মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:
প্রকৃতির নিষ্ঠুর পরিহাস আর ভাগ্যের নির্মম কষাঘাতে আজ ধূলিসাৎ এক সংগ্রামী মায়ের স্বপ্নআশুলিয়া ও সাভারে পৃথক অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬উখিয়ার কৃষি কি তবে বর্জ্যের তলায় হারিয়ে যাবে?কুতুপালং বাজারে ফের উচ্ছেদ অভিযান: যানজট নিরসনে কঠোর অবস্থানে প্রশাসনউখিয়ায় র‌্যাবের বড় অভিযান: ৫০ হাজার পিস ই/য়া/বা/সহ সিএনজি জব্দ ‎টেকনাফে র‌্যাবের ঝটিকা অভিযান: চাঞ্চল্যকর গণধ/র্ষ/ণ ও অপহরণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতারখেলাধুলা ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে গড়ে উঠবে আগামীর নেতৃত্ব: এমপি মিলনশ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনসাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়পরিচয়হীন শিশুরাও মেতেছিল ঈদের আনন্দে গাজীপুরের ‘শিশু পল্লী প্লাস’গাজীপুর -৩ সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফুলেল সংবর্ধনাঈদ বোনাসের দাবিতে শ্রীপুরে শিক্ষা অফিসে দপ্তরিদের অবস্থান৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে আইনি নোটিশশ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন

হিসাব রক্ষন কর্মকর্তার কমিশন বাণিজ্য বিভিন্ন দপ্তরের প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
হিসাব রক্ষন কর্মকর্তার কমিশন বাণিজ্য বিভিন্ন দপ্তরের প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন
৫৮

যুগের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের শতাধিক প্রকল্পে কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে শ্রীপুর উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা (ইউএও) মো. সেলিম হোসেনের বিরুদ্ধে। কমিশন না দিলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনভাতা ও বিল অনুমোদনে জটিলতা সৃষ্টি করা হয় এমন গুরুতর অভিযোগ করেছেন একাধিক ভুক্তভোগী।

অনুসন্ধানে জানা যায়, শিক্ষা অফিসের উপবৃত্তি, সমাজসেবা ও মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রকল্পসহ স্পর্শকাতর অনেক ফাইলের ওপর বিশেষ নজর রয়েছে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, কোন ফাইলের বিপরীতে কত টাকা কমিশন দিতে হবে তা আগেই বিশেষ মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়। নির্ধারিত অর্থ ফাইলের সঙ্গে না গেলে নানা অজুহাতে নোটশিট বা টিপ্পনি দিয়ে বিল ফেরত দেওয়া হয়।
একাধিক কর্মকর্তা অভিযোগ করেছেন, এরপর শুরু হয় বেতনভাতা সংক্রান্ত বিল নিয়ে টানাপোড়েন। এতে নিয়ম মেনে কাজ করেও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে তাদের।
এমন একটি ঘটনার কথা উঠে এসেছে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন ফাতেমার ক্ষেত্রে। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি নিয়ম মেনে যথাযথ প্রক্রিয়ায় টিএ বিল দাখিল করলেও তা অনুমোদন দেওয়া হয়নি। ফলে বিলটি বাতিল হয়ে যায়।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, অনেক কর্মকর্তা অনিয়মে জড়াতে না চাইলেও বেতনভাতা ও চলমান প্রকল্প সচল রাখতে বাধ্য হয়ে অনৈতিক দাবি মেনে নিতে হচ্ছে। বিশেষ করে সমাজসেবা কার্যালয়ের ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ট, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপবৃত্তি এবং মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য সরকারের ভর্তুকিতে দেওয়া সার ও বীজ কাগজে-কলমে ঠিক দেখিয়ে বাস্তবে কালোবাজারে চলে যাচ্ছে এমন অভিযোগও উঠেছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শ্রীপুর উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. সেলিম হোসেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দুজন কর্মকর্তা গাজীপুর শিক্ষা অফিসে একই মিটিংয়ে গিয়েছিলেন। একজন ৮৭৫ টাকা, আরেকজন প্রায় চার হাজার টাকার বিল দিয়েছেন। একই মিটিংয়ের জন্য দুই রকম বিল হওয়ায় সেটি ফেরত দেওয়া হয়েছে। অন্য অভিযোগগুলো সঠিক নয়।’

প্রকৃতির নিষ্ঠুর পরিহাস আর ভাগ্যের নির্মম কষাঘাতে আজ ধূলিসাৎ এক সংগ্রামী মায়ের স্বপ্ন

বগুড়া, ধুনট: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
প্রকৃতির নিষ্ঠুর পরিহাস আর ভাগ্যের নির্মম কষাঘাতে আজ ধূলিসাৎ এক সংগ্রামী মায়ের স্বপ্ন

প্রকৃতির নিষ্ঠুর পরিহাস আর ভাগ্যের নির্মম কষাঘাতে আজ ধূলিসাৎ এক সংগ্রামী মায়ের স্বপ্ন। বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের শিমুলবাড়ি গ্রামের যমুনা নদীর বাঁধের নিচেই ছোট একটি জরাজীর্ণ খুপড়ি ঘরে বসবাস করেন সুফিয়া বেগম।

দুই মাস আগে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষ, তাঁর স্বামী মারা যান। মাথার ওপর থেকে ছাদ সরে যাওয়ার পর এখন এই মা ও তাঁর পাঁচ কন্যাসন্তানের একমাত্র আশ্রয় এই জরাজীর্ণ ঘরটি। এই ঘরও আর সুরক্ষা দিতে পারছে ।

সামান্য বৃষ্টি নামলেই সুফিয়া বেগমের চোখে ঘুম আসে না। ঘরের টিনগুলো মরিচায় জীর্ণ, ফুটো দিয়ে অঝোরে ঝরে পড়ে বৃষ্টির পানি। ঝড়ের রাতে সেই নড়বড়ে ঘরে সারারাত জেগে থাকেন তিনি। বৃষ্টির পানিতে ভিজে যায় তাঁদের সামান্য বিছানাপত্র, হাঁড়ি-পাতিল আর কষ্টের উপার্জনের শেষ সম্বলটুকু। যে ঘরে থাকার কথা ছিল নিরাপদ ছায়ায়, সেই ঘরেই এখন তাদের ভিজে একাকার হতে হয়।

স্বামীকে হারানোর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই ক্ষুধার জ্বালা তাঁদের । সংসারে দেখার মতো কেউ নেই, উপার্জনের কোনো উৎস নেই। পাঁচ মেয়ের মুখে দুমুঠো অন্ন তুলে দিতে হিমশিম খাচ্ছেন এই অসহায় মা। কারো কাছে হাত পাততে লজ্জা, আবার না খেয়ে থাকাও অসম্ভব। অভাব আর অনাদরে বেড়ে ওঠা মেয়েগুলোর দিকে তাকালে বুক ফেটে কান্না আসে সুফিয়া বেগমের। তিনি কি এই সমাজে একেবারেই একা?

যমুনার পাড়ের এই শিমুলবাড়িতে সুফিয়া বেগমের ঘরটিতে এখন শুধু হাহাকার আর বৃষ্টির শব্দ। ঝড়ের রাতের সেই বৃষ্টির পানি আজ আর কেবল টিনের চালে পড়ছে না, পড়ছে এই অসহায় পরিবারটির অবশিষ্ট স্বপ্নের ওপর।
এই চরম দুর্দশাগ্রস্ত মানুষটির দিকে কি মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া যায় না।

আশুলিয়া ও সাভারে পৃথক অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
আশুলিয়া ও সাভারে পৃথক অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬

আশুলিয়া ও সাভারে পৃথক অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬ ঢাকার আশুলিয়া ও সাভারে পৃথক পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ৬ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি উত্তর)।

মঙ্গলবার (৫ মে) ডিবি (উত্তর) সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার বুড়িপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ১০০ পুরিয়া হেরোইন ও ২১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। একইদিন রাতে কুটুরিয়া এলাকায় পৃথক অভিযানে আরও তিনজনকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।

অন্যদিকে, সাভার থানার বক্তারপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে পূর্বেও মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উখিয়ার কৃষি কি তবে বর্জ্যের তলায় হারিয়ে যাবে?

মোঃ হারুন অর রশিদ, উখিয়া উপজেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ
উখিয়ার কৃষি কি তবে বর্জ্যের তলায় হারিয়ে যাবে?

উখিয়ার বিস্তীর্ণ কৃষিজমি এখন আর সবুজ নেই। বড় কোনো ঘূর্ণিঝড় বা মহাপ্লাবন নয়, স্রেফ স্বাভাবিক বৃষ্টিতেই পাহাড় থেকে নেমে আসা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্য গিলে খাচ্ছে স্থানীয় কৃষকদের স্বপ্ন। মাঠজুড়ে পলিথিন, চিপসের প্যাকেট আর পচা আবর্জনা। কালচে পানি আর তীব্র দুর্গন্ধে বিষিয়ে উঠছে বাতাস। স্থানীয় কৃষকদের মতে, প্লাস্টিকের আস্তরণ আর রাসায়নিক মিশ্রিত নোংরা পানিতে মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়ে গেছে—কৃষক ভাষায় মাটি এখন ‘মৃত’।

‎রাজাপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সংকটের গভীরতা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন “প্রশাসনের কর্মকর্তারা বারবার এলাকা পরিদর্শন করছেন, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। শুধু দেখতে আসা আর আশ্বাস দেওয়া দিয়ে তো কৃষকের পেট চলবে না। আমাদের প্রশ্ন—বাঁচানোর স্থায়ী উদ্যোগ কোথায়?”

‎ভুক্তভোগী কৃষকদের পক্ষে অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি পালংখালীর সহ-সভাপতি এবং হোস্ট কমিউনিটি প্রতিনিধি এস. এম. জি মুফিজ উদ্দিন জানান, “রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এনজিও ও আইএনজিও (বিশেষ করে NRC, ওয়াশ প্রজেক্ট, সাইট ম্যানেজমেন্ট) এবং সিআইসি (CiC) অফিসে বারবার অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। এনজিওগুলো ক্যাম্পের ড্রেনগুলো সরাসরি স্থানীয়দের জমি বরাবর তৈরি করে রেখেছে। ফলে ভারী বৃষ্টি হলেই ক্যাম্পের জমাটবদ্ধ প্লাস্টিক ও বর্জ্য এসে কৃষকের সাজানো ফসল নষ্ট করে দিচ্ছে।”
‎তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর জমি থেকে প্লাস্টিক ও ময়লা সরাতে গিয়ে কৃষকদের বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা অনেকের পক্ষেই অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি—ক্যাম্পের ড্রেনগুলো সরাসরি জমিতে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট খালের সাথে সংযুক্ত করে সুপরিকল্পিত নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।

‎উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা জানান: ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ের সঠিক চিত্র তুলে আনতে সরেজমিন পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। বর্জ্য প্রবাহ ঠেকাতে স্থায়ী ‘গাইড ওয়াল’ নির্মাণ এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরির প্রক্রিয়া চলমান। সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরগুলোর সাথে সমন্বয় করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

‎উখিয়ার এই করুণ পরিণতির পেছনে তিনটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা:
‎ক্যাম্পে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংরক্ষণে ঘাটতি।
‎বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথটি সরাসরি কৃষিজমির সাথে যুক্ত।
‎উঁচু স্থান থেকে বর্জ্য সহজেই ঢালের সাথে লোকালয়ে চলে আসা।

‎স্থানীয় কৃষকদের জীবন এখন অনিশ্চয়তায় ঘেরা। প্রতিবার চাষের আগে জমি থেকে টন টন প্লাস্টিক সরাতে গিয়ে তাদের উৎপাদন খরচ দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। জমি পরিষ্কারের বাড়তি মজুরি। বিষাক্ত পানির কারণে ফসলের মান ও পরিমাণ হ্রাস। অনেকেই এখন পৈতৃক পেশা ছেড়ে দিয়ে জীবিকার অন্য পথ খুঁজছেন।

‎যদি এখনই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে একটি আধুনিক ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তবে উখিয়ার ঐতিহ্যবাহী কৃষি ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে। স্থানীয়দের দাবি—সাময়িক কোনো লোক দেখানো পরিষ্কার অভিযান নয়, বরং একটি টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরাসরি ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হোক।