বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মরদেহ শেষবারের মতো গুলশানের বাসভবনে নেওয়া হয়েছে। সেখানে মায়ের কফিনের পাশে বসে ছেলে তারেক রহমানকে কোরআন তেলাওয়াত করতে দেখা যায়।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে তারেক রহমানের গুলশানের বাসভবনে লাল-সবুজের পতাকায় মোড়ানো গাড়িতে করে খালেদা জিয়ার মরদেহ নেওয়া হয়।
গুলশানের বাসভবনে স্বজনরা খালেদা জিয়াকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে আসছেন। সেখানে তারেক রহমানের পাশে মেয়ে জাইমা রহমান, স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ দলের নেতাদেরও দেখা যায়।
বুধবার সকাল ৯টার একটু আগে লাল-সবুজের পতাকায় মোড়ানো একটি গাড়িতে করে ঢাকার এভার কেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের উদ্দেশে বের করা হয় তার মরদেহ।
বান্দরবানের সীমান্তবর্তী নাইক্ষ্যংছড়ি থানা পরিদর্শন করেছেন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স) মো. নাজমুল হক। পরিদর্শনকালে তিনি মাদক চোরাচালান প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং পুলিশি কার্যক্রম আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে থানার কর্মকর্তা ও ফোর্সদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন।
সোমবার (২২ জুন) সকাল ১১টায় তিনি থানায় পৌঁছালে বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওয়াহাবুল ইসলাম খন্দকার এবং নাইক্ষ্যংছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোজাম্মেল হক তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
পরে থানায় আয়োজিত মতবিনিময় সভায় অতিরিক্ত ডিআইজি সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “জনগণের আস্থা অর্জন, অপরাধ দমন এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারে পুলিশ সদস্যদের আন্তরিকতার সাথে কাজ করতে হবে।
সভায় বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওয়াহাবুল ইসলাম খন্দকার উপজেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সীমান্ত এলাকায় চলমান মাদকবিরোধী অভিযান এবং থানার বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অতিরিক্ত ডিআইজিকে অবহিত করেন।
পরিদর্শন শেষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নাইক্ষ্যংছড়ি থানার বিভিন্ন শাখার কার্যক্রম পর্যালোচনা করেন এবং ওসি মোজাম্মেল হকসহ কর্মরত পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। পুলিশি কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, জনমুখী ও সেবাধর্মী করতে তাঁরা সংশ্লিষ্টদের নানা পরামর্শ দেন। এরপর বিকেল ৩টায় তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি ত্যাগ করে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সম্মানিত পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ ইসরাইল হাওলাদার মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক গাজীপুর মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপ প্রতিরোধে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের মোট ৩৪ জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গত ২১ জুন রবিবার সকাল ০৬:০৫ ঘটিকার সময় জিএমপির সদর থানা ও বাসন সহ সকল থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। এই সময় বাসন থানাধীন মোগরখাল এলাকায় অবস্থিত কলম্বিয়া গার্মেন্টসের সামনে ময়মনসিংহ-ঢাকা মহাসড়কে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, সরকারি কাজে বাধাদান, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর অভিযোগে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী। তারা সংগঠনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঝটিকা মিছিল বের করে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করে। এর প্রেক্ষিতে জিএমপির বিভিন্ন থানা এলাকায় সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করে তাদের আইনের আওতায় আনা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বাসন থানা ও সদর থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা করে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সন্ত্রাস ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় মাদক বিক্রির অভিযোগে এক দম্পতি ও তাদের ছেলেকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা। শনিবার (২০ জুন) বিকেলে উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের বেলঘড়িয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
আটককৃতরা হলেন, মো: জসিম (৬০), তার স্ত্রী জোসনা বেগম (৪৮) এবং তাদের ছেলে কষ্ট (৩০)। এ সময় জীবন নামে তাদের আরেক স্বজন কৌশলে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, অভিযুক্ত জসিম ও তার পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করে আসছিল। মাদক বিক্রির প্রতিবাদে প্রায় ১০ দিন আগে তাদের সতর্ক করা হয়েছিল। এরপরও শুক্রবার রাতে এলাকায় মাদকসেবীদের মাতলামি বেড়ে গেলে শনিবার বিকেলে স্থানীয়রা ওই বাড়িতে গিয়ে প্রতিবাদ জানান। এ সময় বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে অভিযুক্তরা এক নারী নেত্রীকে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে এলাকাবাসী ও বিএনপির নেতা-কর্মীরা তিনজনকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়।
উপজেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ ও পৌর মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রিচি বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তল্লাশি চালিয়ে কিছু দেশীয় অস্ত্র, গাঁজা ও মাদক সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করে। পরে এলাকাবাসী আটককৃতদের পুলিশের হাতে তুলে দেয়। স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত জসিম ও জোসনা এর আগেও মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।
এব্যাপারে বগুড়ার শেরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সুব্রত কুমার জানান, “তিনজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে কিছু মাদক ও আলামত জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।