রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম:
উখিয়ায় র‌্যাবের ঝটিকা অভিযান, ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও পালসার মোটরসাইকেল জব্দউখিয়ার পালংখালীতে বিজিবি ও কৃষি বিভাগের যৌথ অভিযান: পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করা ১৩০ বস্তা সার জব্দজিএমপি সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুর্ধর্ষ ডাকাত সর্দার সেলিম গ্রেফতারগাজীপুরে বিএসটিআইয়ের বড় অভিযান, লাইসেন্সবিহীন ২ প্রতিষ্ঠানকে ৮ লক্ষ টাকা জরিমানাকক্সবাজারে শতাধিক বন্যাদুর্গত পরিবারের হাতে ৩৪ বিজিবির ত্রাণ ‎দারুস সালামে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সমাজসেবক আলহাজ্ব রুহুল আমিনডিএসসিসি নির্বাচন: ডেমরায় পাল্টে যাচ্ছে ভোটারদের হিসাব-নিকাশ, আলোচনায় সেলিম ও জামানউখিয়ায় বন্যায় বসতবাড়ি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে নুরুল ইসলামের ১৮ সদস্যের পরিবার। ‎উখিয়ার পালংখালীতে বন্যাকবলিত মানুষের পাশে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধি: ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণউখিয়া সীমান্তে সার-তেল পাচারের ১২ লাখ টাকা উদ্ধার, আটক ২টঙ্গীতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্রসহ ডাকাতদলের -৪ সদস্য গ্রেফতার :‘বাজবল’ যুগের সমাপ্তি: ইংল্যান্ডের টেস্ট কোচের পদ ছাড়লেন ব্রেন্ডন ম্যাককালামগাজায় ত্রাণ বিতরণে হামাসের বাধা ও চালকদের মারধর, জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তার তীব্র নিন্দানিজের পকেটে টিস্যু রাখার অভ্যাস প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে দেশবাসীর সহযোগিতা চান তারেক রহমানক্ষমতার উৎস জনগণ, ৪ কোটি পরিবারে যাবে ফ্যামিলি কার্ড: গৌরনদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

“সব মাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন”: মায়ের মৃত্যুদিনে কুদ্দুস বয়াতির আবেগঘন বার্তা

বিনোদন ডেস্ক, বাংলা নিউজ টিভি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬, ৯:০০ অপরাহ্ণ
“সব মাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন”: মায়ের মৃত্যুদিনে কুদ্দুস বয়াতির আবেগঘন বার্তা

খ্যাত লোকসংগীত শিল্পী কুদ্দুস বয়াতি

১৭০

বাংলাদেশের লোকসংগীতের অন্যতম দিকপাল ও বরেণ্য লোকশিল্পী কুদ্দুস বয়াতির পরম শ্রদ্ধেয় মায়ের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। এই বিশেষ দিনে তিনি তাঁর প্রয়াত গর্ভধারিণী মাকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক অত্যন্ত আবেগঘন এবং বিনম্র বার্তায় এই কিংবদন্তি লোকসংগীত শিল্পী তাঁর মায়ের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করার পাশাপাশি পৃথিবীর সকল মায়ের কল্যাণ কামনায় মহান সৃষ্টিকর্তার নিকট বিশেষ প্রার্থনা ও মোনাজাত করেছেন। তাঁর এই মর্মস্পর্শী পারিবারিক স্মরণবার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া মাত্রই তা কোটি ভক্ত ও অনুরাগীর হৃদয় স্পর্শ করেছে এবং সর্বস্তরের মানুষ তাঁর প্রয়াত মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন।

শিল্পীর পারিবারিক ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তা সূত্রে জানা যায়, এই বিশেষ দিনটিতেই পরম মমতাময়ী “মা” ইহকাল ত্যাগ করে চিরতরে পরপারে চলে গেছেন। মায়ের চলে যাওয়ার এই শূন্যতা ও গভীর বেদনা বুকে ধারণ করে কুদ্দুস বয়াতি মহান আল্লাহর দরবারে আকুল প্রার্থনা জানিয়ে বলেছেন, “হে আল্লাহ, আমার মা সহ পৃথিবীর যত মা পরপারে চলে গেছেন, সকল মাকে আপনি জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন।” একই সাথে তিনি পৃথিবীর বুকে বেঁচে থাকা সকল জীবন্ত ও ভাগ্যবতী মায়েদের দীর্ঘায়ু কামনা করে বলেন, “এবং জীবিত সকল মা দেরকে সুস্থতার সহিত নেক হায়াত দান করুন। আমীন।” এই আধ্যাত্মিক ও মানবিক প্রার্থনা মূলত মায়ের প্রতি সন্তানের গভীর ও অকৃত্রিম ভালোবাসার এক অনন্য সামাজিক বহিঃপ্রকাশ।

কুদ্দুস বয়াতি তাঁর দীর্ঘ সংগীত জীবনে লোকসংস্কৃতি ও গ্রামীণ ঐতিহ্যকে যেভাবে বিশ্বদরবারে তুলে ধরেছেন, ঠিক একইভাবে নিজের জীবনের প্রতি পদে পদে মায়ের দেওয়া শিক্ষা ও দোয়াকে ধারণ করেছেন বলে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ করেছেন। মায়ের এই প্রয়াত হওয়ার দিনে তিনি কোনো প্রকার বাহ্যিক আড়ম্বর না করে সম্পূর্ণ নিভৃতে ও আধ্যাত্মিক আবহে মায়ের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দিনটি অতিবাহিত করছেন। লোকসংগীতের এই অনন্য সাধকের মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর ভক্তকুল, দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, সংগীত অনুরাগী ও সুধী সমাজ গভীর শোক এবং সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বরেণ্য এই শিল্পীর প্রয়াত মায়ের রুহের মাগফিরাত কামনায় তাঁর নিজ গ্রামের বাড়িতে ও পারিবারিক উপাসনালয়ে বিশেষ কোরআন খানি, মিলাদ মাহফিল এবং দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণের মতো নানামুখী ধর্মীয় ও পুণ্যময় আনুষ্ঠানিকতার আয়োজন করা হয়েছে। সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ ও ভক্তবৃন্দ কুদ্দুস বয়াতির এই বিশেষ দিনে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছেন যেন শিল্পী তাঁর মায়ের এই গভীর শোক কাটিয়ে দেশের লোকসংগীতের সেবায় আরও দীর্ঘকাল নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারেন।

মায়ের স্মৃতি ও ভালোবাসা সন্তানের জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। বরেণ্য লোকশিল্পী কুদ্দুস বয়াতির তাঁর মায়ের প্রতি এই গভীর শ্রদ্ধা ও দোয়ার আহ্বান আমাদের সমাজকে মাতৃত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। পরম করুণাময় আল্লাহ যেন উনার মায়ের আত্মার শান্তি দান করেন এবং শিল্পীকে এই শোক সহ্য করার তাওফিক দেন।

https://www.facebook.com/share/p/1H3Nt3Hk3R/

Download Photocard

Polls

আজকের প্রশ্ন

আপনি বাংলা নিউজ টিভির পেইজে লাইক ফলো দিয়েছেন কি?

View Results

Loading ... Loading ...

উখিয়ায় র‌্যাবের ঝটিকা অভিযান, ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও পালসার মোটরসাইকেল জব্দ

মোঃ হারুন অর রশিদ, উখিয়া, কক্সবাজার প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
উখিয়ায় র‌্যাবের ঝটিকা অভিযান, ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও পালসার মোটরসাইকেল জব্দ

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ এবং মাদক কারবারিদের নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দিতে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। এরই ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারের উখিয়ায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-১৫) একটি চৌকস ও দূরদর্শী আভিযানিক দল বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিশাল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে। উক্ত অভিযানে মোট ১০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। তবে অভিযানের সময় র‌্যাবের দূরবর্তী উপস্থিতি টের পেয়ে অত্যন্ত চতুরতার সাথে কৌশলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে এক চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী।

আজ সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) দুপুর আনুমানিক ১টা ৪০ মিনিটের দিকে উখিয়া থানাধীন ঐতিহ্যবাহী পালংখালী ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত পালংখালী পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের সামনে প্রধান পাকা রাস্তার ওপর এই রোমাঞ্চকর ও সফল অভিযানটি পরিচালিত হয়। র‌্যাব-১৫-এর নির্ভরযোগ্য অফিশিয়াল সূত্রে জানা যায় যে, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে এবং যুবসমাজকে রক্ষার নিমিত্তে নিয়মিত আইনগত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। মূলত গোপন ও সুনির্দিষ্ট সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব জানতে পারে যে, পালংখালী পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের সামনে এক মাদক ব্যবসায়ী একটি দ্রুতগতির মোটরসাইকেলযোগে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

এই সুনির্দিষ্ট ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্যের ভিত্তিতে সিপিসি-২, র‌্যাব-১৫ এর একটি সুদক্ষ আভিযানিক দল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে সুনির্দিষ্ট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে র‌্যাবের আভিযানিক দলের উপস্থিতি দূর থেকে টের পেয়ে চতুর মাদক ব্যবসায়ী আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাত থেকে বাঁচতে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল এবং একটি সাদা রঙের বাজারের ব্যাগ ফেলে রেখে মহাসড়কের পাশে কৌশলে ও দ্রুততার সাথে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। মাদক কারবারি পালিয়ে গেলেও র‌্যাব সদস্যরা চারপাশ ঘিরে ফেলে তল্লাশি শুরু করেন।

পরবর্তীতে র‌্যাবের আভিযানিক দল তল্লাশি অভিযান জোরদার করে ঘটনাস্থল থেকে মাদক ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া সেই পরিত্যক্ত সাদা বাজারের ব্যাগটি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে ব্যাগটি খুলে তার ভেতর থেকে নীল রঙের মোট ৫০টি সুসজ্জিত এয়ার টাইট পলিপ্যাক উদ্ধার করা হয়। পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে গণনা করে প্রতিটি প্যাকেটে ২০০ পিস করে সর্বমোট ১০,০০০ (দশ হাজার) পিস মারাত্মক মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার ও জব্দ করা হয়। একই সাথে মাদক পরিবহনের অপরাধে এবং চোরাচালানের আলামত হিসেবে মাদক ব্যবসায়ীর ফেলে যাওয়া একটি পালসার ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল জব্দ করে র‌্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়।

অভিযান শেষে র‌্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, “মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ এবং সব ধরনের অপরাধ দমনে র‌্যাব নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।” ঘটনার বিবরণ দিয়ে তারা আরও জানান যে, উখিয়ার ঘটনাস্থল থেকে অভিনব কায়দায় পালিয়ে যাওয়া মাদক ব্যবসায়ীকে সুনির্দিষ্টভাবে শনাক্ত এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য সাঁড়াশি চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকৃত বিশাল পরিমাণ ইয়াবা ট্যাবলেট ও পালসার মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য আলামত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উখিয়া থানায় হস্তান্তর করার আইনি প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

উখিয়ার পালংখালীতে র‌্যাব-১৫-এর এই সফল ঝটিকা অভিযান মাদক সিন্ডিকেটের জন্য একটি বড় ধাক্কা। ১০ হাজার পিস ইয়াবা ও চোরাচালানের মোটরবাইক জব্দ করা সম্ভব হলেও, পালিয়ে যাওয়া মাদক কারবারিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে এই চক্রের মূল হোতাদের মুখোশ উন্মোচন করাই এখন প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।

উখিয়ার পালংখালীতে বিজিবি ও কৃষি বিভাগের যৌথ অভিযান: পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করা ১৩০ বস্তা সার জব্দ

মোঃ হারুন অর রশিদ, উখিয়া প্রতিনিধি: (কক্সবাজার) প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
উখিয়ার পালংখালীতে বিজিবি ও কৃষি বিভাগের যৌথ অভিযান: পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করা ১৩০ বস্তা সার জব্দ

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুত করা বিপুল পরিমাণ সরকারি সার জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও উপজেলা কৃষি বিভাগ।

‎সোমবার (১৩ জুলাই) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বটতলী কবরস্থান মোড় এলাকায় এ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন স্থানীয় ‘লম্বা কালো’র দোকানের পাশের একটি বাড়ি থেকে সর্বমোট ১৩০ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়।

‎অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, নির্দিষ্ট বাড়িটিতে তল্লাশি চালিয়ে তিন ব্যক্তির জিম্মা থেকে এই সারগুলো জব্দ করা হয়। তারা হলেন: মুফিজ উদ্দিন (৪৫),(পিতা: কামাল উদ্দিন): তার কাছ থেকে ৭২ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। সাগর (পিতা: দুদু মিয়া ): তার কাছ থেকে ২১ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়।
‎মোহাম্মদ ইউনুস (পিতা: নাজির উদ্দিন): তার কাছ থেকে ৩৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়।

‎অভিযানে উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিষ সরকার, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু তাহের মাহামুদ এবং বিজিবির সুবেদার তরিকুল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

‎অভিযান শেষে উখিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামনাশিষ সরকার কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “কৃষি উপকরণ সম্পূর্ণভাবে কৃষকদের কল্যাণের জন্য বরাদ্দ। এগুলো কোনোভাবেই অবৈধভাবে মজুত করা বা সীমান্ত দিয়ে অন্য দেশে পাচারের সুযোগ নেই। কৃষকের ভাগ্য নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রশাসন ও বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।”

‎জব্দকৃত সারগুলো বর্তমানে প্রশাসনের হেফাজতে রয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

জিএমপি সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুর্ধর্ষ ডাকাত সর্দার সেলিম গ্রেফতার

রাজু হাসান, স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
জিএমপি সদর থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে দুর্ধর্ষ ডাকাত সর্দার সেলিম গ্রেফতার

গাজীপুর মহানগরী ও এর আশপাশের এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমন এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) সদর থানা পুলিশ এক ঝটিকা ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে অবশেষে এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত দুর্ধর্ষ ডাকাত সর্দার সেলিমকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। কুখ্যাত এই ডাকাত সর্দারের গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১৩ জুলাই) গাজীপুর সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আমিনুল ইসলাম এবং সদর থানার চৌকস পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মেহেদী হাসানের প্রত্যক্ষ ও সুদক্ষ নেতৃত্বে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়। সদর থানার বিশেষ একটি চৌকস অভিযানিক টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার গভীর রাতে সদর থানাধীন বাহাদুরপুর এলাকায় অবস্থান নেয়। সেখানে অত্যন্ত সতর্কতার সাথে চারিদিকে ঘেরাও করে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে দীর্ঘদিনের পলাতক ও দুর্ধর্ষ ডাকাত সর্দার মোঃ সেলিমকে (৩৫) কোনো প্রকার সুযোগ না দিয়েই হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্ধর্ষ এই ডাকাত সর্দার মোঃ সেলিম গাজীপুর সদর থানাধীন নান্দুয়াইন গ্রামের বাসিন্দা। সে ওই গ্রামের অত্যন্ত পরিচিত মুখ মোঃ মকবুল হোসেন ও মোছাঃ সুফিয়া বেগমের সন্তান। দীর্ঘদিন ধরে সে দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিজের একটি শক্তিশালী ডাকাত দল পরিচালনা করে আসছিল এবং এই চক্রটি বিভিন্ন মহাসড়ক ও বাসাবাড়িতে সশস্ত্র ডাকাতি সম্পন্ন করত।

গ্রেফতারকৃত এই আসামির অপরাধের খতিয়ান নিয়ে অনুসন্ধান ও পুলিশি নথিপত্র পর্যালোচনা করে জানা গেছে যে, ধৃত ডাকাত সর্দার সেলিমের বিরুদ্ধে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানা এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলার একাধিক থানায় চাঞ্চল্যকর ডাকাতির মামলাসহ বহু অপরাধমূলক ও একাধিক মামলা দায়ের করা রয়েছে। সে দীর্ঘদিন ধরে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে ফাঁকি দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছদ্মবেশে আত্মগোপন করে অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল। গ্রেফতারের পর কুখ্যাত এই আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তাকে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই সফল অভিযানের পর সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, এলাকার সাধারণ জনগণের জানমালের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চুরি, ডাকাতি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সমূলে উৎপাটন করার লক্ষ্যে জিএমপির এই ধরনের জিরো টলারেন্স নীতি ও বিশেষ ঝটিকা অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অত্যন্ত কঠোরভাবে অব্যাহত থাকবে।

জিএমপি সদর থানা পুলিশের এই সফল ও সময়োপযোগী বিশেষ অভিযান গাজীপুর মহানগরীতে আইন ও শান্তির সুবাতাস বজায় রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিনুল ইসলাম ও পরিদর্শক মেহেদী হাসানের যৌথ নেতৃত্বে বাহাদুরপুর থেকে দুর্ধর্ষ ডাকাত সর্দার সেলিমের গ্রেফতার হওয়া গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের জন্য একটি অত্যন্ত বড় ও প্রশংসনীয় সাফল্য।