হাছানুর রহমান – নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
যতই দিন যাচ্ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে মৃত্যুর মিছিল ততই লম্বা হচ্ছে। বিশ্ব যেন আজ মৃত্যুপুরী। এই ভারাসের করাল গ্রাস থেকে পার পাচ্ছে না শিশু থেকে বৃদ্ধ যে কোন বয়েসের মানুষ। বিশেষজ্ঞদের মতে আরও চরম হতে পারে এই পরিণতি। এই মরণব্যধির এখন পর্যন্ত কোন প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়ায় ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামই একমাত্র ভরসা। তারপরও গ্রামে নেই সচেতনার কোন বালাই। ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের মধ্যে শুধুমাত্র মুখে মাস্কের ব্যাবহার দেখা গেলেও এখন তা আর আগের মত ব্যবহার হচ্ছে না। নীলফারী ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন হাট ও বাজার গুলোতে দেখা গেছে এমন চিত্র। সাধারণ মানুষজন মুখের মাস্ক পকেটে রেখে নির্ধিদায় মুখে পান সিগারেট নিয়ে অপ্রয়োজনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মানছে না নিরাপদ দুরত্ব। এ ব্যাপারে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন বারবার হাটবাজার গুলোতে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে শুধু মাত্র নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী ও ঔষধ কেনাবেচা করার জন্য নির্ধারিত সময় বেধে দিয়েছে। তবে বাজার সময়মত ভেঙ্গে গেলেও মানছে না কেউ নিরাপদ দুরত্ব। ছানুর রহমান – নীলফামারী প্রতিনিধিঃ যতই দিন যাচ্ছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে মৃত্যুর মিছিল ততই লম্বা হচ্ছে। বিশ্ব যেন আজ মৃত্যুপুরী। এই ভারাসের করাল গ্রাস থেকে পার পাচ্ছে না শিশু থেকে বৃদ্ধ যে কোন বয়েসের মানুষ। বিশেষজ্ঞদের মতে আরও চরম হতে পারে এই পরিণতি। এই মরণব্যধির এখন পর্যন্ত কোন প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়ায় ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামই একমাত্র ভরসা। তারপরও গ্রামে নেই সচেতনার কোন বালাই। ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামের মধ্যে শুধুমাত্র মুখে মাস্কের ব্যাবহার দেখা গেলেও এখন তা আর আগের মত ব্যবহার হচ্ছে না। নীলফারী ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন হাট ও বাজার গুলোতে দেখা গেছে এমন চিত্র। সাধারণ মানুষজন মুখের মাস্ক পকেটে রেখে নির্ধিদায় মুখে পান সিগারেট নিয়ে অপ্রয়োজনে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মানছে না নিরাপদ দুরত্ব। এ ব্যাপারে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন বারবার হাটবাজার গুলোতে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে শুধু মাত্র নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী ও ঔষধ কেনাবেচা করার জন্য নির্ধারিত সময় বেধে দিয়েছে। তবে বাজার সময়মত ভেঙ্গে গেলেও মানছে না কেউ নিরাপদ দুরত্ব।