বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন

বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে ধ’র্ষ’নের চেষ্টার ঘটনায় আসামী গ্রেফতার ও আদালতে প্রেরন।
বান্দরবান জেলা প্রতিনিধি ডেভিড সাহা। / ২০০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট বৃহস্পতিবার, ১৩ মার্চ, ২০২৫

Views: 1

বান্দরবানের রোয়াংছড়ি গত ১১ মার্চ ২০২৫ ইং তারিখে ১১:৩০ ঘটিকায়, খামতাং পাড়াবাসী লোকজন সুত্রে জানা যায় যে,গত ১০ ই মার্চ ২০২৫ ইং তারিখে আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় একটি মানসিক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়েকে ধষর্ণণের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।রোয়াংছড়ি ১নং সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবং পাড়াবাসী মারফত জানা জায় যে, ভিকটিম স্বর্ণালী খিয়াং(১৬) সাং- খামতাংপাড়া,০৬নং ওয়ার্ড, থানা-রোয়াংছড়ি, জেলা-বান্দরবান একজন মানসিক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী। সে প্রায়ই বাসার বাইরে ঘুরাফেরা করত এবং কারো বাঁধা নিষেধ মানত না। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ১০ ই মার্চ ২০২৫ ইং তারিখে আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় সে তার বাড়ি থেকে কিছু দূরে শশ্মান এলাকায় ছিল। ঐসময় মোঃ জামাল (২৬, পিতা-মোঃ নজরুল, গ্রামঃ-দক্ষিন দাসপাড়া, ইউনিয়নঃ-গছালি, থানাঃ-দশমিনা, জেলাঃ পটুয়াখালি বর্তমান সাং- আর্মিপাড়া, ওয়াপদা ব্রীজ, বান্দরবান সদর।আসামী ভিকটিমকে একা পেয়ে তার হাত ধরে তাকে জঙ্গলে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। ভিকটিম চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হওয়াতে অভিযুক্ত জামাল ভয় পেয়ে পালিয়ে যায়। গত ১১/০৩/২৫ইং তারিখ সকাল ০৮:৩০ ঘটিকায় পাড়াবাসী তাকে আটক করে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পাড়া প্রধান এবং অত্র এলাকার কারবারী ও গ্রামবাসীর সমন্বয়ে উক্ত বিষয় নিয়ে একটি গ্রাম্য সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে অভিযুক্ত মোঃ জামাল তার দোষ স্বীকার করে এবং অভিযুক্তকে মাথার চুল কেটে গলায় জুতার মালা পড়িয়ে পাড়া ঘুরানো হয়।

এমতাবস্থায় রোয়াংছড়ি থানার অফিসার ও ফোর্স খবর পাইয়া সেনাবাহিনীর অফিসার ও ফোর্সসহ সেখানে যান এবং অভিযুক্ত মোঃ জামালকে নিজ হেফাজতে নেন, ভিকটিম পরিবারকে থানায় হাজির হয়ে মামলা দায়েরের পরামর্শ প্রদান করেন। গত ১২/০৩/২৫ তারিখে ভিকটিমের পরিবারের কেহ থানায় অভিযোগ করতে না আসলে আসামীকে ফৌ: কা: বি: ৫৪ ধারায় আদালতে প্রেরন করা হয়।অদ্য ১৩/০৩/২৫ তারিখে ভিকটিমের পরিবারের লোকজন ভিকটিমকে সহ রোয়াংছড়ি থানায় আসিয়া লিখিত এজাহার দাখিল করিলে ধৃত আসামী জামালের নামে রোয়াংছড়ি থানার মামলা নং- ০১, তারিখ – ১৩/০৩/২৫ ধারা- ২০০০ সালের( সংশোধিত ২০২০) না: শি: নি: দ: আইনের ৯এর ৪(খ)। রুজু হয়। ধৃত আসামী কে অত্র মামলায় গ্রেফতার দেখানো এবং ভিকটিমের ২২ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য আদালতে আবেদন প্রেরন করা হয়েছে। আসামীর পিসিপিআর ভালো নয়। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে ১টি ধর্ষণের মামলাসহ ৩ টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও
Popular Post
Last Update