কক্সবাজারের টেকনাফে সিএনজি অটোরিকশার ইঞ্জিন বক্সে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে পাচারের সময় ২৩ হাজার পিস ইয়াবাসহ সৈয়দ আলম (৪৮) নামে এক মাদক কারবারিকে হাতেনাতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৫।
মঙ্গলবার (০২ জুন ২০২৬) বিকেলে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের বড়ইতলী এলাকায় র্যাব ক্যাম্পের সামনের সড়কে বিশেষ চেকপোস্ট বসিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেফতারকৃত সৈয়দ আলম টেকনাফ থানার হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ০৯নং ওয়ার্ডের জাদিমুরা (কোনাপাড়া স্টেশন গলি) এলাকার মৃত আলী আহম্মদের ছেলে।
র্যাব-১৫, সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সূত্রে খবর পায় যে, এক মাদক কারবারি ইয়াবার একটি বড় চালান নিয়ে সিএনজি অটোরিকশা যোগে বরইতলী হয়ে টেকনাফ সদরের দিকে আসছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে বিকেল আনুমানিক ৩:৪৫ মিনিটে টেকনাফ র্যাব ক্যাম্পের সামনের পাকা রাস্তার ওপর একটি বিশেষ চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়।
বিকেল ৪:১০ মিনিটের দিকে জাদিমুরার দিক থেকে আসা একটি সন্দেহভাজন সিএনজি অটোরিকশাকে সংকেত দিয়ে থামায় র্যাব। এ সময় চালক সৈয়দ আলমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সে তার কাছে মাদক থাকার কথা স্বীকার করে। পরবর্তীতে উপস্থিত স্থানীয় জনগণের সামনে আসামির দেখানো মতে সিএনজির পিছনের ইঞ্জিন বক্সের ভেতর থেকে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ২৩,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত সিএনজি অটোরিকশা এবং আসামির কাছ থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন জব্দ করা হয়েছে।
র্যাব-১৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদকের সিন্ডিকেট নির্মূল এবং চোরাচালান রোধে সরকারের ‘শূণ্য সহনশীলতা’ (Zero Tolerance) নীতি বাস্তবায়নে র্যাবের এই ধরনের গোয়েন্দা নজরদারি ও কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।