Views: 6
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নবনিযুক্ত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন-কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও সাবেক সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) আফরোজা খানম নাসরীন। সম্প্রতি ঢাকায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বরিশালের রাজনীতি ও দেশের গণমাধ্যম খাতের সামগ্রিক উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে আফরোজা খানম নাসরীন মন্ত্রীর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানান এবং নতুন এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে তাঁর সর্বাত্মক সফলতা কামনা করেন। মতবিনিময়কালে তাঁরা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, স্বাধীন গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং বিশেষ করে বরিশাল অঞ্চলের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সাংগঠনিক বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেন। আফরোজা খানম নাসরীন বরিশালের উন্নয়নের ক্ষেত্রে মন্ত্রীর বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং আঞ্চলিক সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে তাঁর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
আফরোজা খানম নাসরীন গণমাধ্যমের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যম জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সাধারণ মানুষের মাঝে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি হয়। তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করি এবং আশা রাখি যে, মাননীয় মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাহেব তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে অত্যন্ত দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করবেন।
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন গ্রহণ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন আফরোজা খানম নাসরীন ও উপস্থিত নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানান। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সকলের গঠনমূলক পরামর্শ ও সহযোগিতায় দেশের গণমাধ্যম খাতকে আরও আধুনিক, শক্তিশালী ও যুগোপযোগী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। আলোচনা শেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করেন। এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বরিশালের রাজনৈতিক মহলে এক ইতিবাচক বার্তা সৃষ্টি করেছে।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং বরিশাল মহানগর নেত্রী আফরোজা খানম নাসরীনের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি বরিশাল অঞ্চলের উন্নয়ন ও জাতীয় রাজনীতিতে সংহতির প্রতিফলন। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় মন্ত্রীর অঙ্গীকার আগামী দিনে দেশের সংবাদ শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে সচেতন মহল মনে করছেন।