ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা, গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার প্রতীক ভালুকা ৬ং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শিহাব আমিন খানের বিরোদ্ধে সতন্ত্র প্রার্থীর হয়ে নির্বাচন করায় ৫ মে বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে মেহেরাবাড়ীর নূহু মন্ডলের উপর আক্রমণ করেন ভালুকা ৬নং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শিহাব আমিন খানের ছোট ছেলে আশিক আমিন খান ও তার ছত্রছায়ায় থাকা সাঙ্গপাঙ্গরা।
নির্বাচনী সহিংসতার জেরে দিন দুপুরে নূহু মন্ডলের উপর প্রকাশ্যে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে, আশিক আমিন খানের বিরুদ্ধে।
ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে এক ঘরে আশ্রয় নিয়ে গুলি থেকে রক্ষা পায় নূহু মন্ডল।
আশিক আমিন খানের হাত থেকে নূহু মন্ডল পালিয়ে রক্ষা পেলেও রক্ষা পায়নি তার স্ত্রী মনিমালা সরকার, বিকট শব্দ শুনে ঘর থেকে বেড়িয়ে আসে নূহু মন্ডলের স্ত্রী,বাউল শিল্পী মনিমালা সরকার, সে সময় চেয়ারম্যানের ছেলের অন্যায় অত্যাচারের কথা, যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে, মনি মালা সরকার বলছিল,সেই মুহূর্তে। আশিক আমিন খান সহ আরও বেশ কয়েকজন চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে, মৃত ভেবে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায।
মনিমালা সরকারের অবস্থা এখন আশঙ্কাজনক তিনি এখন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানায় ৫ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ৬/৭ জনকে অজ্ঞাত করে মামলা দায়ের করেছেন, আহত মনিমালা সরকারের স্বামী, নূহু মন্ডল।
এলাকাবাসী বলছে বাবা দুই দুইবারের চেয়ারম্যান এই ক্ষমতার দাপটে দিন দুপুরে গুলি নিয়ে ঘুরে সাধারণ মানুষের উপর আক্রমণ করলো আশিক আমিন খান।
এই ঘটনার পর থেকে, এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে, ঘটনাটি সুষ্ঠ তদন্ত করে ৬নং ভালুকা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, শিহাব আমিন খানের ছোট ছেলে আশিক আমিন খানকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির দাবি করেছেন,আহত মনিমালা সরকারের, স্বামী নুহু মন্ডল।
এঘটনায় ৮ মে রবিবার, সকাল সাড়ে ১০ টায় ভালুকা উপজেলার সামনে বাউল সংগঠন ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ ও সুনীল বাবু মানববন্ধন করেন।