মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম:
টেকনাফে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।বান্দরবানে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান: ২০ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনি গ্রেপ্তারকক্সবাজারে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি র‍্যাব-১৫ এর হাতে গ্রেপ্তারকক্সবাজারে র‍্যাব-১৫ এর সাঁড়াশি অভিযান: লবণের ট্রাকে ১ লাখ ইয়াবা ও অস্ত্রসহ ৪ জন গ্রেফতার।রুমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বছরের পর বছর অকেজো সরকারি অ্যাম্বুলেন্স, চরম ভোগান্তিতে রোগীরাআসন্ন ঈদে কারখানাগুলোকে আইন মেনে পাওনা পরিশোধের আহবান গাজীপুরের ডিসিরবরেণ্য সাংবাদিক ও গাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল হামিদ খানের ইন্তেকালমাদকবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য: পুরস্কৃত হলেন জিএমপির তিন ওসিজামালপুরে কালোবাজারির জন্য রাখা অবৈধভাবে মজুদ করা ভিজিডির ৪৬ বস্তা চাল উদ্ধার৭ বছর পর র‍্যাবের জালে ধরা পড়ল মাদক মামলার পলাতক আসামি ফয়সালসীমান্তে বিজিবির তৎপরতা: ই/য়া/বা/র বড় চালানসহ মা/দ/ক কারবারি গ্রে/ফ/তা/র। ‎উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুর্বৃত্তদের গু/লি, যুবক আহতউখিয়ার বালুখালী ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলি, যুবক হাসমত উল্লাহ রক্তাক্তSOC – Shadow of Change-এর নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন: সভাপতি সোহান, সম্পাদক লুৎফুর। ‎পালংখালীতে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক-অভিভাবক মিলনমেলা

উখিয়ায় আরসা সন্ত্রাসীদের গুলিতে ‘হালিম বাহিনী’র প্রধান নি/ হ/ ত, আহত ২

মোঃ হারুন অর রশিদ উখিয়া প্রতিনিধি, কক্সবাজার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ণ
উখিয়ায় আরসা সন্ত্রাসীদের গুলিতে ‘হালিম বাহিনী’র প্রধান নি/ হ/ ত, আহত ২
১০৫

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসা সন্ত্রাসীদের গুলিতে আবদুল হালিম (৪৫) নামে এক রোহিঙ্গা নেতা নিহত হয়েছেন। তিনি ক্যাম্পে ‘হালিম বাহিনী’ ও এআরও গ্রুপের প্রধান হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এই ঘটনায় আরও দুই রোহিঙ্গা সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।

‎মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উখিয়ার কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের জি ব্লক সংলগ্ন তরজার ব্রিজ এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।

‎নিহত আবদুল হালিম ৭ নম্বর ক্যাম্পের এফ-৬ ব্লকের বাসিন্দা বাদশা মিয়ার ছেলে। আহতরা হলেন— একই ক্যাম্পের এফ-৫ ব্লকের মোহাম্মদ উল্লাহ (৩৫) ও মোহাম্মদ নুর (৩৪)।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে নিজ শেডে ফিরছিলেন আবদুল হালিম ও তার সহযোগীরা। তারা তরজার ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা তিনজনই গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

‎পরে স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে এবং পরবর্তীতে কুতুপালং এমএসএফ (MSF) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টার দিকে আবদুল হালিমের মৃত্যু হয়। আহত দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তাদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

‎ক্যাম্পের সাধারণ রোহিঙ্গাদের দাবি, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মিয়ানমারের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসা (ARSA) এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। নিহত হালিম ক্যাম্পে আরসা বিরোধী অবস্থান ও নিজস্ব সশস্ত্র গোষ্ঠী পরিচালনার কারণে দীর্ঘদিন ধরে তাদের নিশানায় ছিলেন।

‎১৪ এপিবিএন-এর অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমিন জানান, খবর পাওয়ার পরপরই এপিবিএন-এর একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে ক্যাম্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে বিশেষ অভিযান চলছে।

‎নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এই ঘটনায় উখিয়া থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

Polls

আজকের প্রশ্ন

আপনি বাংলা নিউজ টিভির পেইজে লাইক ফলো দিয়েছেন কি?

View Results

Loading ... Loading ...

টেকনাফে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।

‎মোঃ হারুন অর রশিদ উখিয়া,কক্সবাজার প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৬:২৬ অপরাহ্ণ
টেকনাফে মাদক মামলার সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার।

কক্সবাজারের টেকনাফে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মোহাম্মদ ইসমাইলকে (২৫) গ্রেফতার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-১৫)।

‎শুক্রবার (১৫ মে) সকাল আনুমানিক ১০:৪০ ঘটিকায় টেকনাফ পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের উত্তর চৌধুরীপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত ইসমাইল ওই এলাকার মোহাম্মদ রফিকের ছেলে।

‎র‌্যাব-১৫ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) আকবর শাহ থানায় ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) ধারার ৭(ক) উপধারায় একটি মামলা ছিল। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাকে ০১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরও ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। সাজা ঘোষণার পর থেকেই ইসমাইল গ্রেফতার এড়াতে দীর্ঘ দিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে পলাতক ছিলেন।

‎র‌্যাব-১৫ এর সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সকালে উত্তর চৌধুরীপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।

‎অভিযান পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত আসামিকে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে র‌্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

‎র‌্যাব-১৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধমুক্ত সমাজ গঠন এবং দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে তাদের এমন গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

বান্দরবানে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান: ২০ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনি গ্রেপ্তার

‎মোঃ হারুন অর রশিদ, উখিয়া, কক্সবাজার প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৬:১৭ অপরাহ্ণ
বান্দরবানে র‍্যাবের ঝটিকা অভিযান: ২০ বছর পর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খুনি গ্রেপ্তার

‎সুদীর্ঘ ২০ বছর ধরে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে থাকা নৃশংস হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মং নু মং-কে (৭১) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৫। গত ১৪ মে সন্ধ্যায় বান্দরবান সদর থানাধীন লুইলান পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎র‍্যাব সূত্রে জানা গেছে, বিগত ২০০৭ সালে বান্দরবান সদর থানায় দণ্ডবিধির ৩০২/২০১ ধারায় একটি লোমহর্ষক হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছিল। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত আসামি মং নু মং-কে ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং ২০১ ধারায় লাশ গুম বা তথ্য গোপনের অপরাধে আরও ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

‎২০০৭ সালে মামলা হওয়ার পর থেকেই গ্রেপ্তার এড়াতে মং নু মং সুকৌশলে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। গত দুই দশক ধরে সে দেশের বিভিন্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নিজের পরিচয় গোপন করে আত্মগোপনে ছিল। ধারণা করা হচ্ছিল সে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে, তবে র‍্যাব-১৫ এর সিপিসি-৩ বান্দরবান ক্যাম্পের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত ছিল।

‎গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব জানতে পারে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই আসামি বান্দরবান সদর থানাধীন লুইলান পাড়া নতুন ব্রিজ এলাকায় অবস্থান করছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (১৪ মে) সন্ধ্যা ৬টার দিকে র‍্যাবের একটি চৌকস দল সেখানে ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করে। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে বৃদ্ধ মং নু মং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা হয়নি।

‎গ্রেপ্তারকৃত মং নু মং বান্দরবান সদর থানাধীন লুইলান হেডম্যান পাড়ার মৃত জ্য হ্লা প্রু-এর ছেলে।

‎গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ তাকে সংশ্লিষ্ট বান্দরবান সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎র‍্যাব-১৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অপরাধী যত শক্তিশালী বা চতুরই হোক না কেন, দীর্ঘ সময় পরেও তাকে আইনের মুখোমুখি হতে হবে। জননিরাপত্তা রক্ষায় এবং দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে র‍্যাবের এই কঠোর অবস্থান ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে।

কক্সবাজারে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি র‍্যাব-১৫ এর হাতে গ্রেপ্তার

মোঃ হারুন অর রশিদ, উখিয়া, কক্সবাজার প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারে মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি র‍্যাব-১৫ এর হাতে গ্রেপ্তার

‎মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি আব্দুল মাজেদকে (৪৭) গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-১৫। গত ১৪ মে রাতে কক্সবাজারের রামু থানাধীন পূর্ব ওমখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

‎র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত আব্দুল মাজেদ রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের গনি সওদাগর পাড়ার মৃত গোলাম সোবহানের ছেলে।

‎২০২০ সালে চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণীর ১০(ক) ধারায় আব্দুল মাজেদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা প্রদান করেন এবং তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। সাজা ঘোষণার পর থেকেই মাজেদ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপন করে আসছিল।

‎র‍্যাব-১৫ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোয়েন্দা নজরদারি ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জানতে পারে যে, মাজেদ রামুর পূর্ব ওমখালী এলাকায় অবস্থান করছে। গত ১৪ মে রাত আনুমানিক ৮:১০ ঘটিকায় র‍্যাবের আভিযানিক দলটি সেখানে বিশেষ অভিযান চালায়। র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও ঘেরাও দিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় বাহিনীটি।

‎প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি মাজেদ নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তারের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে সংশ্লিষ্ট রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎র‍্যাব-১৫ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিস্তার রোধ এবং সাজাপ্রাপ্ত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি ও সাঁড়াশি অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।