কক্সবাজারের উখিয়ায় দীর্ঘদিনের পলাতক ও মাদক মামলায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক রোহিঙ্গা আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-১৫)। গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম মোহাম্মদ আইয়ুব আলী (২৭)। তিনি উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১২ (ব্লক-জে/০২) এর বাসিন্দা মোঃ শামসুল আলমের ছেলে।

‎শনিবার (২৭ জুন) দুপুরে উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১২ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎র‍্যাব-১৫ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদ ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব-১৫, সিপিসি-২ (হোয়াইক্যং ক্যাম্প)-এর একটি চৌকষ আভিযানিক দল আজ দুপুর আনুমানিক ১টা ১০ মিনিটে বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১২ এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে থাকা পরোয়ানাভুক্ত আসামি আইয়ুব আলীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‍্যাব।

‎র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত মোহাম্মদ আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে ২০২৩ সালে উখিয়া থানায় একটি মাদক মামলা রুজু করা হয়েছিল। উক্ত মামলায় বিজ্ঞ আদালত তাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৬(১) ধারার ২৪(খ) উপধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ৩ (তিন) বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৩ (তিন) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। আদালত কর্তৃক রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।


‎”গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। মাদকের মতো সামাজিক ব্যাধি এবং যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে র‍্যাবের এই রূপ চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

‎সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব আরও জানায়, “বাংলাদেশ আমার অহংকার” এই মূলমন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে বিশেষ করে সীমান্তবর্তী ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিকদের (রোহিঙ্গা) আশ্রয়শিবির এলাকাগুলোতে মাদকের বিস্তার রোধ এবং সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব-১৫ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}