Views: 5
নুরুল বশর ক্রাইম প্রতিবেদন উখিয়া।
সীমান্ত উপজেলা কক্সবাজারের টেকনাফে একের পর এক শীর্ষ দেশি ও রোহিঙ্গা ইয়াবা ব্যবসায়ী বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলেও তার বিন্দুমাত্র প্রভাব নেই আরেক সীমান্তবর্তী উপজেলা উখিয়ায়। অথচ টেকনাফের পাশাপাশি উখিয়াতেও ইয়াবা ও মাদক ব্যবসার ক্ষেত্রে কোনো কমতি নেই। টেকনাফের তুলনায় ইয়াবা পাচারকারীর সংখ্যা উখিয়ায় কিছুটা কম হলেও বর্তমান উখিয়ায় শীর্ষ ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ীর সংখ্যা ছিল টেকনাফের সমসংখ্যক। কিন্তু সরকার মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণার পর টেকনাফে মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা রাত-দিন দায়িত্ব পালন করে গেলেও উখিয়ায় এর কোনো গতি নেই।
যার ফলে ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ীরা আরও বেপরোয়া হয়ে আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে ইয়াবা ও মাদক পাচার অব্যাহত রেখেছে যা প্রমাণ করে গত কিছু দিনের মধ্যে ১৪ লাখ এর উপরে ইয়াবা আটক করে প্রশাসন এর পরেও শীর্ষ গডফাদাররা অধরা থেকে যাওয়ায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মাদক ও ইয়াবাবিরোধী লোকজন।
সূত্রে জানা যায় পালংখালী ইউনিয়নের আনজুমান পাড়া একটি সিমান্ত পয়েন্ট এই পয়েন্ট দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবার চালান ডুকে আসছে সিমান্ত পয়েন্ট থেকে সেই সুবাদে চিংড়ি মাছের আড়ালে চিংড়ি ব্যবসায়ী জকির রাতারাতী বুনে যায় কোটিপতি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গাদের সাথে যোগসূত্র রয়েছে রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে চিংড়ি মাছ নিতেন জকির বিশেষ সুত্রে জানা যায় ইয়াবা যখন মায়ানমার থেকে শুরু করে তখন থেকে চালিয়ে যাচ্ছেন ইয়াবা কারবার।
কিন্তু সাধারণমানুষের প্রশ্ন এতো দিনেও কি জকির প্রশাসনের নজরে পড়েনি জমি জমা ঘর বাড়ি সবকিছু হয়ে গেছে।
বিশেষ সুুুুত্রে তাহার একজন সিএনজি ড্রাইভার জানিয়েছন জকির দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা শাপলায় দিয়ে আসছে এখনো বহালতবিয়ত রয়েছে এখনো পর্যন্ত বকিয়া টাকা পাওনাদার রয়েছে রোহিঙ্গারা তিনি বর্তমান শহরে বা গোপনে থাকেন বাজারে ও কম চলাচল করেন আর একটি গোপন সুত্রে জানতে পারি তাহার ইয়াবা কারবার এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন ছখিনা নামক একজন পার্শ্ববর্তী মহিলা দিয়ে, রোহিঙ্গা কাহারা বিশ্বাস করে বস্তাবর্তী ইয়াবা পাঠিয়ে দিতেন গত কিছু আগে rab এর হাতে গ্রেরেফতার হওয়া বির রহমান বালুখালী ক্যাম্পের ও হাত কাটা জাফর জামতলা ক্যাম্প ১৫ তাহাদের বিশ্বাসী মানুষ ছিলেন জকির ইয়াবা রাতারতি সিমান্ত পার করিয়ে দিতেন বির রহমান সহ বিভিন্ন রোহিঙ্গা রয়েছে , আরও জানা যায় পালংখালী বটতলী শীর্ষ ইয়াবা কারবারি নুুর মোহাম্মদ একইসাথে সিন্ডিকেট হয়ে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন ধরে।
এ পর্যন্ত টেকনাফের অর্ধশতাধিক ছোট-বড় ইয়াবা ব্যবসায়ী বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলেও পার্শ্ববর্তী উপজেলা হিসেবে উখিয়ায় এর কোনো প্রভাব নেই। উখিয়ায় মাত্র দুই ইয়াবা ব্যবসায়ী বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলেও অধরা রয়েছে অন্তত শতাধিক ইয়াবা কারবারি। তারা দিনের বেলায় আন্ডারগ্রাউন্ডে থেকে রাতের বেলায় দেদার চালিয়ে যাচ্ছে ইয়াবা ও মাদক ব্যবসা। উখিয়া বাঁচাও আন্দোলনের নেতাদের দাবি এ উপজেলায় শতাধিক মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে; যারা ইয়াবা ও মাদক সেবন, বাজারজাতকরণ, পাচার ইত্যাদির সঙ্গে জড়িত।
সূত্রমতে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ৬৬ জন ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ীর মধ্যে কবির আহমদ, বুজুরুজ মিয়া, রোহিঙ্গা জিয়াবুল হককে আটক করে জেলহাজতে পাঠালেও অধরা রয়েছে অনেকে। মাদকবিরোধী অভিযানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে চিহ্নিত ইয়াবা পাচারকারীদের আটক বা ইয়াবা উদ্ধার করতে ব্যর্থ হওয়ার বিষয়টিকে সচেতন মহল ভিন্ন চোখে দেখছে। তারা বলছে, মাদক ব্যবসায়ীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গাড়ি, বাড়ি, সহায়সম্পত্তি বহাল তবিয়তে এবং এসব মাদক ব্যবসায়ীও নিজ নিজ অবস্থানে নিরাপদে অবস্থান করছে। তাদের দাবি হয়তো এসব ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হোক, না হয় অস্থাবর সম্পদ ক্রোক করা হোক।
যাতে ইয়াবা পাচার বন্ধ হয়ে যায়। একজন মানবাধিকার কর্মী বলেন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কিছু লোকের সঙ্গে ইয়াবা সিন্ডিকেটের আঁতাত ও সম্পৃক্ত থাকার কারণে মাদকবিরোধী অভিযানে গত এক সপ্তাহে তেমন কোনো ইয়াবা ব্যবসায়ী ধরা বা ইয়াবা উদ্ধার হয়নি। তিনি বলেন, এসব ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আইনের আওতায় আনা না হলে হাজারও মাদকবিরোধী অভিযানে সফলতা আসবে না। কারণ এসব ইয়াবা ব্যবসায়ীর রয়েছে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি ও তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানের রাঘববোয়াল ইয়াবা সিন্ডিকেট। এ প্রসঙ্গে উখিয়া থানার তদন্ত অফিসার ইনচার্জ নুরুল ইসলাম মজুমদার জানান, উখিয়ায় যেসব ইয়াবা ও মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে তাদের ব্যাপারে পুলিশ খবরাখবর রাখছে। সময়মতো আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।