শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম:
নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পরিদর্শনে অতিরিক্ত ডিআইজি নাজমুল হক, দিলেন গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনাগাজীপুরে জিএমপির বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৩৪ জন নেতাকর্মী গ্রেফতারবগুড়ার শেরপুর বেলঘড়িয়ায় মাদক বিক্রির অভিযোগে আটক নারীসহ ৩ জনআদালতের তোয়াক্কা না করে জমি দখলের মরিয়া চেষ্টা: নন্দীগ্রামে আতঙ্কে একটি পরিবার, এলাকায় উত্তেজনা থানায় অভিযোগটেকনাফে ৩০ হাজার পিস ইয়াবাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার, ৪টি মোটরবাইক জব্দহাকিমপুরে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে সরকারি সহায়তা বিতরণটেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর অভিযান: যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জমির গ্রেফতার।প্রিয় দলের সমর্থকরা আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছে শহর ও গ্রাম অঞ্চলের ফুটবল প্রেমীরাকাঁঠালের রাজধানী গাজীপুরে ভিডিও কলে ফল মেলার উদ্বোধন করলেন তথ্যমন্ত্রীজাতীয় ফল মেলা অনুষ্ঠিতচকরিয়ায় নারী শ্লীলতাহানি ও হ/ত্যাচেষ্টা মামলার প্রধান আসামি আরাফাত র‍্যাবের খাঁচায়টেকনাফে র‍্যাব-১৫ এর অভিযান: মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার ‎উখিয়ায় মিয়ানমারে পাচারকালে সার ও টমটম জব্দ, এড. রেজাউল করিম রেজা’র নেতৃত্বে ডিলারদের গুদামে কৃষি কর্মকর্তার অভিযানটেকনাফে র‌্যাব-১৫ এর অভিযান: যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি জাফর আলম গ্রেফতারহাকিমপুরে আমের ফলন ভালো হলেও দাম নিয়ে হতাশ চাষিরা

শ্রীপুরে রহস্যময় সাপের কামড়ে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক।

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:১০ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে রহস্যময় সাপের কামড়ে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক।
৩১

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের পেলাইদ মধ্য পাড়া এলাকায় সাপের রহস্যজনক দংশনের ঘটনায় পুরো গ্রামজুড়ে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। গত এক সপ্তাহে অন্তত ৩০ জনের বেশি মানুষ সাপের কামড়ে আহত হয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। তবে বিস্ময়কর বিষয় হলো—এতগুলো দংশনের ঘটনা ঘটলেও আক্রান্তদের কেউই এখনও সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেননি। সবাই স্থানীয় এক কবিরাজের মাধ্যমে ঝাড়ফুঁকভিত্তিক চিকিৎসা নিচ্ছেন। এতে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল জলিল জানান, প্রায় প্রতিদিনই কোনো না কোনো বাড়িতে সাপের কামড়ের ঘটনা ঘটছে। এতে তারা এখন ভয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছেন না। তিনি বলেন, “আমরা এখন রাতে ঠিকমতো ঘুমাতেও পারি না। বাড়ির চারপাশে সারারাত আলো জ্বালিয়ে রাখতে হয়। কখন, কোন বাসিন্দা আক্রান্ত হয়—এই ভয়ে সবাই আতঙ্কে আছে।”

আরেক বাসিন্দা সাইফুদ্দিন শেখ ফাহিম বলেন, গত সপ্তাহে তার প্রতিবেশীসহ বেশ কয়েকজনকে সাপ কামড়েছে। কিন্তু সরকারি হাসপাতালে কেউ না গিয়ে স্থানীয় কবিরাজের চিকিৎসা নিয়েছেন। তিনি জানান, সাপ আতঙ্কে এলাকার শিশুরাও স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। অভিভাবকরাও সন্তানদের একা বাইরে যেতে দিচ্ছেন না।

সাপের কামড়ে আহত স্থানীয় যুবক ইমরান বলেন, রাতে রাস্তা দিয়ে হাঁটার সময় হঠাৎ করে পায়ে ব্যথা অনুভব করেন। পরে রক্ত বের হতে দেখে বুঝতে পারেন সাপ কামড়েছে। তিনি জানান, “আমি সাপটাকে চোখে দেখিনি। ভয় পেয়ে পরিবার দ্রুত কবিরাজের কাছে নিয়ে যায়। এখন কিছুটা ভালো লাগছে, তবে পা ফুলে আছে।”

স্থানীয় কবিরাজ মো. আব্দুল মালেক দাবি করেন, গত এক সপ্তাহে তার কাছে ১৫–২০ জন সাপের দংশনের রোগী এসেছে। তার ভাষ্য, “একজন রোগীও সাপটিকে চোখে দেখেনি। আমি ঝাড়ফুক দিয়ে চিকিৎসা করছি। অনেকেই ভালো হয়েছে।”

গ্রামবাসীরা মনে করছেন, আক্রান্তদের বেশিরভাগই সাপ দেখতে পাননি, অর্থাৎ ঘটনাগুলো অদৃশ্যভাবে ঘটছে। এতে বিষয়টি আরও রহস্যজনক হয়ে উঠেছে, যা এলাকাবাসীর আতঙ্ককে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রতিদিন নতুন আক্রান্ত বাড়তে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে গুজবও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে।

এদিকে স্থানীয় পরিবেশবাদী ও সচেতন নাগরিকরা বলছেন, এলাকায় হয়তো ঝোপঝাড় বা ফসলি জমিতে লুকিয়ে থাকা বিষহীন দংশনকারী সাপের আধিক্য থাকতে পারে। আবার অনেক ক্ষেত্রে পোকামাকড় বা কাঁটার আঘাতও সাপের কামড় বলে ভুল হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ নির্ণয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপ জরুরি।

শ্রীপুর উপজেলা বন কর্মকর্তা মোখলেছুর রহমান বলেন, “সাপ সাধারণত নিরীহ প্রাণী। সুযোগ পেলেই তারা মানুষের কাছ থেকে পালিয়ে যায়। সাপ কেবল তখনই কামড়ায়, যখন তারা নিজেদের হুমকির মুখে মনে করে।” তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ সাপই বিষহীন হওয়ায় আতঙ্কিত না হয়ে স্থানীয় বন বিভাগকে জানালে তারা দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে অবমুক্ত করতে পারবেন।

তিনি জানান, সাপ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। বিশেষ করে ইঁদুর ও অন্যান্য ক্ষতিকর প্রাণী নিয়ন্ত্রণে সাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সাপ দেখলে মারার চেষ্টা না করে বন বিভাগকে জানানো উচিত।

এদিকে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, বরমী এলাকা থেকে এখন পর্যন্ত হাসপাতালে কোনো সাপের দংশনের রোগী আসেনি। তিনি বলেন, “সোশ্যাল মিডিয়ায় বিষয়টি দেখেছি। কিন্তু এদের বেশিরভাগই আসলে সাপের কামড় নয়। এসব নিয়ে এলাকায় ভুল ধারণা ছড়ানো হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “যদি কাউকে সত্যিকারের বিষধর সাপ কামড়ায়, তাকে অবশ্যই হাসপাতালে এনে অ্যান্টিভেনম দিতে হবে। কবিরাজি চিকিৎসায় বড় ধরনের বিপদ ঘটতে পারে। তাই যেকোনো দংশনের ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।”

স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত এলাকায় সাপ ধরার কার্যক্রম চালু করা, সচেতনতা বৃদ্ধি ও চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি। নইলে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

Polls

আজকের প্রশ্ন

আপনি বাংলা নিউজ টিভির পেইজে লাইক ফলো দিয়েছেন কি?

View Results

Loading ... Loading ...

নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পরিদর্শনে অতিরিক্ত ডিআইজি নাজমুল হক, দিলেন গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ​মোঃ রমজান আলী। প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পরিদর্শনে অতিরিক্ত ডিআইজি নাজমুল হক, দিলেন গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা

বান্দরবানের সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পরিদর্শন করেছেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স) মো. নাজমুল হক। পরিদর্শনকালে তিনি মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং পুলিশি কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে থানার কর্মকর্তা ও ফোর্সদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।

​সোমবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় তিনি থানায় পৌঁছালে বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওয়াহাবুল ইসলাম খন্দকার এবং নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

​পরে থানায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত ডিআইজি সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “জনগণের আস্থা অর্জন, অপরাধ দমন এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারে পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে।
​সভায় বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওয়াহাবুল ইসলাম খন্দকার উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সীমান্ত এলাকায় চলমান মাদকবিরোধী অভিযান এবং থানার বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অতিরিক্ত ডিআইজিকে অবহিত করেন।

​পরিদর্শন শেষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নাইক্ষ্যংছড়ি থানার বিভিন্ন শাখার কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং ওসি মোজাম্মেল হকসহ কর্মরত পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পুলিশি কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, জনমুখী ও সেবাধর্মী করতে তাঁরা সংশ্লিষ্টদের নানা পরামর্শ দেন। এরপর বিকেল ৩টায় তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি ত্যাগ করে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

গাজীপুরে জিএমপির বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৩৪ জন নেতাকর্মী গ্রেফতার

রাজু হাসান :স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ২:২৪ পূর্বাহ্ণ
গাজীপুরে জিএমপির বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ৩৪ জন নেতাকর্মী গ্রেফতার

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সম্মানিত পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ ইসরাইল হাওলাদার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক গাজীপুর মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপ প্রতিরোধে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মোট ৩৪ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত ২১ জুন রবিবার সকাল ০৬:০৫ ঘটিকার সময় জিএমপির সদর থানা ও বাসন সহ সকল থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই সময় বাসন থানাধীন মোগরখাল এলাকায় অবস্থিত কলম্বিয়া গার্মেন্টসের সামনে ময়মনসিংহ-ঢাকা মহাসড়কে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, সরকারি কাজে বাধাদান, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর অভিযোগে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। তারা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঝটিকা মিছিল বের করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করে। এর প্রেক্ষিতে জিএমপির বিভিন্ন থানা এলাকায় সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের বাসন থানা ও সদর থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সন্ত্রাস ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বগুড়ার শেরপুর বেলঘড়িয়ায় মাদক বিক্রির অভিযোগে আটক নারীসহ ৩ জন

নাজমুল হাসান নাজির সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬, ২:১৯ পূর্বাহ্ণ
বগুড়ার শেরপুর বেলঘড়িয়ায় মাদক বিক্রির অভিযোগে আটক নারীসহ ৩ জন

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় মাদক বিক্রির অভিযোগে এক দম্পতি ও তাদের ছেলেকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা। শনিবার (২০ জুন) বিকেলে উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের বেলঘড়িয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, মো: জসিম (৬০), তার স্ত্রী জোসনা বেগম (৪৮) এবং তাদের ছেলে কষ্ট (৩০)। এ সময় জীবন নামে তাদের আরেক স্বজন কৌশলে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, অভিযুক্ত জসিম ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করে আসছিল। মাদক বিক্রির প্রতিবাদে প্রায় ১০ দিন আগে তাদের সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও শুক্রবার রাতে এলাকায় মাদকসেবীদের মাতলামি বেড়ে গেলে শনিবার বিকেলে স্থানীয়রা ওই বাড়িতে গিয়ে প্রতিবাদ জানান। এ সময় বাগ্‌বিতণ্ডার একপর্যায়ে অভিযুক্তরা এক নারী নেত্রীকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে এলাকাবাসী ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা তিনজনকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়।

উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ ও পৌর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রিচি বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তল্লাশি চালিয়ে কিছু দেশীয় অস্ত্র, গাঁজা ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করে। পরে এলাকাবাসী আটককৃতদের পুলিশের হাতে তুলে দেয়। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত জসিম ও জোসনা এর আগেও মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।

এব্যাপারে বগুড়ার শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার জানান, “তিনজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কিছু মাদক ও আলামত জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।