শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:
জাতীয় ফল মেলা অনুষ্ঠিতচকরিয়ায় নারী শ্লীলতাহানি ও হ/ত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি আরাফাত র‍্যাবের খাঁচায়টেকনাফে র‍্যাব-১৫ এর অভিযান: মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ‎উখিয়ায় মিয়ানমারে পাচারকালে সার ও টমটম জব্দ, এড. রেজাউল করিম রেজা’র নেতৃত্বে ডিলারদের গুদামে কৃষি কর্মকর্তার অভিযানটেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর অভিযান: যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জাফর আলম গ্রেফতারহাকিমপুরে আমের ফলন ভালো হলেও দাম নিয়ে হতাশ চাষিরাউৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে বগুড়ার ধুনট মহিলা ডিগ্রি কলেজের নবনির্মিত একাডেমিক ভবনের শুভ উদ্বোধনমামলা-হামলা ও হয়রানি করে সাংবাদিকদের দমিয়ে রাখা যাবে না – বিএমএসএফহাকিমপুর উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিতহিলিতে ৩০ পিস অ্যাম্পুল মাদকসহ চারজনকে গ্রেপ্তারগ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে হাকিমপুরে কর্মশালা অনুষ্ঠিত‎টেকনাফে বিদেশী পিস্তল ও গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী মনছুর গ্রেপ্তারসাভারের পোড়াবাড়িতে ডিবি পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬ জুয়ারি গ্রেপ্তার, নগদ টাকা ও তাস জব্দগাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভানাফ নদীতে নিখোঁজের ৪ দিন পরও সন্ধান মেলেনি জেলে সিকান্দারের, উদ্বেগ-শঙ্কা

বিদেশি মাল্টায় শ্রীপুরে নতুন সম্ভাবনা

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৪৯ অপরাহ্ণ
বিদেশি মাল্টায় শ্রীপুরে নতুন সম্ভাবনা
২৯
গাজীপুরের শ্রীপুরে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদেশি মাল্টা চাষে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার মতিউর রহমান। চাকরি ছেড়ে কৃষিকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই তিনি গড়ে তুলেছেন দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় মাল্টা বাগান ‘বাওয়ানী এগ্রো ট্যুরিজম’। ইউটিউবে দেখে স্ব-শিক্ষায় আধুনিক মাল্টা চাষ প্রযুক্তি আয়ত্ত করে তিনি এখন সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন এলাকাজুড়ে।
উপজেলার বরমী ইউনিয়নের ডালেশহর সাতখামাইর এলাকায় প্রায় ৭ বিঘা জমিজুড়ে তৈরি হয়েছে তাঁর এই মাল্টা বাগান। চার বছর আগে শুরু করা এই বাগানে বর্তমানে রয়েছে ৫০০ মিশরীয় হলুদ মাল্টা গাছ এবং ৬০টি দার্জিলিং কমলা গাছ। সঠিক পরিচর্যা, উন্নত প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষের ফলে এসব গাছ এখন ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে। এটি তাঁর দ্বিতীয় বাণিজ্যিক ফলন, যা ইতোমধ্যেই শ্রীপুরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
মতিউর রহমান জানিয়েছেন, প্রথম বছর গাছপ্রতি প্রায় ২০ কেজি মাল্টা পেয়েছিলেন। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় আগের বার ফলন উল্লেখযোগ্য ছিল। তবে চলতি মৌসুমে অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে ফলন কিছুটা কম হয়েছে। তবুও পুরো বাগান থেকে প্রায় ৩ হাজার কেজি মাল্টা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি আশা করছেন। বাজারে বিদেশি হলুদ মাল্টার চাহিদা বেশি হওয়ায় তিনি এই ফলন থেকে প্রায় ১ কোটি টাকার মতো আয় প্রত্যাশা করছেন।
তিনি বলেন, “আমি সবসময় প্রযুক্তিনির্ভর কৃষিতে বিশ্বাস করি। ইউটিউব দেখে শিখেছি, বিদেশি কৃষকের চাষাবাদের ভিডিও থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছি। পরে নিজের জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে মাল্টার গাছ লাগাই। পরবর্তীতে বাণিজ্যিকভাবে শুরু করি। এখন এর ফলেই আমার জীবনে নতুন অধ্যায় তৈরি হয়েছে।”
বাগান ঘুরে দেখা যায়, সারি সারি গাছে ঝুলে থাকা হলুদ মাল্টা বাগানকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। বাগানে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গেই চোখে পড়ে সুপরিকল্পিত নকশা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। পর্যটকদের জন্য রয়েছে আলাদা হাঁটার পথ, বসার জায়গা, ছবি তোলার স্পট এবং ছায়া বিশ্রামকেন্দ্র। প্রতিদিনই আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে দর্শনার্থীরা বাগান পরিদর্শনে আসছেন। এর ফলে স্থানীয় পর্যটনেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মাওনা থেকে বাগান পরিদর্শনে আসা কনটেন্ট ক্রিয়েটর শাজাহান মল্লিক বলেন, “এই মৌসুমে ভিটামিন সি আমাদের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন। এখানে আমরা যে বিশুদ্ধ ও অর্গানিক মাল্টা পাচ্ছি, তা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং ভেজালমুক্ত। এটি আমাদের কাছে সত্যিই এক ধরনের সফলতা।”
শ্রীপুর পৌরসভা থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা রেজাউল করিম কৌশিক বলেন, “ফেসবুকে ভিডিও দেখে স্ত্রীর আবদারে এখানে আসলাম। আমি ব্যাংকে চাকরি করি, তবে এখানে এসে আমারও ইচ্ছে হচ্ছে চাকরি ছেড়ে কৃষি উদ্যোক্তা হওয়ার। খুব শিগগিরই মতিউর ভাইয়ের পরামর্শ নিতে আসব।
বাগান পরিচর্যা কর্মী নুরল হক জানান, “এখানে যারা ঘুরে আসেন, তারা মাল্টা দেখে হাতে করে কয়েক কেজি ফল কিনে নিয়ে যান। কেউ ৬০০ টাকা দিয়ে দুই কেজি মাল্টা নিয়ে যান, কেউ আবার পুরো পরিবারকে নিয়ে আসেন ছবি তোলার জন্য। এর ফলে স্থানীয় শ্রমিকদের জন্যও নতুন আয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে।”
মাল্টা বাগান ঘিরে স্থানীয় অর্থনীতিও চাঙা হতে শুরু করেছে। আশপাশের গ্রামের অনেক মানুষ এখানে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন। কেউ ফল সংগ্রহে, কেউ পরিচর্যায়, কেউ আবার পর্যটক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হয়েছেন। পাশাপাশি স্থানীয় বাজারে ব্যবসার বিস্তারও ঘটেছে।
মতিউর রহমান বলেন, “আমার লক্ষ্য ছিল এমন কিছু করা, যা কৃষিভিত্তিক হলেও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর হবে। শুধু নিজে সফল হওয়া নয়, এলাকার মানুষকেও এই পথে উদ্বুদ্ধ করতে চাই।”
শ্রীপুরে আগে বিদেশি জাতের মাল্টা চাষ তেমন জনপ্রিয় ছিল না। কিন্তু মতিউরের সফলতা এখন অনেকের মাঝেই নতুন উৎসাহ জাগিয়েছে। কৃষি বিশেষজ্ঞরাও বলছেন, দেশে উপযুক্ত পরিচর্যা ও পরিবেশ থাকলে বিদেশি মাল্টা চাষ ব্যাপক সম্ভাবনাময় একটি খাত হতে পারে।
চাকরি ছেড়ে কৃষিকে বেছে নেওয়া মতিউর রহমান আজ শ্রীপুরে সফলতার অনুপ্রেরণাদায়ক উদাহরণ। বিদেশি মাল্টা চাষে তাঁর এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এলাকার কৃষিভিত্তিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বন্যা জানিয়েছেন, “শ্রীপুরের মাটি ও জলবায়ু মাল্টা চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। মতিউর রহমানের এই সফল উদ্যোগের পরিপ্রেক্ষিতে এলাকায় আরও অনেকে মাল্টা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। কৃষি বিভাগও নিয়মিত পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে তাদের সহায়তা করছে।”
এছাড়া স্থানীয় যুবক ও কনটেন্ট ক্রিয়েটররা মনে করছেন, মতিউরের এই উদ্যোগ এলাকার তরুণদের মধ্যে উদ্যোক্তা মনোভাব জাগাতে সহায়ক হচ্ছে। শ্রীপুরে এখন অনেকেই চাকরি ছেড়ে কৃষি খাতে নিজস্ব উদ্যোগ শুরু করার চিন্তা করছেন। ফলে শুধু কৃষি চাষ নয়, পর্যটন, বিক্রয় ও স্থানীয় অর্থনীতিরও নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলেছে।

Polls

আজকের প্রশ্ন

আপনি বাংলা নিউজ টিভির পেইজে লাইক ফলো দিয়েছেন কি?

View Results

Loading ... Loading ...

জাতীয় ফল মেলা অনুষ্ঠিত

নুরুজ্জামান হোসেন হিলি প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
জাতীয় ফল মেলা অনুষ্ঠিত

করব মোরা ফল চাষ,সংরক্ষণ করব বারো মাস এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে দিনাজপুরের হিলিতে জাতীয় ফল মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় হাকিমপুর উপজেলা কৃষি অফিসের সামনে এই ফল মেলা অনুষ্ঠিত হয়।জাতীয় ফল মেলায় হাকিমপুর উপজেলা কৃষি অফিসার আরজেনা বেগমের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা, হাকিমপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির হোসেন সহ আরো অনেকে।আলোচনা সভায় বক্তারা দেশীয় ফলের গুণাবলি নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা করেন। ফল মেলায় দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির ফল দিয়ে স্টল সাজানো হয়। মেলাতে  হাকিমপুর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

চকরিয়ায় নারী শ্লীলতাহানি ও হ/ত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি আরাফাত র‍্যাবের খাঁচায়

মোঃ হারুন অর রশিদ- উখিয়া, কক্সবাজার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৫:৪২ অপরাহ্ণ
চকরিয়ায় নারী শ্লীলতাহানি ও হ/ত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি আরাফাত র‍্যাবের খাঁচায়

কক্সবাজারের চকরিয়ায় চাঞ্চল্যকর হত্যাচেষ্টা ও নারীর শ্লীলতাহানি মামলার প্রধান ও ১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি আরাফাত (৩৫)-কে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)-১৫।

‎গতকাল (বা সাম্প্রতিক তারিখ দিতে পারেন) চকরিয়া থানাধীন ডুলাহাজারা বাজার এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃত আরাফাত চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বালুরচর ষোলহিস্যা এলাকার সেলিম উল্লাহর ছেলে।

‎র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করা, অপরাধী দমন, মাদক উদ্ধার ও সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে র‍্যাব। এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১৫, কক্সবাজার এর সিপিএসসি ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল ডুলাহাজারা বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় নারী শ্লীলতাহানি ও হত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান পলাতক আসামি আরাফাতকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন র‍্যাব সদস্যরা।

‎গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে তাকে কক্সবাজার জেলার চকরিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‍্যাবের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

‎এলাকার চাঞ্চল্যকর এই মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার হওয়ায় স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে।

টেকনাফে র‍্যাব-১৫ এর অভিযান: মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ‎

‎মোঃ হারুন অর রশিদ উখিয়া,  কক্সবাজার প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
টেকনাফে র‍্যাব-১৫ এর অভিযান: মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ‎

কক্সবাজারের টেকনাফে একটি সফল অভিযান চালিয়ে মাদক মামলার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত ১২:১৫ মিনিটে টেকনাফ থানার হ্নীলা ইউনিয়নের ০৯ নং ওয়ার্ডের দমদমিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

‎গ্রেফতারকৃত আসামির নাম খোরশেদ আলম (২৫)। তিনি টেকনাফ থানার হ্নীলা ইউনিয়নের ০৬ নং ওয়ার্ডের ছোট লেচুয়াপ্রাং এলাকার মোঃ সালাম ও মৃত সুফিয়া খাতুনের ছেলে।

‎র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত খোরশেদ আলম টেকনাফ থানার একটি মাদক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ০৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জিআর সাজা পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১৫, সিপিসি-১, টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল দমদমিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

‎র‍্যাব-১৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নত করা, মাদক উদ্ধার, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে র‍্যাব সদা তৎপর ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

‎গ্রেফতারকৃত সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কক্সবাজার জেলার টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে র‍্যাবের এমন কঠোর চিরুনি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়।