Views: 0
নিজস্ব প্রতিনিধি, শেখ মোঃ সাইফুল ইসলাম :
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির সরকারি চাল আত্মসাৎ অভিযোগ দায়ের হলেও নতুন করে বেরিয়ে এলো আরো ১৫ তালিকাভূক্ত সুবিধা ভুগির নাম। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব প্রকল্প খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির চাল দীর্ঘ ৪ বছর থেকে আত্মসাৎ ডিলারের পক্ষে উপজেলা ফুড কর্মকর্তা আলাউদ্দীন বসুনিয়া ।
খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ১৯ অর্থ বছরের মুল তালিকায় থাকা অনেক ব্যাক্তি চল তো দুরের কথা এখন পর্যন্ত সুবিধাভুগীর কার্ডটি হাতে পায়নি । এ বিষয়ে উপজেলা ফুট কর্মকর্তা আলাউদ্দীন বসুনিয়া, চাল আত্মসাৎ বিষয়টি তদন্ত করলেও অধিকার বঞ্চিত ব্যাক্তিদের সাক্ষাৎকার নিলেও চলছে তাল বাহানা । পুর্ণরায় গত সমবার ঐ অভিযোগটি তদন্তে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, তিনি তদন্তে গিয়ে সুষ্ঠ ভাবে তদন্ত করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ সেকেন্দার আলীর সঙ্গে কথা বলে জানাযায়, অভিযোগটির সত্যতা আছে, ভুক্তভোগী পরিবার গুলি যে ভাবে বলেছে, ঠিক সেই ভাবে প্রতিবেদনে লেখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
তদন্তের প্রতিবেদন সম্পর্ক জানার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজি লুতফুল হাসানকে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব প্রকল্পের চাল আত্মসাৎ বিষয়ে, বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদকর্মী তথ্য উদঘাটন করার জন্য উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নে।
গত মঙ্গলবার আবারও লুকিয়ে থাকা আরো কিছু তথ্য বেরিয়ে এসেছে, উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভাটি কাপাসিয়ার খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ডিলার জাহিদুল ইসলাম মোট ৬২৪ জন ব্যাক্তির নামে চাল উত্তোলন করলেও বন্ঠনে অনেক কে বঞ্চিত করে অনেকের কার্ড লুকিয়ে রেখে চাল আত্মসাৎ করেছেন দীর্ঘ ৪ বছর থেকে। গত মঙ্গলবার ৮নং ওয়ার্ডের নতুন করে কিছু তালিকাভূক্ত ব্যাক্তির নামের সন্ধান মেলে।
তারা হলেন, আব্দুর রশিদ মিয়া পিতা গোলাম মাওলা কার্ড নং ৯৮৮, শাহমনা বেগম স্বামী মান্নান মিয়া কার্ড নং ১০৪৩, নুরনাহার বেগম রাজ্জাক মিয়া কার্ড নং ১০৪৬, জাহানুর বেগম জাহাঙ্গীর আলম কার্ড নং ১০৪৯, বাদশা মিয়া মহর আলী কার্ড নং ৮৮৪, সাহিদুল ইসলাম পিতা রফিকুল ইসলাম কার্ড নং ৮৬০, শাহানুর আক্তার সিদ্দিক হোসেন কার্ড নং ৮৪৯, আহাদ মিয়া পিতা এছমাইল হোসেন কার্ড নং ৮৪৫, রাজ্জাক মিয়া পিতা শামছুল হক কার্ড নং ৮৩৬, মোসলেমা বেগম আনোয়ার মিয়া কার্ড নং ৮৩৩, করিম মিয়া পিতা বাদশা মিয়া কার্ড নং ৮১৮, আমজাদ আলী পিতা মৃত আছিম উদ্দীন কার্ড নং ৮১৬, কমলা বেগম জিয়ারুল ইসলাম কার্ড নং ৮১৩, মফিজল হক পিতা মৃত কছিম উদ্দীন কার্ড নং ৭৯৬, লালমনি খাতুন কার্ড নং ৫৭০।
এই ব্যাক্তি গুলির নাম তালিকায় থাকলেও এখন পর্যন্ত চাল তো দুরের কথা কার্ডটিও তারা চোখে দেখেনি এমনটাই অভিযোগ তাদের। এখন পর্যন্ত সরকারি চাল আত্মসাৎ কারী জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে, বিভিন্ন পত্রিকায় নিউজ প্রকাশ করায় ডিলার জাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকের উপর ক্ষিপ্ত, যে কোন মহুর্তে হামলা হতে পারে