বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বাংলাদেশের জনগণের সার্বিক কল্যাণ ও অগ্রযাত্রায় নতুন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে উত্তরোত্তর সফলতা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেছেন। ঢাকার রুশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে জানানো হয় যে, বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে এক বিশেষ বার্তায় এই শুভকামনা পাঠিয়েছেন রাশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধান।

ঢাকার রুশ দূতাবাস থেকে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, প্রেরিত ঐ অভিনন্দন বার্তায় ভ্লাদিমির পুতিন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। বার্তাটিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন যে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্ব বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করবে। একই সাথে পুতিন রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত মঙ্গলকামনা, সুস্বাস্থ্য এবং বাংলাদেশের বন্ধুপ্রতিম ও শান্তিপ্রিয় জনগণের সার্বিক অগ্রগতি ও কল্যাণে তাঁর ভবিষ্যৎ সকল প্রচেষ্টায় সাফল্য কামনা করেন।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের এই সময়োপযোগী অভিনন্দন বার্তায় বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক, বন্ধুত্বপূর্ণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতাপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্কের এক উজ্জ্বল ও ইতিবাচক প্রতিফলন ঘটেছে। স্বাধীন বাংলাদেশের সূচনা থেকেই রাশিয়ার সাথে যে সুদৃঢ় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, তা এই অভিনন্দনের মাধ্যমে আবারও নতুন মাত্রা লাভ করল বলে মনে করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপ্রধানকে দেওয়া এই স্বীকৃতি দুই দেশের বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও কূটনৈতিক সহযোগিতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।

প্রেসিডেন্ট পুতিনের অভিনন্দন বার্তায় উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ও বন্ধুত্বের গভীরতা প্রকাশ পেয়েছে। রাশিয়ার মতো একটি প্রভাবশালী বিশ্বশক্তির কাছ থেকে আসা এই শুভকামনা নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির জন্য একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ধারাবাহিকতা ও আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতাকে আরও বেগবান করবে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অভিনন্দন বার্তা বাংলাদেশ ও রাশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গভীরতাকেই পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেয়। নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

#wpdevar_comment_1 span,#wpdevar_comment_1 iframe{width:100% !important;} #wpdevar_comment_1 iframe{max-height: 100% !important;}