সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন

নরসিংদীতে হাসপাতাল বানিজ্যে ওয়ার্ড বয় থেকে কোটিপতি আলী হোসেন
স্টাফ রিপোর্টার / ৫০৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট বুধবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২০

Views: 2

 নিজস্ব প্রতিবেদক

এ যেন রুপকথার গল্প কেও হার মানায় সামান্য হাসপাতাল ওয়ার্ড বয় থেকে কয়েকটি নাম বেনামী হাসপাতালের চেয়ারম্যান বনে যাওয়া আলী হোসেন খানের গল্প কে। নরসিংদী শিবপুর উপজেলার ঘুসু গ্রামের বজলুর রহমান খাঁনের ছেলে আলী হোসেন খাঁনের হাসপাতালের কর্ম জিবন শুরু হয় ২০১২ সালে শিবপুর জেনারেল হসপিটালে।তারপর সেখানে বেশ কিছু দিন কাজ করার পর ওয়ার্ড মাস্টার পদে পদোন্নতি পায়।তার পরবর্তী ২০১৪ সাল পর্যন্ত শরীয়তপুরের একটি হাসপাতালে এক্সরে টেকনিশিয়ান হিসাবে কাজ করে।

পরবর্তী সময়ে শরীয়তপুর থেকে ফিরে ২০১৫ সালের বেশ কিছুটা সময় নরসিংদী আল ফালহা হাসপাতালে এক্সরে টেকনিশিয়ান হিসাবে কাজ করে। দীর্ঘ সময় হাসপাতাল লাইনে কাজ করার সুবাদে এবং হাসপাতাল পরিচালনার কর্মকান্ড নখদর্পনে থাকার কারনে আলী হোসেন নিজেই শুরু করেন হাসপাতাল বানিজ্য। নিজেই বনে যান নামে বেনামে চালু করা কয়েকটি হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।

হাসপাতালের পার্টনারদের থেকে শেয়ার বিক্রির টাকা আত্মসাৎ করে অল্প সময়ে বনে যান কোটিপতি।আলী হোসেনের বিরুদ্ধে শিবপুর ডায়বেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালের শেয়ার হোল্ডারদের অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ এর লিখিত অভিযোগ নরসিংদী সিভিল সার্জন বরাবর দাখিল করা হয়েছে।

shodagor.com এছাড়াও আলী হোসেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমতিবিহীন এবং বারডেম এর অনুমোদন ছাড়া বিভিন্ন হাসপাতাল পরিচালনা ও ডায়বেটিক সমিতির কার্যক্রম পরিচালনার বিস্তর অভিযোগ রয়েছে। গত ১৬ই ডিসেম্বর নরসিংদীর মনোহরদী বাসস্ট্যান্ডে মনোহরদী ডায়বেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতাল উদ্বোধন করেন আলী হোসেন। সরজমিনে মনোহরদী ডায়বেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় সিভিল সার্জন অফিসের এর অনুমতি না নিয়েই হাসপাতাল শুধু পরিচালনা নয় অস্ত্রোপচার ও চলছে।এমনকি হসপিটালে বারডেম এর অনুমোদন নেই।

এই ব্যাপারে মনোহরদী ডায়বেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালের চেয়ারম্যান আলী হোসেনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘হাসপাতাল লাইসেন্স এর জন্য বিভিন্ন দপ্তরে কাগজ জমা দেওয়া হয়েছে লাইসেন্স এর কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে।

লাইসেন্স না পেয়ে হসপিটাল পরিচালনার ঠিক কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি আর এই কোন কথা বলতে রাজি না বলে জানিয়ে দেন।’ এই ব্যাপারে নরসিংদী সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তা সরোয়ার হাসান বুলবুল বলেন, ‘মনোহরদী ডায়বেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালের কোন অনুমোদন প্রদান করে নাই সিভিল সার্জন অফিস আর অনুমোদন ছাড়া হাসপাতাল পরিচালনা এবং অস্ত্রোপচার করে থাকলে মনোহরদী ডায়বেটিক এন্ড জেনারেল হাসপাতালের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও
Popular Post
Last Update