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করবে। তার কর্মকাণ্ড প্রমাণ করে যে একজন সৎ ও মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।