শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম:
হিলিতে যৌ/ন উত্তেজক অবৈধ সিরাপ জব্দহাকিমপুরে নবাগত ইউএনও জর্জ মিত্র চাকমার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতনাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা সামগ্রী ও গাছের চারা বিতরণ ‎উখিয়া সীমান্তে ক্যাম্পের বাইরে থাকা ১৯ রোহিঙ্গা নাগরিককে আটক করল বিজিবিউখিয়া সীমান্তে বিজিবি’র বড় সাফল্য: ৫ লাখ ৫০ হাজার পিস ই/য়া/বা উদ্ধার। ‎হাকিমপুরের নতুন ইউএনও ও পৌর প্রশাসক হিসেবে জর্জ মিত্র চাকমার কার্যভার গ্রহণউখিয়ায় র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান: দুই মাদক মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি গ্রেফতার“নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিত করতে এবং মানব পাচার রোধে প্রচারের বিকল্প নেই ” – গাজীপুরের ডিসি“সব মাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন”: মায়ের মৃত্যুদিনে কুদ্দুস বয়াতির আবেগঘন বার্তাকক্সবাজারে স্কুলছাত্রীকে ধ/র্ষ/ণে/র অভিযোগে মূলহোতা আরফাত গ্রেপ্তার, ভিকটিম ২৮ সপ্তাহের গর্ভবতীউখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নতুন আরএমও হিসেবে ডা. নুরুল হাসানের দায়িত্ব গ্রহণপটিয়ার মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি রুবেল টেকনাফে র‌্যাবের খাঁচায় আটকনরসিংদীর ভেলানগরে মাদক সম্রাট সমীর মিয়ার অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিপটিয়ায় মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকচট্টগ্রামে লোকনাথ মন্দির দখল নিয়ে ইসকন ও সাধারণ হিন্দুদের সংঘর্ষ, কক্ষ ভাঙচুর

এক নজরে খালেদা জিয়া

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:২৩ পূর্বাহ্ণ
এক নজরে খালেদা জিয়া
২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

বিএনপি মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা জানানো হয়েছে।

দলের ওয়েবসাইট (https://bnpbd.org/) পর্যবেক্ষণ করে দেখা গেছে, বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম সাল ১৯৪৬। ‘নন্দিত নেত্রী: খালেদা জিয়া’ শীর্ষক গ্রন্থে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার উপ-প্রেস সচিব সৈয়দ আবদাল আহমেদ উল্লেখ করেন, ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট অবিভক্ত ভারত উপমহাদেশের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুঁড়ির নয়াবস্তি এলাকায় তার জন্ম। গ্রন্থটির মুখবন্ধ লিখেছেন প্রয়াত অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ।

দিনটি সম্পর্কে আবদাল আহমেদ লেখেন, ‘তখন শরতের স্নিগ্ধ ভোর। নতুন শিশুর আগমনে পরিবারের সবাই আনন্দিত।’

বিএনপির দলীয় সূত্র ও তার জীবনীগ্রন্থগুলো থেকে জানা যায়, খালেদা জিয়ার পারিবারিক নাম খালেদা খানম। তার ডাক নাম পুতুল। পারিবারিকভাবে তার আরও ডাকনাম ছিল— টিপসি, শান্তি। বাবা ইস্কান্দর মজুমদারের বন্ধু চিকিৎসক অবনীগুহ নিয়োগীই সদ্য প্রসূত কন্যাকে ‘শান্তি’ নামে সম্মোধন করেন।

পৃথিবী তখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে মাত্র কয়েকদিনে পড়েছে। দিনকয়েক আগে জাপানে ঘটে গেছে আমেরিকার আনবিক বোমার হত্যাযজ্ঞ। ভারতসহ নানা দিকেই তখন শান্তি মিছিল, মানুষের এই আকাঙ্ক্ষার মধ্যেই নতুন জন্ম নেওয়া শিশুকন্যার নাম হয়ে উঠলো ‘শান্তি’। পরবর্তী সময়ে মেঝো বোন সেলিনা ইসলামের রাখা ‘পুতুল’ নামটিই জড়িয়ে গেল খালেদা জিয়ার ডাকনাম হিসেবে।

খালেদা জিয়ার আদিবাড়ি ফেনীর ফুলগাজী উপজেলায়। তার বাবার নাম ইস্কান্দর মজুমদার ও মা বেগম তৈয়বা মজুমদার। তিন বোন (খুরশিদ জাহান হক চকলেট, সেলিনা ইসলাম বিউটি ও খালেদা খানম পুতুল) ও দুই ভাইয়ের (মেজর সাঈদ ইস্কান্দর ও শামীম ইস্কান্দর) মধ্যে খালেদা জিয়া তৃতীয়। এদের মধ্যে এক বোন সেলিনা রহমান, ভাই শামীম ইস্কান্দর জীবিত আছেন। দুই সন্তান তারেক রহমান পিনো ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর জননী তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, খালেদা জিয়া তার স্বামী জিয়াউর রহমানের বধূ হিসেবেই জীবনের অর্ধেক সময় কাটিয়েছেন। ১৯৮২ সালে ৩ জানুয়ারি বিএনপিতে যোগ দেন তিনি। ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে তিনি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন। ১৯৮৩ সালের ১ এপ্রিল দলের বর্ধিত সভায় তিনি প্রথম বক্তৃতা করেন। বিচারপতি সাত্তার অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালের ১০ মে পার্টির চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন খালেদা জিয়া।

১/১১’র আলোচিত মঈন উদ্দীন ও ফখরুদ্দীন সরকারের সময়ে দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালে নিম্ন আদালতে পাঁচ বছরের সাজা হলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। বিশেষ ব্যবস্থায় পুরান ঢাকার পরিত্যক্ত কারাগারে তাকে রাখা হয়। এরপর ওই বছরের ১ এপ্রিল তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) ভর্তি করা হয়। পরে নিম্ন আদালতের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট।

প্রায় দুই বছর পর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের সময় পারিবারিক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ছয় মাসের জন্য শর্তসাপেক্ষ মুক্তি পান খালেদা জিয়া। এরপর দফা-দফায় ছয় মাস করে তার মুক্তির মেয়াদ বাড়ায় সাবেক সরকার। গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার পরদিন (৬ আগস্ট) রাষ্ট্রপতির আদেশে মুক্তি পান বেগম খালেদা জিয়া।

এর আগে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এলে ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর কারারুদ্ধ হন তিনি। পরে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর জামিনে মুক্তি পান খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়া ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। এর মধ্যে দ্বিতীয় দফার দায়িত্বকাল ছিল এক মাস।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ১৯৯১ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে খালেদা জিয়া ও তার দল বিএনপি বিজয়ী হয়। ওই বছরই বেগম জিয়া পঞ্চম সংসদে প্রধানমন্ত্রী হন। তার নেতৃত্বেই সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতি থেকে সংসদীয় গণতান্ত্রিক সরকার পদ্ধতি প্রবর্তন হয়।

১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর এক মাসের জন্য ষষ্ঠ সংসদের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়নের পর ওই বছর সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হেরে যায় খালেদা জিয়ার দল বিএনপি, তিনি হন প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা।

১৯৯৯ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টি, গোলাম আজমের (একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত) নেতৃত্বাধীন জামায়াতে ইসলামী ও শায়খুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হকের নেতৃত্বাধীন ইসলামী ঐক্যজোটের সমন্বয়ে গঠিত চারদলীয় ঐক্যজোটের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ২০০১ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন খালেদা জিয়া।

২০০৮ সালের নির্বাচনের পর বিরোধী দলীয় নেতা হন খালেদা জিয়া। ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করেন তিনি। একইসঙ্গে বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলই সে বছর নির্বাচন থেকে বিরত থাকে। ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় খালেদা জিয়া যখন কারাগারে, তখন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের মধ্যে সমন্বয় করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিএনপি। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে কারাগারে থাকায় সেই নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি খালেদা জিয়া। এমনকি এই নির্বাচনে জিয়া পরিবারের কোনো সদস্যই অংশগ্রহণ করেননি। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও অংশ নেয়নি তার দল।

বিএনপির চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বশেষ ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর রোহিঙ্গা ক্যাম্প সফর করেন। সেখানে সেনাবাহিনীর মাধ্যমে ৪৮ ট্রাক ত্রাণ বিতরণ করেন খালেদা জিয়া।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার রায়ে কারাগারে যাওয়ার আগে ৭ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া শেষবার সংবাদ সম্মেলন করেন। শায়রুল কবির খান উল্লেখ করেন, বেগম জিয়া সর্বশেষ সমাবেশ করেন ২০১৭ সালে।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৫ আগস্ট ৫০ পাউন্ডের কেক কেটে জন্মদিন পালন করেন খালেদা জিয়া। ২০১৫ সালের ১৫ আগস্ট প্রথম প্রহরে তিনি কেক না কাটলেও সন্ধ্যার পরে কেক কেটে জন্মদিন উদযাপন করেছিলেন। আর ২০১৬ সালে বন্যা, গুম-খুনের কারণে কেক কাটেননি। ২০১৭ সালে জন্মদিনে লন্ডনে ছিলেন খালেদা জিয়া। এরপর ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ৭৪তম জন্মদিনে তিনি ছিলেন পুরান ঢাকার নাজিম উদ্দিন রোডের কেন্দ্রীয় কারাগারে। এরপর আর কখন জন্মদিনে কেক কাটেননি বিএনপি চেয়ারপারসন।

Polls

আজকের প্রশ্ন

আপনি বাংলা নিউজ টিভির পেইজে লাইক ফলো দিয়েছেন কি?

View Results

Loading ... Loading ...

হিলিতে যৌ/ন উত্তেজক অবৈধ সিরাপ জব্দ

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
হিলিতে যৌ/ন উত্তেজক অবৈধ সিরাপ জব্দ

সীমান্তঘেসা উপজেলা হাকিমপুরে থানা পুলিশের অভিযানে ৪ লাখ ২৬ হাজার ২৪০ টাকার সমপরিমাণ যৌন উত্তেজক অবৈধ সিরাপ জব্দ করা হয়েছে।এ ঘটনায় দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির হোসেন ১০ জুন বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১০জুন খ্রিস্টাব্দ তারিখ রাত আনুমানিক ১০টায় হাকিমপুর থানার পুলিশ সদস্যরা সরকারি পিকআপযোগে বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে হাকিমপুর পৌরসভার রাউতারা গ্রামে মোঃ মাহাফুজার রহমান মিলনের বাড়িতে অবৈধ যৌন উত্তেজক পণ্য মজুত রাখা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান পরিচালনা করলে আসামি মোঃ মাহাফুজার রহমান মিলন ও মোঃ আরিফুল হাসান পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে আসামি মিলনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে মোট ৫,৩৭৬ বোতল “জিনসি (শরবত জিনসিন)” এবং ৭৬৮ বোতল “একে এল-ওয়ান সিরাপ” উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত পণ্যের সর্বমোট মূল্য প্রায় ৪,২৬,২৪০/- (চার লক্ষ ছাব্বিশ হাজার দুইশত চল্লিশ) টাকা। পণ্যগুলো ঔষধ হিসেবে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুত রাখায় ঘটনাস্থলে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করে আলামত জব্দ করে পুলিশ।পরবর্তীতে বাদী এজাহার দাখিল করিলে মামলাটি রুজু করা হয়।

এ ঘটনায় হাকিমপুর থানায় মামলা নং-১২/১১৬, তারিখ ১১ জুন ২০২৬, ধারা ১৪(১), ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩ অনুযায়ী একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।ওসি জাকির হোসেন বলেন, অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।মামলাটির তদন্ত করছেন হাকিমপুর থানার এসআই (নিরস্ত্র) ওমর ফারুক বলেও জানান তিনি।

হাকিমপুরে নবাগত ইউএনও জর্জ মিত্র চাকমার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ণ
হাকিমপুরে নবাগত ইউএনও জর্জ মিত্র চাকমার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

দিনাজপুরের হাকিমপুরে নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জর্জ মিত্র চাকমা উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় উপজেলার সার্বিক উন্নয়ন, জনসেবা কার্যক্রমের মানোন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সভায় উপস্থিত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা এলাকার উন্নয়ন ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে তাদের মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন।
এ সময় নবাগত ইউএনও জর্জ মিত্র চাকমা সকলের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে জনগণের কল্যাণে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, “সরকারি সেবাকে আরও সহজ ও জনবান্ধব করতে উপজেলা প্রশাসন সর্বদা কাজ করবে। উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ প্রয়োজন।”

এ সময় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভাটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় এবং উপজেলার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বানের মধ্য দিয়ে শেষ হয়।

নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা সামগ্রী ও গাছের চারা বিতরণ ‎

মোঃ হারুন অর রশিদ উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবির মানবিক উদ্যোগ: বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা সামগ্রী ও গাছের চারা বিতরণ ‎

‎বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দুর্গম সোনাইছড়ি এলাকায় বসবাসরত সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনায় মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ মঙ্গলবার (০৯ জুন) নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ঔষধ, শিক্ষা ও খেলাধুলার সামগ্রী এবং পরিবেশবান্ধব গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

‎এদিন সকাল থেকে শুরু হওয়া এই মেডিকেল ও জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ও নার্সবৃন্দ সেবা প্রদান করেন। এছাড়া স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও আনসার-ভিডিপি সদস্যরা এতে অংশ নেন। দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকার যেসব অসুস্থ ও প্রবীণ মানুষ হেঁটে আসতে অক্ষম ছিলেন, তাদের জন্য বিজিবির পক্ষ থেকে বিশেষ যানবাহনের মাধ্যমে ক্যাম্পে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করা হয়।

‎দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের প্রায় ৩০০ জন গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ করা হয়।
‎সোনাইছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১০০ জন এবং সোনাইছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের ২৫০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে খাতা-কলমসহ শিক্ষা সহায়কের পাশাপাশি খেলাধুলার উপকরণ ও পরিবেশবান্ধব গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
‎ক্যাম্পে আগত দুস্থ সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীসহ সর্বমোট প্রায় ৬০০ জনের মাঝে উন্নতমানের খাবার বিতরণ করা হয়।
‎সামাজিক কাজে উৎসাহ জোগাতে ভলান্টিয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ২ জন শিক্ষক ও ১২ জন শিক্ষার্থীকে ১১ বিজিবির পক্ষ থেকে বিশেষ প্রশংসাপত্র প্রদান করা হয়।

‎ বিজিবি জানায়, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সীমান্তবর্তী জনসাধারণের মধ্যে সম্প্রীতি বৃদ্ধির পাশাপাশি এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

‎অনুষ্ঠানে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধিনায়ক ও পরিচালক লেঃ কর্নেল মোঃ ফয়জুল কবির বলেন, “দেশের সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান রোধ, মাদক ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি সামাজিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বিজিবি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জনবান্ধব ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।”

‎তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ডাক্তার, নার্স, ছাত্র-ছাত্রী, আনসার-ভিডিপি এবং সাধারণ জনগণকে সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে এই মেডিকেল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়েছে। এটি বিজিবির নিয়মিত মানবিক কার্যক্রমেরই একটি অংশ এবং ভবিষ্যতেও ১১ বিজিবির পক্ষ থেকে এই ধরনের কল্যাণমূলক ও জনহিতকর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।