রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬, ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম:
গাজীপুর জেলার মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণচট্টগ্রামে ডিসি ও এসপির সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ঐক্য পরিষদের সাক্ষাৎ, ২১ সদস্যের কমিটির অনুলিপি হস্তান্তরউখিয়ায় উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিতগাজীপুরে এসপির নির্দেশনায় নকল স্যালাইন সরবরাহকারী গ্রেফতারজিএমপি পূবাইল থানার অভিযানে জুয়া আইন মামলায় গ্রেফতার -০৩হিলিতে কাঁচা মরিচের দাম ঊর্ধ্বমুখী, প্রতিকেজি ৩২০ টাকাজিসিসির ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের ৫ হাজার ১০২ কোটি ৩৫ লাখ ৮ হাজার টাকার বাজেট ঘোষণা:হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের মাসিক সভা অনুষ্ঠিতউখিয়ায় র‍্যাব-১৫ এর অভিযান: ৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক রোহিঙ্গা আসামি গ্রেপ্তার১ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মেহের আলী রামুর রসিদনগর থেকে গ্রেফতার ‎গাজীপুর পূবাইলে দুর্ধর্ষ চুরি-ডাকাতি: স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা ও মালামাল লুটজিএমপি সদর থানার বিশেষ অভিযানে ০৯ মামলার আসামিসহ গ্রেফতার -১৪উখিয়ায় হ/ত্যা মামলার দীর্ঘদিন পলাতক আসামি র‌্যাব-১৫ এর জালে ‎‎উখিয়ার ওমর মিয়ার ঘোনায় ‘রোহিঙ্গা দিল মোহাম্মদ সিন্ডিকেট’: পাহাড় কাটা, বনভূমি দখল ও অপরাধের সাম্রাজ্যউখিয়ায় ইয়াবা বহনে রাজি না হওয়ায় দিনমজুরকে মারধর ও অপহরণচেষ্টার অভিযোগ, থানায় লিখিত ডায়েরি

চকরিয়ায় বন্যাদুর্গত ১৫০০ পরিবারকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ত্রাণ বিতরণ; ৭০০ জনকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা

মোঃ হারুন অর রশিদ, উখিয়া প্রতিনিধি (কক্সবাজার) প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
চকরিয়ায় বন্যাদুর্গত ১৫০০ পরিবারকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ত্রাণ বিতরণ; ৭০০ জনকে বিজিবির বিনামূল্যে চিকিৎসা
১২৮

সাম্প্রতিককালের চরম বৈরী আবহাওয়া ও টানা অতিবৃষ্টির ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলা। চকরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি ও চরম মানবিক সংকটের মুখোমুখি হয়েছেন। এই অত্যন্ত দুর্যোগপূর্ণ ও কঠিন পরিস্থিতিতে বন্যাকবলিত চকরিয়া পৌরসভা, লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন ও কাকারা ইউনিয়নের ক্ষতিগ্রস্ত ১৫০০টি অসহায় ও সম্বলহীন পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবির এই তাৎক্ষণিক ও মানবিক সহায়তা দুর্গত এলাকার মানুষের মাঝে নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে।

গত ১৭ জুলাই (শুক্রবার) চকরিয়ায় বিজিবির পক্ষ থেকে আয়োজিত এক বিশেষ মানবিক অনুষ্ঠানে বন্যাকবলিত ও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত এসব অসহায় পরিবারের মাঝে প্রয়োজনীয় খাদ্য ও জীবনরক্ষাকারী ত্রাণসামগ্রী আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দুর্গতদের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ত্রাণ পেয়ে বন্যাদুর্গত সাধারণ মানুষ অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

প্রয়োজনীয় খাদ্য ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি বন্যাদুর্গত এলাকার সাধারণ মানুষের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি ও পানিবাহিত রোগ মোকাবিলায় বিজিবির পক্ষ থেকে এক বিশেষ স্বাস্থ্যসেবামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। বিজিবির একটি সুসজ্জিত ও দক্ষ মেডিকেল টিমের মাধ্যমে দিনব্যাপী প্রায় ৭০০ জন অত্যন্ত অসহায়, দুস্থ ও বন্যাদুর্গত মানুষকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে জরুরি চিকিৎসাসেবা, স্বাস্থ্য পরামর্শ এবং প্রয়োজনীয় জীবনরক্ষাকারী ওষুধ সামগ্রী প্রদান করা হয়। দুর্যোগের এই সময়ে বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পটি স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ প্রমাণিত হয়েছে।

ত্রাণ বিতরণকালে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ তাঁর বক্তব্যে বলেন, “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও দেশের সব আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সব সময় দুর্গত ও বিপন্ন মানুষের পাশে রয়েছে। বন্যার এই কঠিন ও সংকটময় সময়ে বিজিবির এই মানবিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ সত্যিই অতুলনীয়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ পুনর্বাসন করা এবং তাঁদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে।”

উক্ত জনগুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাশাপাশি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সম্মানিত মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। এছাড়াও চকরিয়ার এই ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা প্রদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির কক্সবাজার রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার, রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার, নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) ও রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) এর অধিনায়কসহ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ। একই সাথে মাঠপর্যায়ের প্রশাসনিক সমন্বয়ে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিবৃন্দ এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। বিজিবি ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, বন্যার পানি ক্রমান্বয়ে নেমে যাওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে।

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বিজিবির এই অনন্য ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম বন্যাদুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর প্রত্যক্ষ উপস্থিতিতে ১৫০০ পরিবারকে খাদ্য ও ৭০০ জনকে চিকিৎসাসেবা প্রদানের এই মানবিক উদ্যোগ দেশের ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করল।

Download Photocard

Polls

আজকের প্রশ্ন

আপনি বাংলা নিউজ টিভির পেইজে লাইক ফলো দিয়েছেন কি?

View Results

Loading ... Loading ...

গাজীপুর জেলার মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ

রাজু হাসান, স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ২:০০ পূর্বাহ্ণ
গাজীপুর জেলার মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ

গাজীপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে এবং নিজস্ব অর্থায়নে জেলার মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবন সুগম করার লক্ষ্যে এক শুভ ও উৎসবমুখর পরিবেশে শিক্ষাবৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সকালে গাজীপুর জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই অর্থ ও চেক সফলভাবে হস্তান্তর করা হয়। শিক্ষা অর্জনে সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং তরুণ সমাজকে স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যেই জেলা প্রশাসন ও পরিষদের পক্ষ থেকে এই কল্যাণমুখী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উক্ত গুরুত্ববহ চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক এবং জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানের প্রারম্ভেই সভাপতি মহোদয় উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন এবং তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মূল্যবান বক্তব্য প্রদান করেন গাজীপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জনাব ফজলুল হক মিলন, এমপি। তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়া এবং আর্থিক অনটনে থাকা মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমকে টিকিয়ে রাখা জাতীয় দায়িত্বের একটি অংশ। এ ধরনের সামাজিক সহায়তা তাদের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেবে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনামূলক পরামর্শ দেন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক প্রফেসর ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, এমপি। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও গাজীপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত হোসেন সরকার এবং বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ওমর ফারুক শাফিন। অতিথিবৃন্দ প্রত্যেকেই শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।

পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত দক্ষতা ও চমৎকার শৈলীতে সঞ্চালনা করেন গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিও উপসচিব) জনাব নজরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানের শেষভাগে আমন্ত্রিত অতিথিগণ মঞ্চে উপস্থিত হয়ে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের হাতে বৃত্তির চেক তুলে দেন।

এ সময় জেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির বিভিন্ন ইউনিটের আহ্বায়ক, সদস্য সচিব, অর্থ সহায়তাপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রী, সম্মানিত অভিভাবকবৃন্দ এবং বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

শিক্ষা সহায়তার এই মহতী উদ্যোগ গাজীপুর জেলার অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সামনে এগোনোর পথকে আরও প্রসারিত করবে। সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই তরুণরাই ভবিষ্যতে মেধার স্বাক্ষর রেখে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে বলে মনে করছেন উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা।

চট্টগ্রামে ডিসি ও এসপির সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ঐক্য পরিষদের সাক্ষাৎ, ২১ সদস্যের কমিটির অনুলিপি হস্তান্তর

শাহিন আকতার, পটিয়া প্রতিনিধি: প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:৫৩ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে ডিসি ও এসপির সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ঐক্য পরিষদের সাক্ষাৎ, ২১ সদস্যের কমিটির অনুলিপি হস্তান্তর

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে অনুলিপি হস্তান্তর করছেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হয়েছেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমান্ডের আওতাধীন চট্টগ্রাম বিভাগীয় নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ। সাক্ষাতকালে প্রতিনিধিদলটি নবগঠিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় ২১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদনপত্র বা অনুলিপি চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং জেলা পুলিশ সুপারের (এসপি) হাতে স্ব-শরীরে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় এই প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের বিভাগীয় কমিটির সম্মানিত আহ্বায়ক মো. আনোয়ার হোসেন। এই গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ কামাল, সদস্য সচিব ফয়সাল আহম্মদ বাবু এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কমিটির প্রতিনিধি হুমাইরা নাসরিন তুহিন। প্রশাসনিক শীর্ষ দুই কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে অত্যন্ত আন্তরিক পরিবেশে সংগঠনের নানা দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠককালে সংগঠনের প্রতিনিধিরা জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশ সুপারের নিকট বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ঐক্য পরিষদের মূল লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানদের সার্বিক ঐক্য, মৌলিক অধিকার আদায় ও কল্যাণমুখী বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। নেতৃবৃন্দ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, মুক্তিযুদ্ধের মহৎ চেতনা ও মূল্যবোধকে ধারণ করে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের সুসংগঠিত করা এবং তাঁদের অধিকার সুরক্ষায় এই সংগঠনটি সর্বদা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

আলোচনাকালে প্রতিনিধিরা আরও জানান, কেন্দ্রীয় কমিটির সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম বিভাগের আওতাধীন প্রতিটি জেলায় সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সুসংগঠিত ও গতিশীল করা হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সংরক্ষণ নিশ্চিত করা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের এক ছাতার নিচে ঐক্যবদ্ধ করা এবং সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশ নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এই ২১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি মাঠে কাজ করে যাবে।

সৌজন্য সাক্ষাৎ ও দীর্ঘ আলোচনার সমাপনী পর্বে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ঐক্য পরিষদের প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক এবং জেলা পুলিশ সুপারের প্রতি তাঁদের উষ্ণ অভ্যর্থনা ও সময় দেওয়ার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ প্রকাশ করেন। একই সাথে আগামী দিনেও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও সামাজিক কল্যাণমূলক কাজ ত্বরান্বিত করতে স্থানীয় জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের সাথে পূর্ণ সমন্বয় ও সহযোগিতা বজায় রেখে সংগঠনের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

চট্টগ্রামে প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের কর্তাব্যক্তিদের সাথে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও অনুলিপি প্রদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ঐক্য পরিষদের বিভাগীয় সাংগঠনিক তৎপরতা আরও সুদৃঢ় হলো। স্থানীয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করার এই উদ্যোগ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানদের অধিকার রক্ষা ও জনকল্যাণমুখী ভাবমূর্তিকে বহুগুণে উজ্জ্বল করবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

উখিয়ায় উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

‎মোঃ হারুন অর রশিদ উখিয়া প্রতিনিধি, (কক্সবাজার)। প্রকাশিত: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
উখিয়ায় উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

‎কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপজেলার সর্বস্তরের জনসেবার মানোন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন জোরদার করার পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

‎২৮ জুলাই (মঙ্গলবার) উপজেলা পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনাব পান্না আক্তারের সভাপতিত্বে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উখিয়া-টেকনাফ (কক্সবাজার-৪) আসনের স্থানীয় সংসদ সদস্য জননেতা আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী।

‎প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, উখিয়া-টেকনাফের সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের মৌলিক অধিকার সুনিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। সাধারণ মানুষ যেন সরকারি সেবা পেতে কোনো ধরনের ভোগান্তির শিকার না হয়, সেদিকে সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে।

‎সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার বলেন, “উপজেলার উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সমন্বিত করতে সকল দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। প্রশাসনিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর।”

‎সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জনাব সরওয়ার জাহান চৌধুরী এবং উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এহেচান উল্লাহ সিকদার।

‎এছাড়াও সভায় উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ, ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

‎সভায় স্বাস্থ্যসেবার মান বৃদ্ধি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ উন্নয়ন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং চলমান অবকাঠামোগত প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। একই সাথে দপ্তরগুলোর কাজের সমন্বয় বাড়িয়ে জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।