Views: 3
সিটি উত্তর ঢাকাঃরাজধানী ঢাকার তুরাগ থানার নলভোগ পূর্ব পাড়ায় অরক্ষিত নির্মানাধীন ভবনের ছাদ থেকে মাথায় রড পড়ে নির্মান শ্রমিক নিহতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানাগেছে।
নিহত শ্রমিকের নাম মো. হেলাল হোসেন(১৮)। হেলালের গ্রামের বাড়ি বরিশালের মনপুরা উপজেলার চরগোলিয়া গ্রামে।
হেলালের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নিহত হেলাল হোসেন উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর সংলগ্ন তুরাগ থানার নলভোগ এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের পাশে একটি মেসে থাকতেন। তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ।
মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে
সরেজমিন ঘুরে জানাগেছে, রুপ মিয়ার তত্বাবধানে কয়েকজন মিলে ১০তলা ভবন তৈরির কাজ করছে,এলাকাবাসীর অভিযোগ ভবন নির্মাণে মানা হয়নি বিল্ডিংকোডের নিয়ম কানুন,বহুতল ভবন নির্মাণে সেফটি টার্চ দেওয়ার নিয়ম থাকলেও কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই,শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না করেই চালিয়ে যাচ্ছে বহুতল ভবনের কাজ,যার কারনেই আজ শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে বলে জানায় এলাকার বাসিন্দারা।বিষয়টি টাকা পয়সা দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী,তাদের দাবি রাজউক কর্তৃপক্ষ যেন দেখেও দেখেনা,টাকা খেয়ে তারা চলে যায় নিয়মকানুন বলে কিছুই যেন মানা হচ্ছেনা নির্মাণ কাজে
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া।
নিহতের বড় ভাই বেল্লাল হোসেন বলেন, এই ভবনে আমরা দুই ভাই কাজ করি। হেলাল দ্বিতীয় তলার ছাদে রড উঠানোর কাজ করছিল। এ সময় উপর থেকে একটি রড তার মাথার ওপর পরে। আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, মৃতদেহটি হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি তুরাগ থানায় অবগত করা হয়েছে।
এবিষয়ে ভবন মালিক রুপ মিয়াকে মুঠোফোনে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিন বলেন আমি নারায়ণগঞ্জ আসছি আমি শুনেছি দুর্গটনার খবর বলেছি হসপিটালে নিয়ে যেতে,আমি বিস্তারিত আপনাকে পরে জানাচ্ছি বলে ফোন কেটে দেয়, এরপর থেকে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে,
তুরাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা আনোয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,ভাই আমরা টিম পাঠিয়েছি তাদের রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।