রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
শিরোনাম:
রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে সংবর্ধনা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতগাজীপুরে গারদখানা থেকে পলাতক ডাকাতি মামলার আসামি সম্রাট র‌্যাবের হাতে গ্রেফতারহাকিমপুরে সবজি সহ নিত্যপন্যের দাম বেড়েছেমশার লার্ভা নিধনই এখন প্রধান কাজ, নতুন দেশীয় প্রযুক্তিতে আশাবাদী স্থানীয় সরকার মন্ত্রীফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা নির্বিঘ্নে পৌঁছে দিতে নির্ভুল তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীরবিশ্বজয় করে স্পেনের পকেটে ৬১৫ কোটি টাকা- প্রাইজমানির নতুন রেকর্ড ২৩তম বিশ্বকাপেনেপালকে হারিয়ে সিরিজে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল, ম্যাচ সেরা খাদিজারানার্সআপ আর্জেন্টিনাকে বীরের সম্মান, খেলোয়াড়দের ফেরার দিনে দেশজুড়ে জাতীয় ছুটি ঘোষণার ঘোষণা২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসের ঐতিহাসিক অর্জন, ঘরে তুলল মর্যাদাপূর্ণ ফেয়ার প্লে ট্রফিহেডলাইন: জিএমপির এলআইসি শাখার বড় সাফল্য, উদ্ধার হওয়া ৫৪টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তরঘোড়াঘাটে বলগাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে ঘিরে তীব্র ক্ষোভ, পাঠদান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধকক্সবাজার সদরের চাঞ্চল্যকর চাঁদাবাজি মামলার প্রধান আসামি সাইফুল্লাহ টেকনাফে গ্রেফতারফুলবাড়ীতে অটোরিকশা ছিনতাইকালে চালককে ছুরিকাঘাতে হ/ত্যা, লুণ্ঠিত গাড়িসহ আটক ১ঘোড়াঘাটে সোলেমান আজাদ গোল্ডকাপ ফুটবলের ফাইনাল সম্পন্ন, চ্যাম্পিয়ন গোবিন্দগঞ্জচকরিয়ায় র‌্যাব-১৫ এর অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি নাছির গ্রেফতার

ক্ষমতার উৎস জনগণ, ৪ কোটি পরিবারে যাবে ফ্যামিলি কার্ড: গৌরনদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিশেষ সংবাদদাতা, বরিশাল প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬, ২:১৫ অপরাহ্ণ
ক্ষমতার উৎস জনগণ, ৪ কোটি পরিবারে যাবে ফ্যামিলি কার্ড: গৌরনদীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বরিশালের গৌরনদীর বাটাজোরে ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া নারীদের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং পাশে উপবিষ্ট তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

১০৬

বর্তমান সরকারের সকল রাজনৈতিক ক্ষমতার একমাত্র উৎস হচ্ছে দেশের সাধারণ জনগণ। জনগণের সমর্থন যতক্ষণ থাকবে এবং দেশের মানুষ যতক্ষণ পাশে থাকবে, ততক্ষণ কোনো বাধাই বর্তমান বিএনপি সরকারকে দমাতে পারবে না। আমরা এই প্রিয় দেশটাকে নতুন করে পুনর্গঠন করতে চাই এবং বহুদূর সামনে এগিয়ে নিতে চাই। জনগণকে সঙ্গে নিয়েই এই রাষ্ট্রকে একদিন বিশ্বমঞ্চে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ। আজ সকালে বরিশালের গৌরনদীর বাটাজোর এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড পাওয়া সুবিধাভোগী নারীদের সঙ্গে এক আবেগঘন ও উন্মুক্ত মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।

মতবিনিময় বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সুবিধাভোগী নারীদের অত্যন্ত স্নেহভরে কাছে ডেকে নেন এবং তাদের সার্বিক খোঁজখবর জানতে চান। তিনি সরাসরি নারীদের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘আপনি ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছেন? এই কার্ড নিয়ে আপনার কী কী উপকার হয়েছে?’ প্রধানমন্ত্রীর এমন আন্তরিক প্রশ্নের জবাবে পারুল আখতার নামে এক সাধারণ নারী সাহসের সঙ্গে মঞ্চে গিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘এই কার্ড পেয়ে আমি অনেক উপকার পেয়েছি। আমার সংসারের দীর্ঘদিনের অভাব-অনটন দূর হয়েছে। আমি আশা করি, আগামীতেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের এভাবে সহযোগিতা করে যাবেন এবং আমাদের বিপদে-আপদে সবসময় আমাদের পাশে থাকবেন।’

উপস্থিত নারীদের বক্তব্য শোনার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘এখানে আজ প্রায় ৬০০-এর মতো পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছে। আমি জানি, এলাকায় আরও অনেক পরিবার আছে, যারা এখনও এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আসেনি বা কার্ড পায়নি। তবে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, আগামীতে তারাও এই কার্ড পাবে। দেশের প্রায় ৪ কোটি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ধীরে ধীরে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। আমাদের সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে যে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের সকল পরিবারের কাছে আমরা এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’ তিনি আরও বলেন, আজ মা-বোনদের মুখে শুনলাম যে ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ার পর তাদের সংসারের নিত্যদিনের কাজগুলো গুছানোর জন্য একটু হলেও সুবিধা হয়েছে। আমাদের মূল উদ্দেশ্যই হলো আমাদের মায়েরা যাতে ভালো থাকতে পারেন, দেশের প্রান্তিক মানুষ যাতে একটু হলেও স্বস্তিতে ও শান্তিতে বাস করতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের নারীসমাজের প্রতি বর্তমান বিএনপি সরকারের পাশে থাকার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং দেশের প্রত্যেক মা ও প্রত্যেক নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে সকলের সাহায্য, সমর্থন ও সহযোগিতা বর্তমান সরকারের একান্ত প্রয়োজন। আপনারা সকলে যদি সরকারকে সহযোগিতা করে পাশে থাকেন, তাহলে আমরা আস্তে আস্তে সারাদেশের প্রতিটি কোণায় এই ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে পারব। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, এই ফ্যামিলি কার্ডের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা সমাজে একটি বিরাট পরিবর্তন আনতে সক্ষম হব। এর মাধ্যমে ধীরে ধীরে শিক্ষার আলোয় আলোকিত হবে আমাদের নারীরা, একই সঙ্গে অর্থনৈতিকভাবেও তারা স্বাবলম্বী ও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

দেশের সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে একসঙ্গে মিলেমিশে ভালো থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশের সকল নাগরিক এবং সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে পরম শান্তিতে পথ চলতে চাই। আমরা সবাই ধৈর্যশীল হলে এই বাংলাদেশকে আমাদের প্রত্যাশিত ও স্বপ্নের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে পারব। আমরা মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ বা খ্রিস্টান যে ধর্মের অনুসারীই হই না কেন, আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য হলো সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করা। কাজেই বর্তমান ও ভবিষ্যতেও কোনো ধরনের ধর্মীয় ভেদাভেদ না করেই আমরা চলতে চাই। সবাইকে শুধু মানবিকতার ভিত্তিতে বিচার করে এই দেশকে আমরা পুনর্গঠন করতে চাই।

সবশেষে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের সমাপ্তি টানতে গিয়ে বলেন, আমরা অতীতে একটি কথা সবসময় বলে আসতাম, ‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’। তবে এবার আমি আপনাদের সামনে আরেকটি নতুন কথা বলতে চাই, তা হলো—‘করব কাজ, গড়ব দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’। আগামী দিনে দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে একটু ভালো থাকতে পারে, সবাই যাতে একটু ভালোভাবে ও মর্যাদার সাথে চলতে পারে, সেটিই হচ্ছে বর্তমান সরকারের মূল রাজনীতি এবং আমাদের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সাথে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনসহ স্থানীয় ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। গৌরনদীর এই মতবিনিময় সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন, যেখানে তিনি ত্রিশ গোডাউনের বধ্যভূমি-সংলগ্ন সাগরদী খালপাড়ে একটি বিশেষ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।

গৌরনদীর বাটাজোরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফর ও ৪ কোটি নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয় দেশের প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক মুক্তির ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক। সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ‘সবার জন্য বাংলাদেশ’ গড়ার এই রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দেশের সার্বিক পুনর্গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

Download Photocard

Polls

আজকের প্রশ্ন

আপনি বাংলা নিউজ টিভির পেইজে লাইক ফলো দিয়েছেন কি?

View Results

Loading ... Loading ...

রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে সংবর্ধনা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

রুবেল সরকার, রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে সংবর্ধনা, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে সংবর্ধনা জানিয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকেল ৪টায় মোহনপুর উপজেলা চত্বরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

​অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামিমুল ইসলাম মুন। সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আর রশিদ এবং সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক কাজিম উদ্দিন।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের আত্মত্যাগের আদর্শ বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

​অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন:
​জেলা ও স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ: জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মোজাদ্দেদ জামানি সুমন, নওহাটা পৌরসভার সাবেক মেয়র মকবুল হোসেন, মোহনপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস সামাদ, উপজেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক বাচ্চু রহমান।
​সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ: কৃষক দলের সভাপতি গোলাম মোস্তফা বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক এস এম মতিউর রহমান; স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ডাবলু সরকার, যুগ্ম আহ্বায়ক মাহফুজ আলম শিমুল ও হাতেম আলী; শ্রমিক দলের সভাপতি মোজাম্মেল হক, সদস্য সচিব ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল করিম মণ্ডল; যুবনেতা মির্জা শওকত ও নাহিদ পারভেজ হিমু; উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সদস্য সচিব মাহমুদুল হাসান রুবেল ও শাকিবুল হাসান লিটন।

​মহিলা দল: উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি মৌটুসি সুলতানা রুমা, সদস্য সচিব ববিতা খাতুনসহ নেত্রী ও কর্মীবৃন্দ। উল্লেখ্য, মহিলা দলের নেত্রী ও কর্মীদের সরব উপস্থিতি পুরো অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

​ইউনিয়ন ও পৌর বিএনপি: ধুরইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইলিয়াস হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মকলেসুর রহমান; মৌগাছি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুর-এ-আলম সিদ্দিকী মুকুল, সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন; বাকশিমইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলামিন ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল ইসলাম উজ্জ্বল হোসেন; জাহানাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জিল্লুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন; রায়ঘাটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রুস্তম আলী ও সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম; ঘাসিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল মালেক ও সাধারণ সম্পাদক আনসার আলী মীর; কেশরহাট পৌর বিএনপির সভাপতি আলাউদ্দিন আলোসহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী।

​আলোচনা সভা শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত, দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।

গাজীপুরে গারদখানা থেকে পলাতক ডাকাতি মামলার আসামি সম্রাট র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

রাজু হাসান : স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
গাজীপুরে গারদখানা থেকে পলাতক ডাকাতি মামলার আসামি সম্রাট র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

গাজীপুর আদালত প্রাঙ্গণের গারদ খানা থেকে জেল হাজতে প্রেরণ করার সময় পালিয়ে যায় মাদক ও ডাকাতি মামলাসহ -৩২ মামলার আসামি সম্রাট (২৮)। পরে ১২ ঘণ্টার মধ্যে অভিযান চালিয়ে ময়মনসিংহ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

গ্রেপ্তার সম্রাট জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার তাকতাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। সোমবার দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানার কাশর এলাকা থেকে র‌্যাব-১ ও র‌্যাব-১৪-এর যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়।

র‌্যাব-১-এর পোড়াবাড়ী ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার ইফতেখার আহমেদ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ২টার দিকে গাজীপুর আদালতের কোর্ট পুলিশের গারদখানার রিসিভ ডেস্কে সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় সম্রাট সুযোগ বুঝে হ্যান্ডকাফ খুলে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গাজীপুর সদর থানার এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম একটি মামলা দায়ের করেন।

তিনি আরও জানান, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে গাজীপুর সদর থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এর আগে, রোববার রাত প্রায় ৯টার দিকে গাজীপুর মহানগরের কুনিয়া মধ্যপাড়া এলাকার একটি আটতলা ভবনের ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে সম্রাটসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছিল র‌্যাব। এ সময় তার সহযোগী আলামিন ইসলাম (৩৮), শহীদুল ওরফে মনসুর (৪০) এবং মো. আমিন মিয়া (২৮)-কেও আটক করা হয়। মঙ্গলবার(২১ জুলাই) আটককৃত আসামী সম্রাট কে জেল হাযতে পাঠানো হয়েছে।

হাকিমপুরে সবজি সহ নিত্যপন্যের দাম বেড়েছে

নুরুজ্জামান হোসেন হিলি প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
হাকিমপুরে সবজি সহ নিত্যপন্যের দাম বেড়েছে

টানা বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন অঞ্চলে পানি জমে কাঁচাবাজারের সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে হাকিমপুরের বিভিন্ন বাজারে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচামরিচ, বেগুন, শশাসহ বিভিন্ন সবজির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। একই সঙ্গে ডিম ও মুরগির দামও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পেঁয়াজের দামে সামান্য স্বস্তি মিলেছে।

ভারত সীমান্ত ঘেষা বাংলাহিলি খাসমহল হাট ও বাজার, বোয়লদাড় বাজার ও ডাঙ্গাপাড়া রেলবাজার সহ এলাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, টানা বৃষ্টির কারণে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাজারে বেশির ভাগ সবজির দাম বেড়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে গেছে।এ ছাড়া ভারী বৃষ্টিতে অনেক এলাকায় সবজির ক্ষেত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে বাজারে সরবরাহ সংকট আরও বেড়েছে। যদিও ভোক্তাদের অভিযোগ, প্রকৃত সংকটের পাশাপাশি কিছু অসাধু ব্যবসায়ীও পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে অতিরিক্ত দাম নিচ্ছেন।

বর্তমানে হাকিমপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। করলার দাম ১১০ থেকে ১২০ টাকা, পটল ২৫থেকে ৩০ টাকা ঢ্যাঁড়শ ৩০থেকে ৪০ টাকা, ঝিঙা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং শশা ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কয়েক দিন আগের তুলনায় এসব সবজির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।লাউ, যা এক সপ্তাহ আগেও ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এখন বিক্রি হচ্ছে ৪৫থেকে ৫০ টাকায়। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৭০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় পৌঁছেছে। তবে পেঁপের দাম তুলনামূলক কম রয়েছে। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়।হিলি বাজারের সবজি বিক্রেতা বিপ্লব জানান, টানা বৃষ্টির কারণে মোকামে সবজির সরবরাহ কমে গেছে।

পাশাপাশি বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষেতের ক্ষয়ক্ষতির প্রভাবও বাজারে পড়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে দাম ধীরে ধীরে কমতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।ক্রেতাদের অনেকেই বলছেন, সরবরাহ সংকটের পাশাপাশি কিছু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফার জন্য অযৌক্তিকভাবে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। ফলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য দৈনন্দিন বাজার করা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।সবজির পাশাপাশি দেশি রসুনের দামও কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা,আদা ১৩০থেকে ১৪০ টাকা, শুকনা মরিচ ৩০০থেকে ৩৮০ টাকায় তবে দেশি পেঁয়াজের দাম কিছুটা বেড়ে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে প্রায় ১৫ টাকা । পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০টাকায়।

প্রোটিনের অন্যতম সাশ্রয়ী উৎস ব্রয়লার মুরগির দামও কেজিপ্রতি প্রায় ১০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬৫ টাকায়। সোনালি মুরগির দাম রয়েছে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকার মধ্যে। ব্যবসায়ীদের দাবি, বৃষ্টির কারণে খামার থেকে সরবরাহ কমে যাওয়ায় এ মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে।অন্যদিকে ডিমের বাজারে ও নেই স্বস্তি । ফার্মের বাদামি ডিমের প্রতি পাতার(৩০টি) দাম ২০ টাকা বেড়ে বর্তমানে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।