Views: 0
মোঃ আব্দুল বাতেন( বাচ্চু), নিজস্ব প্রতিবেদক:
গাজীপুরের শ্রীপুরে সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুকের মাধ্যমে প্রথমে বন্ধুত্ব তারপর প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিয়ে, অতঃপর প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে নওগাঁ জেলা পুশরা থানার পারিলা গ্রামের মোঃ আমত আলীর ছেলে আক্তার হোসেন (২৫) নামে এক ছেলের বিরুদ্ধে।
শামসুননাহারের গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের মঙ্গলবাড়ীয়া গ্রামের মোঃ জামান মিয়ার মেয়ে। যানা যায় বিয়ের পর মাওনা চৌরাস্তা চন্ন পাড়া শাহাবুদ্দিন এর ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়,গত ৪ বছর আগে ফেসবুকে প্রেমের সূত্র ধরে গত ০৪ অক্টোবর শ্রীপুরের মাওনা চৌরাস্তা কাজী অফিসে গিয়ে আক্তার হোসেন ও শামসুন্নাহার রেজিস্টি কাবিন মুলে বিয়ে সম্পুন করেন। ১ বছর ১ মাস সুখে দাম্পত্য জীবন কাটানোর পর হঠাৎ করে শামসুন্নাহারের নগদ ১ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায় স্বামি নওগার জেলার আক্তার হোসেন। বিভিন্ন স্থানে খোঁজা খুজির পর কোথাও না পেয়ে অবশেষে শামসুন্নাহার জানতে পারেন তার স্বামী আক্তার হোসেন তার নিজ বাড়িতে পারিলা গ্রামে আছেন। পরে স্বামীকে ফিরিয়ে আনতে সেখানে গেলে তার সাথে আসতে অস্বীকৃতি জানান এবং ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবী করেন।
শামসুন্নাহার যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মারধর করে শামসুন্নাহারকে নানা হুমকি প্রধান করেন। ঐ এলাকায় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে বিচার প্রার্থী হলে বিচার না পেয়ে অবশেষে শামসুন্নাহার স্বামীকে ফিরে পেতে গাজীপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ অতিরিক্ত চিপ জুটিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গাজীপুর- সি আর মামলা নং ২০ ধারা ২০/১৮ সনের যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামি আক্তার হোসেন পলাতক রয়েছেন।
অবশেষে দীর্ঘ ৮ মাস পর নওগা জেলার পোশরা মডেল থানায় গ্রেফতার হয়েছেন যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী আক্তার হোসেন।
পোশরা মডেল থানার এ এস আই মোঃ বেলাল হোসেন জানান, পোপন সংবাদের বৃত্তিতে ১৬ আগষ্ট রবিবার তার নিজ ভাড়ী থেকে আটক করেছি। এবং ১৭ আগষ্ট সোমবার আসামীকে বিজ্ঞ আদালত প্রেরণ হয়।