Views: 0
ঝিনাইদহ সংবাদদাতা-
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার চুলকানি জিয়ানগর বাজারে রুমানা ডেন্টাল কেয়ারের মালিক রানার, কাছে দাঁতের অপ-চিকিৎসার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।
অথচ রানার দাঁতের চিকিৎসা শাস্ত্রের কোন পড়ালেখা কোর্স কিংবা ডিগ্রী নেই।
তারপরেও সে দিয়ে যাচ্ছে হরহামেশাই দাঁতের জটিল ও কুটিল রোগের চিকিৎসা।
জানা যায় রানা দাঁতের চিকিৎসা পাশাপাশি সকল রোগের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে সেখানে।
জেলা শহর থেকে অনেক দূরে হওয়ার কারণে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ সুবিধা মতো সঠিক চিকিৎসাসেবা নিতে পারেনা।
মূলত এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে রানা একজন বিডিএস ডাক্তার ইমদাদ হোসেনের সাইনবোর্ড দিয়ে গড়ে তুলেছেন চাকচিক্যময়ী লাবণী ডেন্টাল কেয়ার ডাক্তারী চেম্বার।
অবাক করা বিষয় হলো ডাক্তারী সনদ না থাকার পরেও রানা ব্যবস্থাপত্রে রোগীদের এন্টিবায়োটিক ওষুধ লিখেন নিয়মিত।
এছাড়া রানা দাঁতের ওয়াশ থেকে শুরু করে দাঁত বাঁধানো রুটক্যানেল করে থাকেন।
এভাবেই প্রতিদিন দাঁতের চিকিৎসা সেবার নামে গ্রামের সহজ সরল মানুষদের কাছ থেকে রানা বিভিন্ন কৌশলে চারশো,পাঁচশো ভিজিট ফি ও ওষুধ লিখে হাজার টাকার উপরে হাতিয়ে নেন।
অনুসন্ধানে জানাযায়,
রানার অপচিকিৎসার কারণে গত ২০২২ সালের জুলাই মাসে জেল জরিমানা করে ভ্রাম্যমান আদালত।
তারপরেও থেমে নেই রানার চিকিৎসা বাণিজ্য।
ডিগ্রি বিহীন দাঁতের চিকিৎসার বিষয়ে রানার কাছে জানতে চাইলে সে জানান,
আমি দাখিল পাশ আমি প্রাথমিক দাঁতের চিকিৎসা দিয়ে থাকি।
এ্যাপেক্স মেডিকেল থেকে এক বছরের একটি কোর্স আছে আমার।
আর প্রতি বৃহস্পতিবারে ইমদাদ স্যার এখানে বসে রোগী দেখে আপনারা যা ইচ্ছা তাই করেন পারলে। চুলকানি বাজারে রানার উপর চিকিৎসার বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন এর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, গত বছর রুমানা ডেন্টাল কেয়ারে আমরা অভিযান পরিচালনা করেছি।
তাকে চেম্বার খোলার কোন অনুমতি দেওয়া হয়নি। বিষয়টি পুনরায় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেব। সিভিল সার্জন অফিসার আরো জানান,
বিডিএস ডিগ্রিধারী বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন ছাড়া কেউ দাঁতের চিকিৎসা দিতে পারবেন না।
আর বিডিএস ডাক্তারের সহযোগী কিংবা টেকনিক্যাল এসিস্ট্যান্ট হতে হলে তাকে চার বছরের ডিপ্লোমা কোর্স ও এক বছরের ইন্টারনি করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। এছাড়া কেউ দাঁতের চিকিৎসা দিতে পারবে না।
খুব শীঘ্রই আমরা জেলা জুড়ে নতুন করে অবৈধ ডেন্টাল কেয়ারের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করব।