বোনকে ইভটিজারের হাত থেকে রক্ষা করতে ভাই প্রতিবাদ করায় ইভটিজারের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত ভাই রাখাল বর্মন। দীর্ঘদিন নেত্রকোণা ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করার একপর্যায়ে অর্থের অভাবে বর্তমানে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেছে। অন্যদিকে মামলার আসামীরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় দিচ্ছে নানা ধরনের হুমকি ধামকি,এতে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে অসহায় জেলে পরিবারটি।
মামলা সূত্রে জানা যায় নেত্রকোণা খালিয়াজুরী উপজেলার চাকুয়া গ্রামের টুলু বর্মনের কিশোরী মেয়ে লক্ষী রানী বর্মনকে দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের সাগর দাস ও তার সহযোগীরা উত্যক্ত করে আসছিল।
লক্ষী রানীর ভাই রাখাল বর্মন উত্যক্তকারীদের নিষেধ করলে সাগর দাস ও তার সহযোগীরা ক্ষিপ্ত হয়ে চাকুয়া গোবিন্দ মন্দিরের পিছনের মাঠে ডেকে নিয়ে (৪ ডিসেম্বর ২০২৩) ছুরিকাহত করে।এতে গুরুতর আহত রাখাল বর্মনকে নেত্রকোণা ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। এবং এবিষয়ে নেত্রকোণা আদালতে মামলা করেছে আহত রাখাল বর্মনের মা দীপালী বর্মন।
অর্থের অভাবে রাখালের চিকিৎসা বন্ধ করে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসার পর থেকেই আসামি পক্ষের লোকজন মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিচ্ছে বলে জানিয়ে মামলার বাদি দীপালী বর্মন ও তার পরিবার। এতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন অসহায় এ জেলে পরিবারটি।
এবিষয়ে দীপালী বর্মন জানান আসামীরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় তারা আমি ও আমার পরিবারকে নানাভাবে মামলা তুলেনিতে হুমকি দিচ্ছে। তারা যেকোনো সময় আমি ও আমার পরিবারের লোকজনের উপর হামলা করতে পারে।এতে আমরা চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছি।
এবিষয়ে আসামি সাগর দাসের সাথে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।আসামি সাগর দাসের বাবা ব্রজেন্দ্র দাস জানান আমরা মামলার বাদিকে কখনো হুমকি দেইনাই বা ভবিষ্যতে আমরা এধরনের কোন কিছু করব না।আমার ছেলের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে সেটার বিচার আদালত করবে।আমরা এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখব।