Views: 4

বাংলাদেশের আগামী রাজনীতি ও অর্থনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ বাণিজ্য কর্মকর্তার সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

শুক্রবার সকালে পৃথকভাবে আয়োজিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) রাষ্ট্রদূত জেমিসন গ্রিয়ার।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর গুলশানের বাসভবন থেকে যুক্ত হয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নীতি, শুল্ক কাঠামো এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব নিয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৈঠকে তারেক রহমান দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যেখানে তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য হুমায়ুন কবির।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত পৃথক বৈঠকে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য বিশেষ শুল্ক সুবিধা এবং মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বৈঠকে রাষ্ট্রদূত গ্রিয়ার জানান যে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের শুল্ক হ্রাসের বিষয়ে আলোচনা করেছেন।

জামায়াত আমির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ব্যবহার করে তৈরি পোশাকে শতভাগ শুল্ক সুবিধা পাওয়া গেলে তা দুই দেশের জন্যই ‘উইন-উইন’ পরিস্থিতি তৈরি করবে।

ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে মার্কিন প্রশাসনের এই সরাসরি যোগাযোগ এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন সংস্থা ডিএফসি-র তহবিলে প্রবেশাধিকার বিষয়ে সমর্থনের আশ্বাসকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা কেবল বাণিজ্যিক সম্পর্ক নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে এক শক্তিশালী ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলো।