বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন

গাছা থানার পুলিশের বিরুদ্ধে ছেলেকে তুলে নেওয়া ও হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৩৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬

Views: 20

গাজীপুরের গাছা থানার পুলিশের বিরুদ্ধে ছেলেকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়া, মিথ্যা মামলায় জড়ানো এবং টাকা দাবির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক নারী।

শনিবার (১৩ মার্চ) গাজীপুরের নিজ বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ফরিদা ইয়াসমিন এসব অভিযোগ করেন। তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের গাছা থানার কলমেশ্বর এলাকার বাসিন্দা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে গাছা থানা পুলিশ তার ছেলে রাহুল খানকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে পুলিশের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তারা বিভিন্নভাবে তালবাহানা করে এবং মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও দাবি করেন, টাকা দিতে অস্বীকার করায় তার ছেলেকে একটি ডাকাতি মামলায় জড়ানো হয়। অথচ ওই মামলার প্রকৃত আসামিদের পুলিশ আগেই গ্রেপ্তার করেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তার দাবি, তার ছেলে ওই ঘটনার সাথে কোনোভাবেই জড়িত নয়।

ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, একই ঘটনায় আরও তিনজনকে আটক করা হয়েছিল এবং তাদের কাছ থেকে একটি পিসি উদ্ধারের কথা বলা হয়। তবে তার ছেলে ওই পিসি ডাকাতির মামলার সাথে সম্পৃক্ত নয় বলেও দাবি করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন,গাছা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক খানের প্রভাবের কারণে তার পরিবারের ওপর দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। প্রায় ২০ বছর ধরে তাদের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে বলেও তিনি জানান।

এছাড়া গত ১৪ মার্চ ২০২৬ তারিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ছবি বিকৃত করে অপপ্রচার চালানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় তিনি গাজীপুর আদালতে ভয়ভিতি হুমকি ও পর্ণগ্রাফি সংশ্লীষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করেছেন বলে জানান।

বর্তমানে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে উল্লেখ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনের শেষে তিনি বলেন, “আমি আমার পরিবারের নিরাপত্তা এবং আমার ছেলের মুক্তির জন্য প্রশাসনের কাছে ন্যায়বিচার চাই।”

তবে মুঠোফোনে অভিযোগ অশ্বিকার করে অভিযুক্ত গাছা থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক খান বলেন, আমি ঢাকায় আছি এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। তিনি বলেন আমিও একটি জিডি করেছি থানায়।

এ বিষয়ে গাছা জোনের সহকারি পুলিশ কমিশনার মোঃ এরশাদুর রহমান বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, রাহুলের বিরুদ্ধে এই মামলা ছাড়াও আরো ৭টি মামলার তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশ বা কোন নেতার সম্পৃক্ততা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও
Popular Post
Last Update