পাক সেনাদের জাহাজে অগ্নিসংযোগকারী গামাকে জামালপুর জেলা প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা
স্টাফ রিপোর্টার
/ ৪৯৯
বার দেখা হয়েছে
আপডেট
বুধবার, ১১ আগস্ট, ২০২১
শেয়ার
Views: 1
পাক সেনাদের জাহাজে অগ্নিসংযোগকারী গামাকে জামালপুর জেলা প্রেসক্লাবের সংবর্ধনা
লিয়াকত হোসাইন লায়ন, জামালপুর প্রতিনিধি। ১৯৭১ সালের ১১ আগষ্ট পাক সেনাদের অস্ত্র বোঝাই জাহাজে অগ্নিসংযোগ ও মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ গামাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে জামালপুর জেলা প্রেসক্লাব এই সংবর্ধনা প্রদান করে। জামালপুর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জামালপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পাক সেনাদের জাহাজে অগ্নিসংযোগ ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ গামা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। এছাড়াও প্রবীণ সাংবাদিক উৎপল কান্তি ধর, এম এ জলিল, রুমন তালুকদার, শুভ্র মেহেদী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।...
২১
লিয়াকত হোসাইন লায়ন, জামালপুর প্রতিনিধি।
১৯৭১ সালের ১১ আগষ্ট পাক সেনাদের অস্ত্র বোঝাই জাহাজে অগ্নিসংযোগ ও মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখায় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ গামাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুরে জামালপুর জেলা প্রেসক্লাব এই সংবর্ধনা প্রদান করে।
জামালপুর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জামালপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইউসুফ আলীর সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে পাক সেনাদের জাহাজে অগ্নিসংযোগ ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ গামা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। এছাড়াও প্রবীণ সাংবাদিক উৎপল কান্তি ধর, এম এ জলিল, রুমন তালুকদার, শুভ্র মেহেদী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালের ১১ আগষ্ট যমুনা নদীতে পাকিস্তানী সেনাদের অস্ত্র ও গুলি বোঝাই তিনটি জাহাজে অগ্নিসংযোগ করেন তিনি। এরপর থেকেই তিনি জাহাজ মারা গামা নামে পরিচিতি পান। জীবনের ঝুকি নিয়ে তার এই বীরত্বপূর্ণ অবদান বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে তরান্বিত করে।