শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন

যশোরের পুটখালিতে আইনি বিধি নিষেধ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চলছে মানব পারাপার : করোনা আতঙ্কে এলাকাবাসী
স্টাফ রিপোর্টার / ৪১৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট রবিবার, ২২ মার্চ, ২০২০

Views: 2

বিশেষ প্রতিনিধি : সারা বিশ্বের সাথে সমগ্র দেশ যখন করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে উৎকন্ঠা ও আতঙ্কে রয়েছে। ঠিক তখনি যশোরের শার্শা উপজেলার পুটখালী সীমান্ত পথে প্রশাসনিক সহোযোগীতায় চলছে মানব পারপারের রমরমা ব্যাবসা। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের নেওয়া নানা আইনি কঠোরতা ও বিধি নিষেধ এর প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সীমান্ত ঘাট (ভারত-বাংলাদেশ) দিয়ে চোরাই পথে জন প্রতি ৮/৯ হাজার টাকায় মানব পারাপারে ব্যস্ত একটি মহল।
চক্রটির সদস্যরা নিজেরাও জানেনা বাড়তি আয়ের লোভে প্রানঘাতী ভাইরাস বহন করে আনছেন দেশের অভ্যন্তরে। যা তাদের পরিবারের জন্য মরণাস্ত্র। ভারত সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধ্য অনুপ্রবেশে আগত নারী পুরুষ বিজিবি সহ স্থানীয় প্রশাসনের সন্মতি পেয়ে বাস স্ট্যান্ডে পৌঁছাতে কিছু সময় ধরে অবস্থান করতে হচ্ছে এলাকাটির বাড়ী-ঘরে। এ কারনে পুটখালী গ্রাম এলাকায় যে কোন মূহুর্তে ভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মানব পারাপার কাজে জড়িত এক ব্যক্তি জানান, সাম্প্রতি ভারত সরকার ইন্ডিয়ান ভিসা বন্ধ করে দেওয়ায় চোরাই পথে লোক পারাপার বেড়েছে। ভারতীয় সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনী বিএসএফ ভারত হতে লোক আসতে বাধা দিচ্ছে না। তবে বাংলাদেশ হতে লোক নেওয়ার সময় কোন কোন ক্ষেত্রে ফেরত দিচ্ছে। বিজিবির তেমন কোন তৎপরতা নেই এ ক্ষেত্রে। সিন্ডিকেট প্রক্রিয়ায় সীমান্ত পারাপারে সাময়িক যেমন লাইন দিতো এখোনো তা চলছে।
পুটখালী এলাকায় সরেজমিনে স্থানীয় গ্রামবাসী ও চা দোকানীদের সাথে কথা বলে মানব পারাপারের সত্যতা মিলেছে। আলিম নামের এক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে তারা।
কালো আনিচ, অশোক, রুবেল নামীয় ব্যক্তিরা বিজিবি সহোযোগীতা নিয়ে ক্ষমতার দাপটে লোক পারাপার করে গ্রামবাসীর জীবন ঝুঁকিতে ফেলছে।
পুটখালী সীমান্ত পাহারায় নিয়োজিত ২১বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক মঞ্জুর ই এলাহীর মুঠোফোনে অবৈধ পারাপার বিষয়ে জানতে চাইলে? তিনি জানান, সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। আপনারা তথ্য দিয়ে সহোযোগীতা করুন প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিবো।
যশোরের (নাভারণ) সার্কেল এএসপি, যশোর এর কর্মকর্তা জুয়েল ইমরান এর নিকট, ধুড় সিন্ডিকেট মাধ্যমে চোরাই পথে ভারত হতে আগত ব্যক্তিদের বিষয়ে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি জানান, মহামারি করোনা ভাইরাস বিস্তার প্রতিরোধে এ এলাকায় পুলিশ প্রশাসন কঠোর ভূমিকায় রয়েছে। সীমান্ত পার হওয়ার বিষয়টি কেবল বিজিবির এখতিয়ার। কোন মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে স্বাভাবিক ভাবে এলাকায় ঘাট করলে আমাদের জন্য সনাক্ত করা কঠিন হবে।
আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও
Popular Post
Last Update