শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শিরোনাম:
বেহেশতের টিকিট বিক্রির নামে অপশক্তির তৎপরতা রুখে দিনঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে মাঠে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানশহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আগামীকালতারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও বাংলাদেশের সমৃদ্ধি কামনা করলেন মোদিফ্রিজভর্তি কুরবানির গোশত বনাম প্রতিবেশীর শূন্য থালা: আমাদের ইবাদত কতটা খাঁটি?পবিত্র ঈদুল আযহায় বাবা-মা ও ভাইয়ের কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানরোহিঙ্গা ক্যাম্পে কোরবানির মাংস বরাদ্দ: স্থানীয়দের ২৫% হিস্যার তালিকা প্রকাশের দাবিতে জেলা প্রশাসককে  আবেদন।অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও স্পষ্টীকরণউখিয়ায় ধ/র্ষ/ণের বিরুদ্ধে তরুণ সমাজের জাগরণ শীর্ষক প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিতউখিয়ার পালংখালীতে আধুনিক ও মানসম্মত ‘স্বপ্নঘর ফার্নিচার ও ক্রোকারিজ মার্ট’-এর শুভ উদ্বোধন।গাজীপুরে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস পালিতবিরুলিয়াবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা ইউপি সদস্য আপেল দেওয়ানেরটেকনাফে র‌্যাবের অভিযান: মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশ্যে অপহৃত ৬ ভিকটিম উদ্ধার, মায়ানমার মুদ্রাসহ নারী পাচারকারী গ্রেফতারউখিয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য তৈরির অভিযোগ।টেকনাফে ৯ বছরের শিশুকে ধ/র্ষ/ণ: প্রধান আসামি নবী হোছন চট্টগ্রামে গ্রেফতার।

শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আগামীকাল

বিশেষ সংবাদদাতা, ঢাকা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ৬:২০ অপরাহ্ণ
শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আগামীকাল
৭৬

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আগামীকাল। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাতবরণ করেন বহুদলীয় গণতন্ত্রের এই প্রবক্তা। প্রতি বছর এই দিনটি জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী হিসেবে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন ছাড়াও দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালন করে আসছে। কালজয়ী এই নেতার ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী দেশজুড়ে বিশেষ ও বিস্তৃত কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হচ্ছে এবং দলীয় সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন জাতীয় সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। আগামীকাল ৩০ মে শনিবার ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সকল স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে। একই দিন সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শেরেবাংলা নগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে এক বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

দিবসটি উপলক্ষে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় এবং দেশের অন্যান্য ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে কাপড়, চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। একইভাবে দেশের সব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য স্থানীয় ইউনিটেও ৩০ মে ভোর ৬টায় দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে এবং স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হবে। এর পরদিন অর্থাৎ ৩১ মে রোববার বেলা ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির কেন্দ্রীয় উদ্যোগে এক বিশাল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়, যিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে সম্মুখ সমরে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনি বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন, যার কারণে তাঁকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত সার্ক (SAARC) প্রতিষ্ঠারও প্রধান স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তিনি। জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করে যাওয়া এই নেতার দল বিএনপি গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা লাভ করে। শহীদ জিয়াউর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র তারেক রহমান বর্তমানে বিএনপির চেয়ারম্যান এবং নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের মানুষের বিপুল আস্থা ও সমর্থন নিয়ে এবারসহ বিএনপি এ পর্যন্ত পাঁচবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী কেবল একটি স্মরণসভা নয়, বরং এটি তাঁর আদর্শ ও দর্শনে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নতুন করে উজ্জীবিত করার দিন। ৮ দিনব্যাপী এই কর্মসূচি দেশজুড়ে অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে উদযাপিত হচ্ছে, যা তাঁর কালজয়ী দর্শনের প্রতি জনগণের গভীর ভালোবাসারই বহিঃপ্রকাশ।

Polls

আজকের প্রশ্ন

আপনি বাংলা নিউজ টিভির পেইজে লাইক ফলো দিয়েছেন কি?

View Results

Loading ... Loading ...

ঝিনাইদহে আইনমন্ত্রী:

বেহেশতের টিকিট বিক্রির নামে অপশক্তির তৎপরতা রুখে দিন

বিশেষ সংবাদদাতা, ঝিনাইদহ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ৮:৪৪ অপরাহ্ণ
বেহেশতের টিকিট বিক্রির নামে অপশক্তির তৎপরতা রুখে দিন

একটি অপশক্তি ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে ‘বেহেশতের টিকিট’ বিক্রির নামে সুকৌশলে অপতৎপরতা ও চক্রান্ত চালাচ্ছে বলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। এই ধরনের চরম বিভ্রান্তিকর ও সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে দ্রুত জনসচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন তিনি। আজ শুক্রবার (২৯ মে) ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শেখপাড়া দুঃখী মাহমুদ ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান তাঁর বক্তব্যে স্থানীয় ও জাতীয় প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, শৈলকুপার এই শান্তিপ্রিয় অঙ্গনে একটি নির্দিষ্ট অপশক্তি ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে বেহেশতের টিকিট বিক্রির নামে অপতৎপরতা চালাচ্ছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তিনি উপস্থিত সুধীসমাজ ও তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে বলেন, বেহেশতের টিকিট বিক্রি করার মনগড়া ও ভিত্তিহীন উদ্যোগ যে বা যারা নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছেন, সেই জায়গাটিতে আপনাদের কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এই বিভ্রান্তি দূর করতে আপনারা সামাজিক স্তরে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করে এই অঞ্চলকে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও প্রগতিশীল আবাসভূমি হিসেবে গড়ে তোলায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবেন বলে আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি। এই অপশক্তি দমনের লড়াইয়ে আমি সবসময় আপনাদের সঙ্গে থাকব এবং পাশে থাকব।

উক্ত কলেজের একজন সাবেক ছাত্র হিসেবে নিজের আবেগ ও স্মৃতিকাতরতা প্রকাশ করে আইনমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এই বিদ্যাপীঠের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে আপনাদের প্রতি আমার অত্যন্ত বিনীত ও জোরালো অনুরোধ, আপনারা সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বশীল হয়ে সচেতন হোন। বর্তমান সময়ে মৌলবাদ ও মাদকের মরণব্যাধি গ্রাস থেকে আমাদের সমাজকে চিরতরে রক্ষা করতে আপনারাই আমার মূল শক্তি এবং আপনারাই আমার পথচলার অন্যতম প্রধান সারথি। তরুণ সমাজ যদি এই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়, তবে কোনো অপশক্তিই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না।

শৈলকুপার শেখপাড়া দুঃখী মাহমুদ ডিগ্রি কলেজের এই ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানটি সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের পর স্থানীয় সচেতন মহলের মাঝে নতুন উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক এই ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিদের পাশাপাশি স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীসহ কলেজের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন এবং মন্ত্রীর সামাজিক সচেতনতামূলক আহ্বানের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করেন।

ধর্মকে ব্যবহার করে যারা সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনমন্ত্রীর এই সতর্কবার্তা অত্যন্ত সময়োপযোগী। শৈলকুপা তথা দেশবাসীকে মৌলবাদ ও মাদকের ছোবল থেকে রক্ষা করতে হলে মন্ত্রীর আহ্বান অনুযায়ী সর্বস্তরের জনগণের ঐক্যবদ্ধ সামাজিক সচেতনতা ও প্রতিরোধ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি।

ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে মাঠে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিশেষ সংবাদদাতা, ঢাকা প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৯ মে, ২০২৬, ৮:১৮ অপরাহ্ণ
ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শনে মাঠে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পবিত্র ঈদুল আজহা পরবর্তী রাজধানী ঢাকার কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতি স্বচক্ষে পর্যবেক্ষণ করতে মাঠে নেমেছেন স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শুক্রবার বিকেল থেকে তিনি রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করতে বিভিন্ন স্পট ঘুরে দেখছেন। আজ শুক্রবার বিকেল ৪টা থেকে প্রধানমন্ত্রী নিজেই ব্যক্তিগত গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন রুট ও সড়কসমূহ ঘুরে দেখছেন বলে গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।

প্রধানমন্ত্রীর এই ঝটিকা পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য হলো কোরবানির বর্জ্য দ্রুত এবং যথাযথ প্রক্রিয়ায় অপসারণ করা হচ্ছে কিনা তা সরাসরি নিশ্চিত করা। উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দিয়ে বলেন, ‘রাজধানীর কোরবানির বর্জ্য অপসারণ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে ও দ্রুততার সাথে সম্পন্ন হচ্ছে কিনা, তা সশরীরে দেখতেই আজ বিকেলে বেরিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কোনো ধরনের রাষ্ট্রীয় প্রটোকল বা আড়ম্বর ছাড়া তিনি নিজেই তাঁর গাড়ি চালিয়ে ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুট ঘুরে দেখছেন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের খোঁজখবর নিচ্ছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের রুট প্ল্যান সম্পর্কে উপ-প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী তাঁর নিজস্ব গাড়ি নিয়ে গুলশান এভিনিউর বাসভবন থেকে বের হন। এরপর গুলশান-১ নম্বর সড়ক হয়ে হাতিরঝিল, রামপুরা রোড এবং মালিবাগের আবুল হোটেল মোড় অতিক্রম করেন। সেখান থেকে খিলগাঁও তালতলা মার্কেট হয়ে বাসাবো সড়ক পথে অগ্রসর হচ্ছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর এই ঝটিকা সফর ও নিজেই গাড়ি চালিয়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম তদারকির বিষয়টি রাজধানীর সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।

জাহিদুল ইসলাম রনি আরও জানান, বাসাবো সড়ক পথ পেরিয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি ক্রমান্বয়ে কমলাপুর স্টেডিয়াম, সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে বাম দিকে মোড় নিয়ে যাত্রাবাড়ী মোড় হয়ে ধোলাইখাল সড়ক প্রদক্ষিণ করবে। এরপর শহীদ ফারুক সড়ক, দয়াগঞ্জ সড়ক দিয়ে ঐতিহ্যবাহী নারিন্দা হয়ে রায়সাহেব বাজার মোড় পৌঁছাবে। সেখান থেকে আদালত সড়ক হয়ে নয়া বাজার, বংশাল রোড হয়ে গুলিস্তান, শাহবাগ মোড়, এলিফ্যান্ট রোড এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরের রাস্তা দিয়ে নিউমার্কেট হয়ে সায়েন্স ল্যাবরেটরির দিকে এগোবে। সায়েন্স ল্যাবরেটরি থেকে ডান দিকে কলাবাগান, মিরপুর রোড ও সিটি কলেজের সামনে দিয়ে সীমান্ত স্কয়ার হয়ে জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড, ২৭ নম্বর সড়ক এবং মানিক মিয়া এভিনিউ হয়ে মহাখালী সড়ক প্রদক্ষিণ করার কথা রয়েছে এই উপ-প্রেস সচিবের দেওয়া বিবরণী অনুযায়ী।

রাজধানীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সরকার প্রধানের এভাবে নিজেই গাড়ি চালিয়ে বিভিন্ন স্পট পরিদর্শন করার ঘটনাটি প্রশাসনের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কাজের গতি বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। প্রধানমন্ত্রীর এই নিবিড় তদারকি ঢাকাবাসীকে একটি পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত পরিবেশ উপহার দিতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও বাংলাদেশের সমৃদ্ধি কামনা করলেন মোদি

বিশেষ সংবাদদাতা, ঢাকা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬, ৫:১৬ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও বাংলাদেশের সমৃদ্ধি কামনা করলেন মোদি

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং দেশের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে পাঠানো এক বিশেষ কূটনৈতিক বার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান জনকল্যাণমুখী ও বহুমুখী সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় ও জোরদার করার বিষয়ে নয়াদিল্লির সুষ্পষ্ট ও দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের বরাত দিয়ে গণমাধ্যমকে জানানো হয় যে, প্রেরিত ওই শুভেচ্ছা বার্তায় নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের ‘ভাতৃপ্রতিম জনগণকে’ ভারতের জনগণ এবং সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। বার্তায় নরেন্দ্র মোদি বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন যে, এই পবিত্র উৎসব ভারতের সমৃদ্ধ, বৈচিত্র্যময় এবং ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভারতের কোটি কোটি মুসলিম সম্প্রদায় অত্যন্ত আনন্দ, উদ্দীপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে প্রতিবছর এই উৎসব উদযাপন করে থাকেন।

তিনি তাঁর বার্তায় আরও উল্লেখ করেন যে, ঈদুল আজহার মূল বাণী মূলত আত্মত্যাগ, গভীর সহানুভূতি ও ভ্রাতৃত্বের শাশ্বত আদর্শকে সমুন্নত রাখে, যা বর্তমান বিশ্বে একটি শান্তিপূর্ণ, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ তথা বিশ্ব গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে তুলে ধরে বলেন, দুই দেশের যৌথ আত্মত্যাগ, নিবিড় সাংস্কৃতিক মিল এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধির পারস্পরিক আকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে এক গভীর ও অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনমুখী পারস্পরিক সহযোগিতা আরও বেগবান ও জোরদার করতে ভারত সরকার সবসময় বাংলাদেশের নতুন সরকারের সাথে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে গভীরভাবে আগ্রহী। মোদি আরও আশা প্রকাশ করেন যে, দ্বিপাক্ষিক অভিন্ন উন্নয়নের লক্ষ্য এবং দুই দেশের যৌথ কর্মপরিকল্পনা আগামী দিনে উভয় রাষ্ট্রের জনগণের সার্বিক অগ্রগতি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অনন্য অবদান রাখবে। বার্তার শেষাংশে, নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করেন এবং সেই সঙ্গে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণের নিরবচ্ছিন্ন অগ্রগতি, শান্তি ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই আন্তরিক শুভেচ্ছা বার্তা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। দুই দেশের যৌথ উন্নয়ন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।