Views: 4
ঢাকা, ২১ নভেম্বর: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দুইজনের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড ঘোষণার পর সৃষ্ট উত্তেজনা ও সহিংসতা দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উল্লেখযোগ্য সফলতা দেখিয়েছে। রায় ঘোষণার পর প্রায় চার দিন পেরিয়ে গেলেও ঢাকাসহ দেশের প্রধান শহরগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোরভাবে বলবৎ আছে এবং পরিস্থিতি এখন শান্তিপূর্ণ ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
রায় ঘোষণার দিন এবং তার আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের ডাকা ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক অগ্নিসংযোগ ও ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে কৌশল অবলম্বন করেছিল, তা ফলপ্রসূ হয়েছে:
অগ্রিম মোতায়েন: ঢাকা, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর ও মাদারীপুরসহ সংবেদনশীল জেলাগুলোতে রায় ঘোষণার আগেই বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছিল।
কঠোর হুঁশিয়ারি: ডিএমপি কমিশনার কর্তৃক অগ্নিসংযোগকারীকে গুলি চালানোর সরাসরি নির্দেশ সহিংসতাকারীদের একটি বড় অংশকে নিবৃত্ত করতে সাহায্য করে।
জিরো টলারেন্স নীতি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাহিনীগুলো যেকোনো ধরনের উচ্ছৃঙ্খলতা কঠোরভাবে দমন করার নীতি গ্রহণ করে।
নিরাপত্তা বাহিনীর এই কঠোর নজরদারি ও সফল অভিযানের ফলে জনমনে আস্থা ফিরে আসতে শুরু করেছে। প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। কোথাও কোনো ধরনের বড় ধরনের জমায়েত বা অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা কঠোর হাতে দমন করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলছেন, তাদের প্রধান লক্ষ্য হলো জনগণের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং রায়-পরবর্তী উত্তেজনা সম্পূর্ণ প্রশমিত না হওয়া পর্যন্ত এই কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।