মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬, ২১ বৈশাখ ১৪৩৩
শিরোনাম:
প্রকৃতির নিষ্ঠুর পরিহাস আর ভাগ্যের নির্মম কষাঘাতে আজ ধূলিসাৎ এক সংগ্রামী মায়ের স্বপ্নআশুলিয়া ও সাভারে পৃথক অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬উখিয়ার কৃষি কি তবে বর্জ্যের তলায় হারিয়ে যাবে?কুতুপালং বাজারে ফের উচ্ছেদ অভিযান: যানজট নিরসনে কঠোর অবস্থানে প্রশাসনউখিয়ায় র‌্যাবের বড় অভিযান: ৫০ হাজার পিস ই/য়া/বা/সহ সিএনজি জব্দ ‎টেকনাফে র‌্যাবের ঝটিকা অভিযান: চাঞ্চল্যকর গণধ/র্ষ/ণ ও অপহরণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতারখেলাধুলা ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে গড়ে উঠবে আগামীর নেতৃত্ব: এমপি মিলনশ্রীপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতশ্রীপুরে নানা আয়োজনে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপনসাব-ক্লাস্টার প্রশিক্ষণ ভাতা লোপাটের অভিযোগ, শ্রীপুরে তোলপাড়পরিচয়হীন শিশুরাও মেতেছিল ঈদের আনন্দে গাজীপুরের ‘শিশু পল্লী প্লাস’গাজীপুর -৩ সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম বাচ্চুকে ফুলেল সংবর্ধনাঈদ বোনাসের দাবিতে শ্রীপুরে শিক্ষা অফিসে দপ্তরিদের অবস্থান৬২ হাজার টাকায় কেনা বিড়াল অসুস্থ, টাকা ফেরত দিতে আইনি নোটিশশ্রীপুরে আরসিসি ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন

ছিনতাই বন্ধে টঙ্গী ফ্লাইওভারের তিন সিঁড়ি সাময়িক বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১২ অপরাহ্ণ
ছিনতাই বন্ধে টঙ্গী ফ্লাইওভারের তিন সিঁড়ি সাময়িক বন্ধ
google news আজকের বাণী এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি ফলো করুন

ধারাবাহিক ছিনতাইয়ে একাধিক খুন ও বহু পথচারী আহত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গাজীপুরের আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গীর চেরাগ আলী পর্যন্ত ফ্লাইওভারের পাঁচটির মধ্যে তিনটি সিঁড়ি বন্ধ করে দিয়েছে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ (জিএমপি)।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের চান্দনা গাজীপুর পর্যন্ত ২৩ কিলোমিটার মহাসড়কের যানজট দূর করতে ২০১২ সালে হাতে নেওয়া হয় বিআরটির এই প্রকল্প। কিন্তু আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গীর চেরাগআলী পর্যন্ত ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার ফ্লাইওভারের কাজ সম্পন্ন হওয়া পর তা বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি সরকার বিআরটির এই প্রকল্পটিই আপাতত বন্ধ করে দেয়।

এরপর টঙ্গীবাসী ফ্লাইওভারসহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের চারটি লেন খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু এখনও চারটি লেন পুরোপুরি খুলে দেওয়া হয়নি। ফলে বিচ্ছিন্নভাবে চলছে যানবাহন।

সম্প্রতি আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গীর স্টেশন রোড ও চেরাগআলী পর্যন্ত ফ্লাইওভারে বেড়েছে ছিনতাই।

এতে হতাহতের ঘটনাও ঘটে। বিশেষ করে ফ্লাইওভার থেকে নিচে নামার সিঁড়িগুলোতে ছিনতাইয়ের ঘটনা বেশি ঘটছে। আব্দুলাহপুর থেকে টঙ্গীর চেরাগআলী পর্যন্ত মোট পাঁচটি সিঁড়ি রয়েছে। পথচারীদের ফ্লাইওভার থেকে নিচে নামার জন্য সিঁড়িগুলো নির্মাণ করেছিল বিআরটি।

ফ্লাইওভার স্টেশনে নামার পর যে সিঁড়ি দিয়ে যাত্রীরা নিরাপদে ঘরে ফেরার কথা ছিল, সে সিঁড়িগুলোই এখন মারণফাঁদ।

ফ্লাইওভারে সংঘটিত সম্প্রতিক ছিনতাইয়ের বিবরণ বিশ্লেষনে দেখা যায়, কোনো যাত্রী গাড়ি থেকে নামার পর ছিনতাইকারীরা তাকে ফ্লাইওভারের ওপর থেকে ধাওয়া করে সিঁড়িতে এনে কুপিয়ে হতাহত করে বা সিঁড়ি দিয়ে ফ্লাইওভারে ওঠার সময় আক্রমণ করে। এ প্রক্রিয়ায় একাধিক হতাহতের ঘটনার পর সাধারণ মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। বিচারের দাবিতে আন্দোলন, মহাসড়ক ও থানা ঘেরাও এখন টঙ্গীর নিত্যদিনের ঘটনা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছিনতাই বন্ধে জিএমপি আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গীর চেরাগআলী পর্যন্ত ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার ফ্লাইওভারের পাঁচটি সিঁড়ির মধ্যে তিনটি বন্ধ করে দিয়েছে।

আব্দুল্লাহপুর ও চেরাগআলীতে দুটি রেখে বাবি তিনটি সিঁড়ি আপাতত অস্থায়ীভাবে ইট দিয়ে প্রাচীর আকৃতির দেয়াল করে বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ। একইসঙ্গে খোলা রাখা দুটি সিঁড়িতে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়ে। কিন্তু এই ফ্লাইওভারের ওপরে বা নিচে কোনো আলো বা সিসি ক্যামেরা না থাকায় ছিনতাইকারীরা সহজেই ছিনতাই করার কাজটি নিরাপদে করে আসছে।
তিনটি সিঁড়ি বন্ধ হলেও পুরো ফ্লাইওভারে এখনও আলো ও সিসি ক্যামেরার ব্যবস্থা হয়নি। শুধু সিঁড়ি বন্ধ নয়, আলো ও সিসি ক্যামেরাসহ পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে এই অপরাধ দমন সম্ভব নয় বলে মনে করছে সাধারণ মানুষ।

 

এসব বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের(জিএমপি) অপরাধ দক্ষিণ  বিভাগের উপ-কমিশনার মহিউদ্দিন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ছিনতাই রোধে অস্থায়ীভাবে ফ্লাইওভারের তিনটি সিঁড়ি বন্ধ করা হয়েছে। জনগণ  চাইলে খুলে দেওয়া হবে। ফ্লাইওভারে আলো ও সিসি ক্যামেরা স্থাপনের বিষয়ে তিনি বলেন, এই সমস্যা সমাধান জটিল হয়ে যাচ্ছে। বিআরটি এ বিষয়ে কোনো  পদক্ষেপ নিচ্ছে না। গাজীপুর সিটিকরপোরেশনও কোনো উদ্যোগ নেয় না। তবে পুলিশ চেষ্টা করছে যেন আলো ও সিসিক্যামেরা স্থাপন করে ও পুলিশ টহল আরো বাড়িয়ে ছিনতাই বন্ধ করা যায়।

প্রকৃতির নিষ্ঠুর পরিহাস আর ভাগ্যের নির্মম কষাঘাতে আজ ধূলিসাৎ এক সংগ্রামী মায়ের স্বপ্ন

বগুড়া, ধুনট: প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
প্রকৃতির নিষ্ঠুর পরিহাস আর ভাগ্যের নির্মম কষাঘাতে আজ ধূলিসাৎ এক সংগ্রামী মায়ের স্বপ্ন

প্রকৃতির নিষ্ঠুর পরিহাস আর ভাগ্যের নির্মম কষাঘাতে আজ ধূলিসাৎ এক সংগ্রামী মায়ের স্বপ্ন। বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের শিমুলবাড়ি গ্রামের যমুনা নদীর বাঁধের নিচেই ছোট একটি জরাজীর্ণ খুপড়ি ঘরে বসবাস করেন সুফিয়া বেগম।

দুই মাস আগে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম মানুষ, তাঁর স্বামী মারা যান। মাথার ওপর থেকে ছাদ সরে যাওয়ার পর এখন এই মা ও তাঁর পাঁচ কন্যাসন্তানের একমাত্র আশ্রয় এই জরাজীর্ণ ঘরটি। এই ঘরও আর সুরক্ষা দিতে পারছে ।

সামান্য বৃষ্টি নামলেই সুফিয়া বেগমের চোখে ঘুম আসে না। ঘরের টিনগুলো মরিচায় জীর্ণ, ফুটো দিয়ে অঝোরে ঝরে পড়ে বৃষ্টির পানি। ঝড়ের রাতে সেই নড়বড়ে ঘরে সারারাত জেগে থাকেন তিনি। বৃষ্টির পানিতে ভিজে যায় তাঁদের সামান্য বিছানাপত্র, হাঁড়ি-পাতিল আর কষ্টের উপার্জনের শেষ সম্বলটুকু। যে ঘরে থাকার কথা ছিল নিরাপদ ছায়ায়, সেই ঘরেই এখন তাদের ভিজে একাকার হতে হয়।

স্বামীকে হারানোর শোক কাটিয়ে ওঠার আগেই ক্ষুধার জ্বালা তাঁদের । সংসারে দেখার মতো কেউ নেই, উপার্জনের কোনো উৎস নেই। পাঁচ মেয়ের মুখে দুমুঠো অন্ন তুলে দিতে হিমশিম খাচ্ছেন এই অসহায় মা। কারো কাছে হাত পাততে লজ্জা, আবার না খেয়ে থাকাও অসম্ভব। অভাব আর অনাদরে বেড়ে ওঠা মেয়েগুলোর দিকে তাকালে বুক ফেটে কান্না আসে সুফিয়া বেগমের। তিনি কি এই সমাজে একেবারেই একা?

যমুনার পাড়ের এই শিমুলবাড়িতে সুফিয়া বেগমের ঘরটিতে এখন শুধু হাহাকার আর বৃষ্টির শব্দ। ঝড়ের রাতের সেই বৃষ্টির পানি আজ আর কেবল টিনের চালে পড়ছে না, পড়ছে এই অসহায় পরিবারটির অবশিষ্ট স্বপ্নের ওপর।
এই চরম দুর্দশাগ্রস্ত মানুষটির দিকে কি মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া যায় না।

আশুলিয়া ও সাভারে পৃথক অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
আশুলিয়া ও সাভারে পৃথক অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬

আশুলিয়া ও সাভারে পৃথক অভিযানে মাদকসহ গ্রেফতার ৬ ঢাকার আশুলিয়া ও সাভারে পৃথক পৃথক অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্যসহ ৬ জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি উত্তর)।

মঙ্গলবার (৫ মে) ডিবি (উত্তর) সূত্রে জানা যায়, আশুলিয়ার বুড়িপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ১০০ পুরিয়া হেরোইন ও ২১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়। একইদিন রাতে কুটুরিয়া এলাকায় পৃথক অভিযানে আরও তিনজনকে ১০০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।

অন্যদিকে, সাভার থানার বক্তারপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে পূর্বেও মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

উখিয়ার কৃষি কি তবে বর্জ্যের তলায় হারিয়ে যাবে?

মোঃ হারুন অর রশিদ, উখিয়া উপজেলা প্রতিনিধি কক্সবাজার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ মে, ২০২৬, ২:২৯ অপরাহ্ণ
উখিয়ার কৃষি কি তবে বর্জ্যের তলায় হারিয়ে যাবে?

উখিয়ার বিস্তীর্ণ কৃষিজমি এখন আর সবুজ নেই। বড় কোনো ঘূর্ণিঝড় বা মহাপ্লাবন নয়, স্রেফ স্বাভাবিক বৃষ্টিতেই পাহাড় থেকে নেমে আসা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্য গিলে খাচ্ছে স্থানীয় কৃষকদের স্বপ্ন। মাঠজুড়ে পলিথিন, চিপসের প্যাকেট আর পচা আবর্জনা। কালচে পানি আর তীব্র দুর্গন্ধে বিষিয়ে উঠছে বাতাস। স্থানীয় কৃষকদের মতে, প্লাস্টিকের আস্তরণ আর রাসায়নিক মিশ্রিত নোংরা পানিতে মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়ে গেছে—কৃষক ভাষায় মাটি এখন ‘মৃত’।

‎রাজাপালং ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সংকটের গভীরতা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন “প্রশাসনের কর্মকর্তারা বারবার এলাকা পরিদর্শন করছেন, কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। শুধু দেখতে আসা আর আশ্বাস দেওয়া দিয়ে তো কৃষকের পেট চলবে না। আমাদের প্রশ্ন—বাঁচানোর স্থায়ী উদ্যোগ কোথায়?”

‎ভুক্তভোগী কৃষকদের পক্ষে অধিকার বাস্তবায়ন কমিটি পালংখালীর সহ-সভাপতি এবং হোস্ট কমিউনিটি প্রতিনিধি এস. এম. জি মুফিজ উদ্দিন জানান, “রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এনজিও ও আইএনজিও (বিশেষ করে NRC, ওয়াশ প্রজেক্ট, সাইট ম্যানেজমেন্ট) এবং সিআইসি (CiC) অফিসে বারবার অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না। এনজিওগুলো ক্যাম্পের ড্রেনগুলো সরাসরি স্থানীয়দের জমি বরাবর তৈরি করে রেখেছে। ফলে ভারী বৃষ্টি হলেই ক্যাম্পের জমাটবদ্ধ প্লাস্টিক ও বর্জ্য এসে কৃষকের সাজানো ফসল নষ্ট করে দিচ্ছে।”
‎তিনি আরও বলেন, প্রতি বছর জমি থেকে প্লাস্টিক ও ময়লা সরাতে গিয়ে কৃষকদের বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা অনেকের পক্ষেই অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় কৃষকদের দাবি—ক্যাম্পের ড্রেনগুলো সরাসরি জমিতে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট খালের সাথে সংযুক্ত করে সুপরিকল্পিত নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।

‎উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিফাত আসমা জানান: ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ের সঠিক চিত্র তুলে আনতে সরেজমিন পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। বর্জ্য প্রবাহ ঠেকাতে স্থায়ী ‘গাইড ওয়াল’ নির্মাণ এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরির প্রক্রিয়া চলমান। সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দপ্তরগুলোর সাথে সমন্বয় করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

‎উখিয়ার এই করুণ পরিণতির পেছনে তিনটি প্রধান কারণ চিহ্নিত করেছেন বিশেষজ্ঞরা:
‎ক্যাম্পে উৎপাদিত বিপুল পরিমাণ বর্জ্য সংরক্ষণে ঘাটতি।
‎বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের পথটি সরাসরি কৃষিজমির সাথে যুক্ত।
‎উঁচু স্থান থেকে বর্জ্য সহজেই ঢালের সাথে লোকালয়ে চলে আসা।

‎স্থানীয় কৃষকদের জীবন এখন অনিশ্চয়তায় ঘেরা। প্রতিবার চাষের আগে জমি থেকে টন টন প্লাস্টিক সরাতে গিয়ে তাদের উৎপাদন খরচ দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। জমি পরিষ্কারের বাড়তি মজুরি। বিষাক্ত পানির কারণে ফসলের মান ও পরিমাণ হ্রাস। অনেকেই এখন পৈতৃক পেশা ছেড়ে দিয়ে জীবিকার অন্য পথ খুঁজছেন।

‎যদি এখনই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে একটি আধুনিক ও টেকসই ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তবে উখিয়ার ঐতিহ্যবাহী কৃষি ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে। স্থানীয়দের দাবি—সাময়িক কোনো লোক দেখানো পরিষ্কার অভিযান নয়, বরং একটি টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সরাসরি ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা হোক।