শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন

শ্রীপুরে কাজের মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার পায়তারা
স্টাফ রিপোর্টার / ৫৬২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২০

Views: 0

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

গাজীপুর শ্রীপুরে ২ নং গাজীপুর ইউনিয়নের গাজীপুর গ্রামের কাজের মেয়ে মোছাঃ জিমি (১৫) কে গজারীবনের মধ্যে ফুসলিয়ে নিয়ে ধর্ষন করেছেন আলমগীর হোসেন বাঘা (৩৫)।

সরেজমিনে গিয়ে জানাযায় গাজীপুর বাজারের উত্তর পাশে ব্যানচালক জৈনুউদ্দিনের মেয়ে জিমি আক্তার (১৫) কে সংসারের অভাব অনটন থাকায় একই গ্রামের নুরুল ইসলাম বাঘার বাসায় কাজ করতে দেন। সংসারে অভাব অনটন থাকায় দুই হাজার টাকা বেতনে ১১ মাস যাবৎ জিমি আক্তার এই বাড়িতে কাজ করে আসছেন বলে জানায়। নুরুল ইসলাম বাঘার বাড়ীতে কাজ করার সুবাদে পাশের বাড়ীর নাজিম উদ্দীন বাঘার ছেলে প্রবাসী সিংগাপুর ফেরত ছুটিতে থাকা আলমগীর হোসেন বাঘা (৩৫) চাচার বাড়ী ফাঁকা পেয়ে পূর্বেও একাধিক বার ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে বলে জানান ধর্ষিতা জিমি ।

অভিযোগ সূত্র জানা যায়, গত ২৪ তারিখ অনুমান সন্ধ্যা ৭ টার দিকে জিমি আক্তার কাজ শেষে নিজ বাড়িতে চলে যায়,বাড়ীতে গিয়ে তালা লাগানো দেখে আবার নিজ কর্মস্থলে ফিরে আসার পথে আলমগীর সাথে দেখা হয়। আলমগীর নিজ মোটরসাইকেলে তুলে তার চাচা নুরুল ইসলাম বাড়ীতে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে,জনৈক মফিজ উদ্দিন চেয়ারম্যান বাড়ীর পাশে গজারীবনে নিয়ে জোরপূর্বক রাতের আঁধারে একাধিক বার ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর ধর্ষিতাকে বনের মধ্যে ফেলে রেখে বাড়ী ফিরে আসেন আলমগীর বাঘা। অজ্ঞান অবস্থায় সারারাত বনের ভিতরে রাস্তার পাশে পড়ে থাকতে দেখে,সকাল বেলায় এলাকার লোকজন জিমির পরিবারের সদস্যদের খবর দেন।

ধর্ষিতার পরিবার ঘটনাস্থল থেকে জিমিকে উদ্ধার করে বাড়ীতে নিয়ে আসেন। পড়ে ধর্ষিতা তাঁর পরিবারের সদস্যদের সাথে বিস্তারিত ঘটনা খুলে বলেন।

গোপন সূত্রে জানা যায়,ধর্ষিতা জিমির বাবা ব্যানচালক জৈনুউদ্দিন শ্রীপুর মডেল থানায় বাদী হয়ে অভিযোগ করতে গেলে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে জানাযায়। এই বিষয়ে শ্রীপুর মডেল থানার ডিউটি অফিসার জানান এই ধরনের কোন অভিযোগ আমরা পাইনি,যদি কেউ অভিযোগ দায়ের করেন তাহলে আমরা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্হা গ্রহন করবো।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ধর্ষিতার বাবা জৈনুউদ্দিন মুঠোফোনে জানান,আমাকে এলাকার মাতব্বরা আপোষ মিমাংসা করে দেওয়ার কথা বলে থানা থেকে নিয়ে আসেন।ধর্ষিতার বাবা আপোষ মিমাংসার জন্য ১ লক্ষ টাকা দাবি করলে বিবাদী আলমগীর বাঘার পক্ষ থেকে ৭০ হাজার টাকার প্রস্তাব দেন। বিবাদী আলমগীর বাঘার পরিবার এই ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও
Popular Post
Last Update