Views: 4

খোরশেদ আলম : 
বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫ তম জন্মদিন উপলক্ষে, মঙ্গলবার সারা দেশে বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে করোনাভাইরাসের ৭৫ লাখ ডোজ টিকা দেওয়া হয়। ২৫ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিরা এই টিকা পাবেন। তবে এ জন্য তাঁদের আগে নিবন্ধন করা থাকতে হবে এবং মুঠোফোনে খুদে বার্তা পেতে হবে। টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে চল্লিশোর্ধ্ব, নারী, প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম এসব তথ্য জানান। অধিদপ্তরের ফেসবুক পেজে তাঁর বক্তব্য সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
জানা গেছে, সকাল নয়টা থেকে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে প্রতিটি ইউনিয়নে দেড় হাজারের বেশি, পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫০০ বা এর বেশি এবং সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে ১ হাজার বা এর বেশি টিকা দেওয়া। এ ছাড়া নিয়মিত যেসব কেন্দ্রে টিকা দেওয়া হবে, সেগুলোর কার্যক্রমও অব্যাহত থাকবে।
এরই ধারাবাহিকতায় যশোরের শার্শা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সহ বেনাপোল পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের গণটিকা কার্যক্রম এর করোনা টিকা দেওয়া হয়েছে।
সরেজমিনে, উক্ত উপজেলার বাসিন্দারা প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে দেওয়া টিকা ক্যাম্পে আনন্দের সহিত হাজির হয়ে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণ করছেন। এসময় আইন শৃঙ্খলা নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করেন পুলিশ, আনসার, গ্রাম পুলিশের সদস্যরা।
গণটিকা কার্যক্রমের বিষয়ে নিশ্চিত করে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্যসেবা কর্মকর্তা ইউসুফ হোসেন জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে শার্শা উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ক্যাম্পেইনে ও উপজেলা সরকারি জেনারেল হাসপাতাল সহ মোট নারী-পুরুষ মিলে ১৭ হাজার ৯ শত ৮৯ জনকে কভিড-১৯ এর প্রথম ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া হাসপাতাল থেকে আজ ২ শত ৬৫ জনকে ভ্যাকসিনের ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে।
এদিকে গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সংবাদ মাধ্যমে জানিয়ে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে, মঙ্গলবার বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে তাঁরা ৭৫ লাখ টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। এর বাইরে নিয়মিত টিকাদান কার্যক্রমের আওতায় আরও পাঁচ লাখ টিকা দেওয়া হবে। বিশেষ ক্যাম্পেইনে শুধু প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হবে। যাঁরা প্রথম ডোজ নেবেন, তাঁদের ২৮ অক্টোবর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। টিকা নেওয়ার জন্য সবাইকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও টিকা কার্ড সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে।
স্তন্যদানকারী মা ও অন্তঃসত্ত্বা নারীরা এই টিকার আওতায় আসবেন না। আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম আরও বলেন, বিশেষ ক্যাম্পেইনে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের যেকোনো একটি ওয়ার্ডে একটি কেন্দ্র থাকবে। পৌরসভায় প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে এবং সিটি করপোরেশনের প্রতিটি ওয়ার্ডে তিনটি করে বুথে টিকা দেওয়া হবে। স্থানীয়ভাবে বুথ কমানো–বাড়ানো যাবে।