Views: 4

বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় লোটো শোরুমের মালিক মোঃ পিন্টু আকন্দ (৩৮) কে অপহরণের পর শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় একটি হাইচ মাইক্রোবাস জব্দ করেছে পুলিশ এবং একজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহত পিন্টু আকন্দ নওগাঁ জেলার রানীনগর থানার লৌহচড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে এবং পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আদমদীঘি উপজেলার কোমারভোগ গ্রামের তোফাজ্জলের বাড়ির সামনে দুপচাঁচিয়া সিও অফিস বাজার এলাকার একটি লোটো শোরুম থেকে অজ্ঞাতনামা কয়েকজন ব্যক্তি জোরপূর্বক পিন্টু আকন্দকে একটি হাইচ মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। মাইক্রোবাসটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর ছিল ঢাকা মেট্রো-চ ১৫-৩২৬৮। প্রথমে নির্দিষ্ট গন্তব্যের কথা বলে গাড়িটি ভাড়া নেওয়া হলেও পরে ভিন্ন পথে ঘোরাফেরা করতে দেখে গাড়ির মালিক জিপিএসের মাধ্যমে গাড়িটি বন্ধ করে দেন। গাড়ি বন্ধ হয়ে গেলে অপহরণকারীরা ঘটনাস্থলে গাড়িটি রেখে পালিয়ে যায়।

জিপিএসের মাধ্যমে গাড়ির অবস্থান শনাক্ত করে দুপচাঁচিয়া ও আদমদীঘি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আতাউর রহমান এবং দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে কোমারভোগ গ্রাম থেকে কোমারপুরগামী সড়কে তোফাজ্জলের বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা হাইচ মাইক্রোবাসটির পেছনের সিটের পা রাখার স্থানের ভেতর থেকে পিন্টু আকন্দের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহের নাক ও মুখ কসটেপ দিয়ে পেঁচানো ছিল। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হয়েছে।

দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ থানায় নিয়ে যায়। একই সঙ্গে ঘটনায় ব্যবহৃত হাইচ মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয় এবং একজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন আদমদীঘি সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ আসিফ হোসেন, আদমদীঘি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আতাউর রহমান এবং দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।