Views: 5

জমি দখলকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে লাঠিসুটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারামারি ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে পাঁচ ছাত্রসহ উভয়পক্ষের ১২ জনকে কুপিয়ে যখম করার ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে গাজীপুর মহানগরের ৩২ নং ওয়ার্ডের মইরান গ্রামের মধ্যপাড়া এলাকায়। এ নিয়ে এলাকার মধ্যে তীব্র খোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সরে জমিনে গিয়ে জানা যায়, দিপালী রিসোর্ট ম্যানেজার ও মৈরান ঈমানদী জামে মসজিদের সেক্রেটারি রিটন মিয়া বলেন মারামারির সময় আমি উপস্থিত ছিলাম না। তবে আমরা ১০০ বছর যাবত জমি ভোগ দখল করে আসতেছি। শুকুরআলীগং ২০২২ সালে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করলে আমরা বিজ্ঞ আদালতে ১০৭ ধারা মামলা দায়ের করি। জমিতে আর যাবে না এই মর্মে বিজ্ঞ আদালতে মুছলেকা ও দেন বলে তিনি জানান। পরবর্তীতে জমির জবর দখলের চেষ্টা করলে বিজ্ঞ আদালতে ১৪৫ ধারায় পিটিশন মোকাদ্দমা ৩৬৮/২২ দায়ের করিলে আদালত সহকারী কমিশনার ভূমি সরজমিনে তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নেন। দ্বিতীয় পক্ষকে বিগত ২৩-১০-২০২২ইং তারিখে নালিশি ভূমিতে প্রবেশ বারিত করা হল মর্মে আদেশ প্রদান করেন। দ্বিতীয় পক্ষ আদালতের আদেশ অমান্য ও তোয়াক্কা না করে জমি দখলের চেষ্টা চালায়। মঙ্গলবার সকালে দ্বিতীয় পক্ষ শুকুর আলী গং লোকজন নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা করলে প্রথম পক্ষ শ্যামল গং খবর পেয়ে আশেপাশের লোকজনকে সাথে নিয়ে আদালতের রায়ের কথা উল্লেখ করে অনুরোধ করলে শুক্কুর আলী গং ক্ষিপ্ত হয়ে তাদের হাতে থাকা লাঠিসোঠা ও দাঁড়ালো অস্ত্র দিয়ে শ্যামল গংএর উপর অতর্কিত আক্রমণ চালায় এতে পাঁচ শিক্ষার্থী যখম হলে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে  ১২ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
গত সোমবার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে বিচারে বসলে অমান্য করেও জমিতে যাওয়ার কথা বলেন শুকুর আলীগং। রিটন মিয়া বলেন আমার ছেলে শাহেদ হোসেন ও সাজ্জাত হোসেন সহ মোহর আলীর ছেলে রোহান আহমেদ, খোকন মোল্লার ছেলে রিফাত মোল্লা, মৃত তাহের আলীর ছেলে ইমন প্রত্যেকের ছাত্র বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে।
অপরদিকে কাশেম বলেন, আমার মা বোন ভাই ও ভাতিজাকে জমির মধ্যে মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। তাদেরকে হাসপাতালে পাঠালে খালি বাড়িতে এসে সন্ত্রাসী প্রকৃতির কয়েকজনকে নিয়ে ছোট ভাইকে খোঁজতে এসে রিটন মিয়া আমাকে লাথি মেরে ফেলে দেয়। বাড়ি ঘরে আসবাবপত্র ভাঙচুর ও আমার চিকিৎসার ত্রিশ হাজার টাকা নিয়ে যায়। আমার পূর্বে হাত ভাঙ্গা ছিল। হাতে ব্যথা পেয়েছি চিকিৎসার জন্য আবার পঙ্গু হাসপাতাল যেতে হবে।
এবিষয় গাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে বারবার ফোন দিয়ে না পাওয়া গেলে, ইন্সপেক্টর তদন্ত আব্দুল্লাহ আল মামুনের কাছে জানতে চাইলে, তিনি জানান অভিযোগ পেলে আমরা ব্যবস্থা নিবো।