বগুড়া শাহজাহানপুর উপজেলা আশেকপুর ইউনিয়নের আজ রাতে সাদিক পার্ক সংলগ্ন নাটোর টু বগুড়া হাইওয়ে পাকা রাস্তার উপর রংপুর থেকে ফরিদপুর গামী পাট বোঝাই ট্রাক, যার রেজি: নং-ঢাকা মেট্রো ট-২০-০১২০ এর চাকা ব্ল্যাস্ট হয়ে যায় ট্রাকের ড্রাইভার মোঃ মিলন (৪৫), পিতা মুনু শেখ, সাং জুঙ্গুরদি, থানা নগরকান্দি, জেলা ফরিদপুর, মোঃ ফরহাদ মিয়া (৫০), পিতা মৃত মাজেদ মিয়া, সাং মনোয়ারপুর, থানা নগরকান্দা, জেলা ফরিদপুর’দ্বয় মিলে ট্রাকের চাকা মেরামত করার সময় একটি রেজিস্ট্রেশন বিহীন পালসার মোটর সাইকেলে আসামী ১।
মোঃ সুমন (৩৫), পিতা ফরিদ হোসেন, সাং পাইকসা, থানা কামারখন্দ ২। মোঃ জাকির (৩৫), পিতা ফরিদ, সাং বাওয়তারা, থানা সিরাজগঞ্জ সদর ৩। মোঃ আশরাফ আলী (৪০), পিতা মোজাহার আলী, সাং চকবগদুল, থানা কামারখন্দ, সর্ব জেলা সিরাজগঞ্জগণ এসে ভিকটিমের পিস্তল ঠেকিয়ে ট্রাকের কেবিনের ভেতর ঢুকিয়ে ৯৫ হাজার হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার সময় শাজাহানপুর থানার স্পেশাল-১২ ডিউটি পার্টি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হওয়া মাত্র পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামী মোঃ জাকির (৩৫), পিতা ফরিদ, সাং বাওয়তারা, থানা সিরাজগঞ্জ সদর মোঃ আশরাফ আলী (৪০), পিতা মোজাহার আলী, সাং চর বগদুর, থানা কামারখন্দ, সর্ব জেলা সিরাজগঞ্জদ্বয় দৌড়ে পালিয়ে যায় ও আসামী মোঃ সুমন হোসেনকে শাজাহানপুর থানার পুলিশ ভিকটিম’দ্বয়ের সহযোগিতায় আসামীকে ধরার চেষ্টা করলে আসামী মোঃ সুমন হোসেন, কনস্টেবল শাহরিয়ার হোসেনের পেটে পিস্তল ধরে।
কনস্টেবল শাহরিয়ার হোসেন আসামী মোঃ সুমন হোসেন সাথে ধস্তাধস্তি শুরু হলে আসামীর হাতে থাকা পিস্তল, কনস্টেবল মোঃ শাহারিয়ার হোসন আসামীর নিকট থেকে পিস্তলটি নিয়ে নেয় এবং অন্য পুলিশদের সহায়তায় আসামী মোঃ সুমন হোসেনকে আটক করে থানায় খবর দেওয়ার পর অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম ও সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আসামী মোঃ সুমন হোসেনকে গ্রেফতার করে।