নরসিংদীতে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মানে সম্মাননা স্মারক ও নৈশভোজের আয়োজন করলেন, আশরাফ হোসেন সরকার
স্টাফ রিপোর্টার
/ ৪৪৮
বার দেখা হয়েছে
আপডেট
শুক্রবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২১
শেয়ার
Views: 6
নরসিংদীতে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মানে সম্মাননা স্মারক ও নৈশভোজের আয়োজন করলেন, আশরাফ হোসেন সরকার
মোস্তাক আহমেদ/নরসিংদীঃ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী গৌরবময় বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মানে আলোচনা সভা সন্মাননা স্মারক প্রদান ও নৈশভোজের আয়োজন করলেন নরসিংদী শহর যুবলীগ সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব আশরাফ হোসেন সরকার। ১৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিজয় দিবসের সন্ধ্যায় নরসিংদী শহরস্থ শেরেবাংলা ক্লাব প্রাঙ্গনে আলহাজ্ব আশরাফ হোসেন সরকার এর ব্যক্তিগত উদ্যোগে উক্ত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলওয়াত, পবিত্র গীতা পাঠ, জাতীয় সংগীত, মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহীদদের স্মরণে একমিনিট নিরবতা ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবর্ক অর্পণ মধ্যদিয়ে শুরু হয়। জেলার মোট ৬৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত হয়ে এসময় সম্মাননা স্মারক ও উপহার সামগ্রী হাতে তুলে দেন আশরাফ...
১৯
মোস্তাক আহমেদ/নরসিংদীঃ
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী গৌরবময় বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মানে আলোচনা সভা সন্মাননা স্মারক প্রদান ও নৈশভোজের আয়োজন করলেন নরসিংদী শহর যুবলীগ সাবেক সভাপতি ও আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব আশরাফ হোসেন সরকার।
১৬ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিজয় দিবসের সন্ধ্যায় নরসিংদী শহরস্থ শেরেবাংলা ক্লাব প্রাঙ্গনে আলহাজ্ব আশরাফ হোসেন সরকার এর ব্যক্তিগত উদ্যোগে উক্ত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলওয়াত, পবিত্র গীতা পাঠ, জাতীয় সংগীত, মুক্তিযুদ্ধে নিহত সকল শহীদদের স্মরণে একমিনিট নিরবতা ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবর্ক অর্পণ মধ্যদিয়ে শুরু হয়। জেলার মোট ৬৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত হয়ে এসময় সম্মাননা স্মারক ও উপহার সামগ্রী হাতে তুলে দেন আশরাফ হোসেন সরকার। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, মুক্তিযোদ্ধা সর্ব ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আশরাফ উদ্দিন ভূঁইয়া মুকুল, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা শুভাষ সাহা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য, শিক্ষক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা রঞ্জিত সাহা, নরসিংদী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ালিউর রহমান আজিম, জেলা আওয়ামী লীগ নেতা সাখাওয়াত মোল্লা, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মনছুর আহম্মেদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান ছোট্টু, জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোবারক হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আরমান পাঠান, জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান খোকা, জেলা তাঁতী লীগের আহবায়ক কায়কোবাদ হোসেন কানু, জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুভাষ সাহা, সাবেক শহর যুবলীগ দপ্তর সম্পাদক আশিকুর রহমান, শহর তাঁতী লীগের আহবায়ক হিরো সরকার, জেলা শেখ রাসেল পরিষদের সাবেক সভাপতি মাসুদ করিম রাজা সরকার সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। এসময় অনুষ্ঠানের আয়োজক আশরাফ সরকার বলেন :- আজ ঐতিহ্য ও গৌরবময় বিজয়ের ৫০ বছর। ১৯৭১ থেকে ২০২১।
৫০ বছরে পা রেখেছে আমাদের আজকের এই অর্জিত বিজয়। আমি প্রথমে শ্রদ্ধার সাথে স্বরণ করি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ, বাঙালি জাতির মহান পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। যার আহবানে ৩০ লাখ শহীদের তাজা রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছিলো এবিজয়। আপনারা জাতির সূর্য সন্তান। আজ এবিজয়ের দিনে আমার ডাকে আপনারা সাড়া দিয়ে আমাকে আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত করেছেন সেজন্য আমি আপনাদের কাছে ঋণী। ১৯৭১ সালে আপনারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাক-হানাদার বাহিনীকে হটিয়ে স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠিত করছিলেন বলেই আজ আমার মতন একজন নগন্য ব্যক্তি আপনাদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারছি। মুক্ত স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারছি। মায়ের ভাষা বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারি। সবকিছুই অবদান আপনাদের। আমি একজন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হয়ে আপনাদের পাশে থাকতে চাই। পরে জাতির এই সন্তানদের একসাথে নিয়ে নৈশভোজে অংশ গ্রহণ করেন।