বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পদে মনোনীত হয়েছেন শাহরিয়া ইকবাল জিয়া। তিনি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার আনসার টেপিরবাড়ি গ্রামের সন্তান।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দফতর সম্পাদক মো: শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শাহরিয়া ইকবাল জিয়া কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সদস্য পদ মনোনীত হওয়ায় গাজীপুর জেলা ও শ্রীপুর উপজেলা কৃষকদলের নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দ বিরাজ করছে।
ছাত্রদল থেকে উঠে আসা শাহরিয়া ইকবাল জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে মাওনা চৌরাস্তা আঞ্চলিক শাখা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক, শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য, তেলিহাটি ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক, গাজীপুর জেলা যুবদলের কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক ও তেলিহাটি ইউনিয়ন বিএনপি আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শাহরিয়া ইকবাল জিয়া বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র সম্মানিত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন ও সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল আমার উপর যে দায়িত্ব অর্পণ করেছেন আমি তা যথাযথ ভাবে পালন করবো। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও কৃষকদল বিএনপি’র সকল সদস্যর সাথে কাজ করে যাওয়ার পাশপাশি তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করবো।
ঢাকার সাভার উপজেলার আশুলিয়া এলাকার ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়ম ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীদের দাবি, স্বল্প বেতনের একজন সরকারি কর্মচারী হয়েও তিনি নানা অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে বর্তমানে গোটা এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে এবং সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের কাছে একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রের অভিযোগ অনুযায়ী, ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও সেবা কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই এই ইউপি সচিবের বিরুদ্ধে অনিয়মের পাহাড় জমেছে। নাগরিক সনদ প্রদান, বিভিন্ন সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভাতা কার্যক্রম এবং অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক সেবায় সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন অনেকেই। বিশেষ করে সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত অংশ বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা এবং প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড প্রাপ্তির ক্ষেত্রে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয় বলে ভুক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। অনেক ক্ষেত্রে সরকারি তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা বা দ্রুত অনুমোদনের আশ্বাস দিয়ে অবৈধভাবে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার কথাও অভিযোগকারীরা সরাসরি জানিয়েছেন।
এছাড়া জন্ম ও মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ এবং স্থানীয় ব্যবসায়িক ট্রেড লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়াতেও ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, সরকারিভাবে নির্ধারিত ফির তুলনায় কয়েকগুণ বেশি অর্থ অবৈধভাবে আদায় করা হয় এবং এই নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত রফাদফার টাকা না দিলে অনেক সময় সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ফাইল দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখা হয়। এতে সাধারণ নিরীহ মানুষকে দিনের পর দিন চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে বলে তারা মারাত্মক অভিযোগ করেছেন। স্থানীয়রা আরও জানান, এর আগে তেঁতুলজোড়া ইউনিয়নে দায়িত্ব পালনকালেও প্রভাবশালী মহলের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তিনি একটি শক্তিশালী প্রভাববলয় তৈরি করেছিলেন। পরবর্তীতে ধামসোনা ইউনিয়নে যোগদানের পরও সেই পূর্বের ন্যায় প্রভাব বজায় রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে অনেক অসহায় ভুক্তভোগী তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খুলতে বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করতে সাহস পান না বলেও স্থানীয়দের দাবি।
অন্যদিকে তাঁর অর্জিত বিপুল সম্পদ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে নানা কৌতূহল ও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য ও দাবি অনুযায়ী, আশুলিয়ার কাটগড়া বাংলালিংক সড়ক এলাকায় এই ইউপি সচিবের একটি বহুতল ভবন ও সুবিশাল মার্কেট রয়েছে। এছাড়া সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন প্রাইম লোকেশনে তাঁর নামে ও বেনামে বিপুল পরিমাণ জমি, প্লট এবং বিলাসবহুল বাড়ি থাকার কথাও জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে। একজন ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের মাসিক সরকারি মূল বেতন প্রায় ২৪ হাজার ৫০০ টাকা হওয়ায় এই সীমিত আয়ের সঙ্গে তাঁর দৃশ্যমান বিপুল সম্পদের সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাঁর ব্যক্তিগত বাসভবনে সর্বক্ষণিক নিরাপত্তাকর্মীও নিয়োজিত রয়েছে, যার মাসিক বেতনও অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। তবে এই বিপুল সম্পদের বৈধ উৎস সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বা আইনগত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।
আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর সম্পদ যদি তাঁর জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, তাহলে বিষয়টি দ্রুত তদন্তের আওতায় আনা যেতে পারে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন অনুযায়ী এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট অনুসন্ধান ও তদন্ত পরিচালনা করা সম্ভব। অভিযোগ প্রমাণিত হলে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের পাশাপাশি অবৈধভাবে অর্জিত সকল সম্পদ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার সুনির্দিষ্ট আইনি বিধানও রয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) কর্মচারী চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী দুর্নীতি বা অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা ও বরখাস্তের নিয়ম রয়েছে। এলাকার সচেতন নাগরিক ও ভুক্তভোগীরা এই পুরো বিষয়টি নিয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন, যাতে প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা সুনিশ্চিত হয়।
ইউনিয়ন পরিষদ জনগণের সবচেয়ে নিকটবর্তী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এখানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সরকারি সেবার সঙ্গে সাধারণ মানুষের জীবনের প্রত্যাশা জড়িত থাকে। তাই ধামসোনা ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আবুল কালাম আজাদকে ঘিরে ওঠা এসব গুরুতর অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা প্রশাসনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
ঢাকার সাভার উপজেলার ভাকুত্তা ইউনিয়নে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে আবাসিক এলাকা ও কৃষিজমির পাশে অবৈধভাবে পুরাতন ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা উৎপাদনের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ভাকুত্তা ইউনিয়নের আউয়াল মার্কেট এলাকায় গড়ে ওঠা এই কারখানা থেকে নির্গত বিষাক্ত কালো ধোঁয়া ও রাসায়নিক বর্জ্যে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এতে একদিকে যেমন কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কায় তীব্র উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভাকুত্তা আউয়াল মার্কেটের পূর্ব পাশে একটি ইটভাটা সংলগ্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে এই কারখানাটি পরিচালিত হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের নজর এড়িয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পরিত্যক্ত ব্যাটারি সংগ্রহ করে এখানে উচ্চ তাপমাত্রায় পোড়ানো হয় এবং তা থেকে সিসা আলাদা করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় কারখানাটি থেকে প্রতিনিয়ত ঘন কালো ধোঁয়ার পাশাপাশি সিসা ও অ্যাসিড মিশ্রিত ক্ষতিকর রাসায়নিক বর্জ্য নির্গত হচ্ছে, যা আশপাশের পরিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।
কারখানাটির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা। তাদের অভিযোগ, কারখানার বিষাক্ত ধোঁয়া ও রাসায়নিক বর্জ্য আশপাশের বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে ছড়িয়ে পড়ছে। ফলে ফসলের উৎপাদন ও গুণগত মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বাতাসে ভাসমান সিসার কণা ও ক্ষতিকর গ্যাসের প্রভাবে ধানের শীষ ও বিভিন্ন শাকসবজি কালচে হয়ে যাচ্ছে এবং ফসলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে। এতে অনেক কৃষক বড় ধরনের আর্থিক লোকসানের মুখে পড়েছেন।
পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি এই কারখানাটি স্থানীয় জনস্বাস্থ্যের জন্যও বড় ধরনের হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, ব্যাটারি পোড়ানোর সময় বাতাসে ছড়িয়ে পড়া সিসা (Lead) এবং সালফার ডাই-অক্সাইডের মতো উপাদান মানবদেহের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। এসব ক্ষতিকর উপাদানের দীর্ঘমেয়াদি সংস্পর্শে থাকলে: শ্বাসকষ্ট, চর্মরোগ ও ফুসফুসের জটিলতা দেখা দিতে পারে।
কিডনি বিকল হওয়া এবং ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগের ঝুঁকি বাড়ে।
সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু ও গর্ভবতী মায়েরা। এর ফলে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা এবং ফসলি জমির এত কাছে কীভাবে এমন একটি অবৈধ ও পরিবেশদূষণকারী কারখানা দীর্ঘদিন ধরে চলছে, তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে এলাকায় বড় ধরনের পরিবেশগত ও জনস্বাস্থ্য সংকট সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
এই বিষয়ে ভাকুত্তা এলাকার ভুক্তভোগী বাসিন্দা মোঃ সোলায়মান হোসেনসহ স্থানীয় এলাকাবাসী পরিবেশ অধিদপ্তর এবং স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা অবিলম্বে এই অবৈধ কারখানাটি বন্ধ ও উচ্ছেদ করার দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
গাজীপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে জেলার ৩৫০ জন দুঃস্থ, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে মানবিক সহায়তা ও ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।২৫ শে জুন( বৃহস্পতিবার) সকালে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী।
অনুষ্ঠানে মূখ্য সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন মো. নজরুল ইসলাম। এসময় জেলার বিভিন্ন এলাকার অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের হাতে ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. চৌধুরী ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো জেলা পরিষদের অন্যতম দায়িত্ব। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পাশাপাশি জেলা পরিষদও মানবিক সহায়তার মাধ্যমে মানুষের দুঃসময়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। মানবিক মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কালিয়াকৈর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম সিকদার, সদস্য সচিব আলহাজ্ব এম আনোয়ার হোসেন, কালিয়াকৈর পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মামুদ সরকার, গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোনায়েম কবির, কালিয়াকৈর পৌর বিএনপি নেতা আশরাফ সিদ্দিকি এবং পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রেজভি আহমেদ দুলাল।
বক্তারা বলেন, সমাজের অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে গাজীপুর জেলা পরিষদের এ উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। তারা মনে করেন, এ ধরনের মানবিক কর্মসূচি সামাজিক সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং উপকারভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। ত্রাণ ও সহায়তা পেয়ে সুবিধাভোগীরা গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এ উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।