Views: 4
পাহাড় আর হ্রদ ঘেরা রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে সাক্ষী রেখে অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের মিলনমেলা। এই বিশেষ দিনটিতে কাপ্তাই উপজেলার সাবেক সফল উপজেলা চেয়ারম্যান এবং জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব মো. দিলদার হোসেন তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা, প্রিয়জন এবং এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঈদের অনাবিল আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন। কাপ্তাইয়ের মনোরম এবং শান্ত পরিবেশে আয়োজিত এই মিলনমেলাটি স্থানীয় পর্যায়ে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে পরিলক্ষিত হয়েছে।
ঈদের দিন বিকেলে কাপ্তাইয়ের এক নান্দনিক লোকেশনে এই অনানুষ্ঠানিক গেট-টুগেদার বা মিলনমেলা অনুষ্ঠিত হয়। যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততা ভুলে প্রিয় মানুষদের সান্নিধ্যে সময় কাটাতে পেরেছেন সবাই। এই আনন্দ আয়োজনে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সুযোগ্য কন্যা মিথিলা, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব আফসার ভাই এবং স্থানীয় আদিবাসী নেতা অজিত কারবারী। এছাড়াও স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীসহ যুবদল ও ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক সদস্য এই মিলনমেলায় অংশ নিয়ে উৎসবের আমেজকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেন।
মিলনমেলায় আসা আগত অতিথিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় কোনো রাজনৈতিক ভেদাভেদ ছিল না, বরং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাবেক এই জনপ্রতিনিধির সহজলভ্য মেলামেশা সবাইকে মুগ্ধ করেছে। উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উৎসবের এই দিনগুলোতে প্রিয় নেতাদের পাশে পাওয়া সাধারণ মানুষের জন্য এক বড় পাওনা। এ ধরণের মিলনমেলা কেবল ব্যক্তিগত আনন্দ নয়, বরং স্থানীয় সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও মজবুত এবং সুদৃঢ় করে তোলে বলে তাঁরা মনে করেন।
অনুষ্ঠানে মো. দিলদার হোসেন উপস্থিত সকলের সুখ, শান্তি ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন। তিনি বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ এবং এই আনন্দ তখনই পূর্ণতা পায় যখন তা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া যায়। কাপ্তাইয়ের মানুষের ভালোবাসা আমাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, পবিত্র ঈদের এই শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা যেন সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের জীবনে অনাবিল কল্যাণ ও প্রশান্তি বয়ে আনে। বৈচিত্র্যময় এই জনপদে দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বানও ফুটে ওঠে তাঁর এই অনানুষ্ঠানিক আলোচনায়।
মিলনমেলা শেষে উপস্থিত নেতাকর্মীরাও অত্যন্ত আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তাঁরা মনে করেন, পাহাড়ের এই জনপদে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর যে সংস্কৃতি চালু আছে, তা এ ধরণের উৎসবের মাধ্যমে আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের এই উৎসবের রেশ যেন সারা বছর কাপ্তাইবাসীর যাপিত জীবনে অটুট থাকে, এমন প্রত্যাশা নিয়েই সন্ধ্যার দিকে শেষ হয় এই মনোজ্ঞ মিলনমেলা। সার্বিকভাবে, কাপ্তাইয়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে এই মিলনমেলাটি ছিল অত্যন্ত ইতিবাচক ও অর্থবহ।
কাপ্তাইয়ের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মো. দিলদার হোসেনের এই ঈদ মিলনমেলা কেবল একটি উৎসব উদযাপন নয়, বরং এটি সাধারণ মানুষের প্রতি তাঁর গভীর মমত্ববোধের বহিঃপ্রকাশ। সম্প্রীতির এই বার্তা আগামী দিনগুলোতে কাপ্তাইয়ের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে সুধীমহল মনে করছেন।