নাজমুল হাসান, স্টাফ রিপোর্টার
বগুড়ার শেরপুরে পৈতৃক সূত্রে প্রাপ্ত জমি জোরপূর্বক বেদখল ও সীমানা প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে শিল্প প্রতিষ্ঠান নারিশ এগ্রো লিমিটেডের বিরুদ্ধে। উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের মান্দাইল এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে সোহেল রানা নামে এক ব্যক্তি শেরপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, মান্দাইল মৌজার ৩২ শতক জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত। সোহেল রানার দাবি, তাঁর ফুফু রোজিনা বেগম ও মর্জিনা বেগম ওই জমির স্বত্বাধিকারী হলেও নারিশ এগ্রো লিমিটেড শুধুমাত্র মর্জিনা বেগমের অংশ ক্রয় করে সম্পূর্ণ জমিটি নিজেদের নামে নামজারি করে নিয়েছে।
গত ১৩ জানুয়ারি সকালে কোম্পানির লোকজন বিতর্কিত ওই জমিতে প্রবেশ করে গাছ কেটে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করলে সোহেল রানা বাধা দেন। এসময় তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন। অন্যদিকে, নারিশ এগ্রো লিমিটেডের ল্যান্ড অফিসার রফিকুল ইসলাম রফিক এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, প্রতিষ্ঠানটি তাদের বৈধভাবে কেনা ও নামজারিভুক্ত জমিতেই কাজ করছে।
শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী জানিয়েছেন, জমি সংক্রান্ত বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত হলেও এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় উভয় পক্ষকে নিয়ে বসার সিদ্ধান্ত হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান জানান, বিষয়টি দেওয়ানি প্রকৃতির হওয়ায় দায়েরকৃত মিস কেসটি খারিজ করা হয়েছে। বর্তমানে জমিটি নিয়ে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।