ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা গড়েয়া ইউনিয়ন মিলনপুর গ্রামের রাস্তাটি ব্যক্তিগত উদ্যোগে মেরামত করে দিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক আব্দুর রউফ।এর আগেও তিনি এই রাস্তাটি কয়েকবার মেরামত করে দিয়েছিলেন।
ইউনিয়নের অন্যান্য রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হলেও এখনো উন্নয়ন হয়নি এই রাস্তাটির। গ্রাম থেকে বাজারে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা এটি। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রী যাতায়েত করে।রাস্তাটি নিয়ে বিপাকে পড়েছিলো সাধারণ কৃষকেরা,কারন কৃষক কষ্ট করে ফসল উৎপাদন করেও রাস্তায় জন্য বাজারে ধান বিক্রির জন্য নিতে পারতো না।চরম কষ্টে দিন পার করতো এই এলাকায় কৃষক।
এই রাস্তাটি নিয়ে বিপাকে পড়েছিলো স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীরা। রাস্তাটি গ্রীষ্মকাল ও বর্ষাকালে সামান্য বৃষ্টি হলেই এক হাটু কাদা জমে। তখন যানবাহন তো দূরের কথা, হেঁটে চলাচলও বিপদজ্জনক হয়ে পড়ে। যা প্রতিনিয়ত সৃষ্টি করছে জনদুর্ভোগের। রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় কয়েক হাজার মানুষ যাতায়াত করে।
মিলনপুরে বিশিষ্ট সমাজ সেবক আব্দুর রউফ বলেন, গ্রামের মানুষের চলাচলের কষ্ট ও দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে আমি এ গ্রামের সন্তান হিসেবে আমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে যতটুকু সম্ভব মেরামত করে দিয়েছি।
গড়েয়া ইউনিয়নের প্রশাসক শ্রী দেব নাথ বলেন, রাস্তাটির পাকার করণের কাজ চলমান, আশা করি দ্রুত কাজটি শেষ হবে ও মানুষের কষ্ট দুর হবে।
তবে কেউ যদি নিজ ইচ্ছায় সাময়িক সংস্কার করে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে এগিয়ে আসে সেক্ষেত্রে আমরা এমন মহৎ উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।
উল্লেখ্য, এ রাস্তাটি দিয়ে দুইটি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও একটি হাই স্কুলের শিক্ষার্থীরা আসা যাওয়া করে। রাস্তাটিই এ এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়াতের একমাত্র পথ। গ্রীষ্মকাল এবং বর্ষাকালে শিক্ষার্থীদের কষ্টে সীমা থাকে না। এ রাস্তায় চলাচলের বাধা একটাই এর বেহাল দশা।
হাড়ীপুকুর হতে হাটপুকুর হাট হয়ে গোলিমবাবু হাট পর্যন্ত রাস্তাটি পাকার কাজ দ্রুত শেষ হলে এ এলাকার মানুষের কষ্ট দূর হবে। কৃষক ও শিক্ষার্থী এবং ব্যাবসায়ীদের দিকে তাকিয়ে রাস্তাটির পাকার কাজ দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী।