Views: 4

বিশেষ প্রতিবেদন উখিয়া।   

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত ও জনসমাগমের  ভিড় এড়াতে উখিয়ার সকল হাট-বাজার অন্য জায়গায় স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন উপজেলা প্রশাসন।

১৭ এপ্রিল   শুক্রবার রাতে   উখিয়া উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নিকারুজ্জামান চৌধুরী পালংখালী স্টেশনের হাটবাজার সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয় এ সময় উপস্থিত ছিলেন উখিয়া থানা তদন্তঅফিসার কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম মজুমদার সহ উপস্থিতি ছিলেন।

২০ এপ্রিল উখিয়ার সহকারি কমিশনার (ভূমি) আমিমুল এহসান খান পরিদর্শন এ পালংখালী জাকারিয়া মার্কেট এবং মরহুম হাজি হোসনে আলী মার্কেটে পিছনে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

এ সময়  বাজার ইজারাদার খলিল আহমেদ, মনজুর , কাঁচা তরকারি ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ, পালংখালী বাজার হকার্স সমিতির নেতৃবৃন্দ  ও স্থানীয় নুরুল হক মেম্বার, পালংখালী ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ সভাপতি এম এ মনজুর, শাহাদাত হোসেন জুয়েল পালংখালী ইউনিয়ন সাবেক নৌকার চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিকারুজ্জামান চৌধুরী জানান, করোনা ভাইরাস জনিত সংক্রমণ অবস্থা ভালো নয়। তাই বাজারে লোক সমাগম ও ভিড় কমানোর লক্ষ্যে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন এমন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।

তিনি বলেন নতুন স্থানান্তরিত বাজার এখন থেকে একেকটির দূরত্ব ১০  ফুট অন্তর অন্তর দোকান বসাতে হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন পালংখালী  বাজার বসবে এখন থেকে পালংখালী   উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে বসানো প্রস্তাব গৃহীত হলেও স্হানীয়দের সুবিধার জন্য আপাতত পালংখালী হাজি হোসনে আলী মার্কেটে ও জাকারিয়া মার্কেট এর পিছনে বসানো হয়েছে , সোনার পাড়া বাজার বসবে সোনার পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে।  এ ছাড়াও কুতুপালং, বালুখালী, থাইংখালী, পালংখালী সহ বিভিন্ন হাটবাজারও নতুন স্থানে সরানো হয়েছে।

পালংখালী  ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান দেশে করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতি মোকাবেলা এবং নিজেদেরকে নিরাপদ ও সুস্থ রাখতে অবশ্যই সরকারি যেকোনো নির্দেশনাবলী আমাদেরকে পালন করতে হবে আমি নিজে পালংখালী হাটবাজার সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত করি পরিদর্শন করে বসানো হয়েছে বলে জানান।

তিনি আরো বলেন জনসমাগম এড়াতে পালংখালী  বাজারের কাঁচা তরকারি ও কাঁচা মাছ বাজার সরকারি  নির্ধারিত জাগায় বসানো হয়েছে।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, মুদির দোকান ঔষধের দোকান ব্যতীত  সকল প্রকার কাঁচা তরকারি, কাঁচা মাছ এমনকি তরমুজ বিক্রেতাদেরকে পালংখালী  স্টেশন ত্যাগ করে নতুন বাজারে চলে যেতে বলা হলেও কিছু তরমুজ ব্যবসায়ী রোহিঙ্গা সামগ্রী বিক্রি কারি এখন ও বহালতবিয়ত রয়ে গেছে।

 এ প্রসঙ্গে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা ইজারাদারদের উদ্দেশ্যে বলেন এ নির্দেশ অমান্য করা হলে পুরো বাজার বন্ধ করে দেওয়া হয়