রবিবার, ০৩ মার্চ ২০২৪, ০৬:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের মন ও শরীর দুটোই ভালো রাখে                           -ভূমিমন্ত্রী নাটুয়ারপাড়া গনসংযোগে ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী সেলিম রেজা সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে সাংবাদিকের নামে মি*থ্যা মা*ম*লা দিয়ে হ*য়*রা*নির প্রতি*বাদে সংবাদ সম্মেলন শিবালয়ে পূজা উদ্যাপন পরিষদের বর্ধিত সভা আরজেএফ ভাষাসৈনিক আব্দুল মতিন স্মৃতিপদক পেলেন নুর কামাল সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় আঁখি-ফেরদৌস জুটি শ্রীপুর উপজেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জলঢাকায় তিন রাউন্ড গু*লি*সহ একটি রি*ভ*ল*বার উ*দ্ধা*র পাইকগাছায় সূর্যমুখী ফুল চাষে কৃষকদের মুখে হাসি ঢাকা জেলা মোটরযান ওয়ার্কশপ মেকানিক শ্রমিকদের বার্ষিক বনভোজন উদযাপন। র‌্যাবের ডিজি মতে বেইলী রোডের আগুনের সূত্রপাত বিল্ডিং এর নিচতলা থেকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আতাউরের মৃত্যু উপকূলয়ীয় অঞ্চল পাইকগাছায় বুলেট মরিচের বাম্পার ফলন কাজীপুরে গাছে গাছে শোভা পাচ্ছে আমের সোনালী মুকুল সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে বেপরোয়া ইজিবাইক ও অটোরিকশা চালকরা বাড়ছে দুর্ঘটনা কাচ্চি ভাই রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৫ জনের মৃত্যু জলঢাকা থানার ভিতরে পতিত জমিতে সবজি চাষ। ৩০শে ফেব্রুয়ারি’ যে দিনটি ইতিহাসে মাত্র একবারই এসেছিল কলাবাগানে আ*গু*নে পো*ড়া নারীর লা*শ উ*দ্ধা*র উপকূলের লবনাক্ত মৎস্য ঘেরে বিনা চাষে সরিষার ফলন ভালো হয়েছে

মুজিব শতবর্ষে অধিকারবঞ্চিতরা অধিকার পেলে কমবে অপরাধ প্রবণতা

Visits: 42

স্টাফ রিপোর্টার, মোঃ আলী হোসেন।    

 

ঢাকা চট্টগ্রাম সহ সারাদেশে পথে বসবাসকারিদের বিরাট একটা অংশ অসহায় পথশিশু আর বৃদ্ধ। তারা পথে বসবাস করে এবং পথই তাদের একমাত্র ঠিকানা। তারা জানে না জীবনে আলো-অন্ধকার, সত্য-মিথ্যার পার্থক্য তারা বুঝেনা ভালো মন্দের পার্থক্য। এই আধুনিক যুগে জন্মগ্রহণ করেও গুহায় বসবাস করা আদিম মানুষের জীবনমান থেকে তাদের জীবনমান উন্নত নয়। তাদের আচার-আচরণে আজও রয়েছে কুসংস্কার, বর্বরতা অপরাধ প্রবণতা। এরা অপরাধ করলে তাদের হাতেনাতে না ধরতে পারলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে ভালোই বেগ পেতে হয়, এদের খুঁজে বের করতে। কারণ এই মানুষদের পরিচয় নেই তাই তারা খুব সহজেই হারিয়ে যেতে পারে স্থান ত্যাগের মাধ্যমে। আমি তাদের জীবনের কয়েকটি ইতিবাচক ও নেতিবাচক বিষয় যা তাদের সাথে সরাসরি মিশে অনুভব করেছি ও তাদের থেকে জেনেছি। খাদ্যের অভাবে তারা ডাস্টবিনের পরিত্যক্ত খাবার গ্রহণ করে এবং তারা তা ভাগ করে খায় কুকুরের সঙ্গে। ক্ষুধার্ত, অসহায়, রুগ্ন, নির্যাতিত, এবং নাগরিক অধিকারবঞ্চিত মানবসন্তান। ( এদের কোন জাতীয় পরিচয় পত্র নেই) যার ফলে তারা নিজ সন্তানদের স্কুলে ভর্তি করাতে পারে না। এবং পরিচয় হীনতার কারণে এদের মাঝে অপরাধ প্রবণতা বেশী। যার ফলে তারা ভয়ানক অপরাধের সাথে জড়িত থাকে। তারা তাদের সারাটি জীবন পার করে অপ্রয়োজনীয় ভারী বোঝা বহন করে। তারা নিজেই জানে না এই বোঝা কতদিন বহন করতে হবে। এক সময় ঐ বোঝা ও বয়সের ভারে জটিল কঠিন রোগে আক্রান্ত হয় কিন্তু তারা সঠিক চিকিৎসাও পায়না অনেক সময় পরিচয়ের অভাবে। শিশু বা বৃদ্ধ তাদের সকলের সাথে কুকুর দেখা যায় কারণ ওরা কুকুরকে আপন ভাবে এবং খুব ভালোবাসে।তারা চিন্তা করে কুকুর আর তাদের মাঝে কোন পার্থক্য নাই৷ কিন্তু কুকুর দ্বারা তারা রোগে আক্রান্ত হতে পারে বা কুকুর তাদের ক্ষতি করতে পারে তা তারা ভাবতেও পারে না। দেখা যায় অনেক ৪/৫ বছরের ও কম বয়স্ক শিশু কুকুরের মুখে হাত দিয়ে খেলা করে এবং কুকুরকে জড়িয়ে ধরে ঘুমায় যা একটি শিশুর জন্য বড় দূর্ঘটনা বয়ে আনতে পারে। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে আমরা প্রত্যেক মানুষই তার নিজ সমাজের কাছে দায়বদ্ধ। সমাজকে সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক রাখার দায়িত্বটাও প্রত্যেক মানুষেরই। তাই সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক সমাজ গঠনের সত্যিকার মানসিকতা নিয়ে চট্টগ্রাম সহ সারা বাংলাদেশে অসহায় ও বৃদ্ধদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন এর মত বহু সংগঠন।যাদের সেবামূলক কার্যক্রমের ফলে অসহায় বৃদ্ধ ও শিশুরা খুবই উপকৃত হচ্ছে। তাদের জীবনের বৃহৎ পরিবর্তন না হলেও তারা কিঞ্চিৎ আনন্দ পাচ্ছে। খুবই ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে এসব কাজ ঠিক তখনই যখন এই অসহায় বৃদ্ধ নারী-পুরুষ বা শিশু তারা তাদের নাগরিক অধিকার পাবে এবং তৈরী হবে তাদের নিজস্ব পরিচয়। দূর্ভাগ্যবশত হলেও সত্য অসহায় নারী বা পুরুষ বৃদ্ধদের এমন আপন লোকের সংখ্যা নেই বললে চলে, যে তার উপকারে আসবে। আমাদের দেশে জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী করতে যে জটিলতা তা ওদের জন্য মওকুফ করে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন বা পাড়া মহল্লার মাধ্যমে তাদের জাতীয় পরিচয় পত্রে নজর দেয়া উচিৎ। একজন মানুষ জাতীয় পরিচয় পত্র তৈরী করতে নাগরিকত্বের যা যা প্রমাণ দেখাতে হয় তার ৮০% এদের কাছে নাই। তাই জাতীয় পরিচয় পত্র করা কখনো সম্ভব হয় না তাদের। বাংলাদেশে এখন বর্তমানে রোহিঙ্গা বসবাস করছে এর জনসংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন একটা সময় আসবে যেদিন আমরা নিজের দেশের এই অসহায় মানুষদের রোহিঙ্গা মনে করে বের করে দিবো। বা এমন ও দিন আসতে পারে এদের দ্বারা অনেক বড় অপরাধ সংগঠিত হবে শুধুমাত্র পরিচয় পত্রের অভাবে তাদের খুঁজে পাওয়া যাবে না। সেদিন হয়তো অনেক বড় ক্ষতি হবে। এদের জাতীয় পরিচয় পত্র করতে পারলে আমাদের দেশে অপরাধ প্রবণতার হার হ্রাস পাবে।কারণ ফিঙ্গারপ্রিন্ট দ্বারা যে কোন ব্যাক্তি বা অপরাধী সনাক্ত সহজ। আমি মনে করি আমাদের দেশ থেকে অসহায় মানুষদের বৃহৎ উপকার হবে এ বিষয়ের মাধ্যমে। এবং অপরাধ প্রবণতা কমে যাবে শতভাগ তাছাড়া নিজের পরিচয় তৈরী করতে পারা মানুষের সব চেয়ে বড় অধিকার। মুজিব শতবর্ষে আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় নেতাদের পক্ষ থেকে এমন একটি ঘোষণার প্রত্যাশা ছিল মুজিব শতবর্ষ গণনার পর থেকে। কিন্তু এ বিষয়ে কোন বিষয়ের দেখা মিলে নি।বঙ্গবন্ধু এমন একটি নাম যিনি না জন্মালে আমরা পেতাম না বাংলা। তার শত জন্ম বার্ষিকী তে যদি কমপক্ষে শত জন অসহায় মানুষের নতুন করে পুণঃজন্ম হতো তাহলে জন্ম শত বার্ষিকীর আনন্দ বেড়ে যেত বহুগুনে৷ একজন সমাজকর্মী হয়ে এমনটা প্রত্যাশা করা স্বাভাবিক তবে বাস্তবে রুপ দেয়া কঠিন। মুহাম্মদ আনোয়ার এলাহি ফয়সাল প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী আলোর আশা যুব ফাউন্ডেশন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page আমাদের পেজ লাইক করুন
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com