দিরাই হাসপাতালের ডাক্তার মনি রানীর গাফিলতির কারনে রেসমিনা বেগম (আসমা) নামে এক গর্ভবতী হাসপাতালের পাশে সাব রেজিস্ট্রার অফিসের বারান্দায় নবজাতের শিশুর জন্ম দিলেন।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতাল গেইটের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
রেসমিনা বেগম (আসমার) স্বামী উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের ডুলকর গ্রামের বাসিন্দা রুবেল মিয়া(৩০) জানান, সকাল ১০টার দিকে আমার স্ত্রীর প্রসব বেদনা শুরু হলে আমরা হাসপাতালের ডাক্তার মনিরানীর বাসায় যাই। আমার স্ত্রীকে দেখে তিনি ফেসক্রবপসনে অনেক ঔষধ লিখে আমাকে জানান মা এবং বাচ্ছার অবস্থা ভাল নেই আপনারা তাড়াতাড়ি সিলেট যান। আমরা অনেকটা নিরুপায় হয়ে হাসপাতাল থেকে সিলেট যাওয়ার উদ্দেশ্য রওয়ানা দেই। আমি গরিব মানুষ তাই ভাবলাম হাসপাতালে রোগীটা দেখাই, আমি একজন ডাক্তারকে মনি রানী কাগজ দেখালে তিনি বলেন মেডাম যেহেতু সিলেট যেতে বলেছেন আমাদের কিছুই করার নেই।
পরে সিলেটে উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলে হাসপাতালের প্রধান ফটকের ৫০ গজ দূরে গাড়ির পাশে গেলে প্রসবের ব্যাথা বেড়ে যায় পরে রাস্তার পাশে অফিসের বারান্দায় নব জাতকের জন্ম হয়। বর্তমানে মা এবং নবজাতক শিশু সুস্থ আছেন। চিকিৎসকদের এমন অমানবিক আচরণ সত্যই দুঃখজনক। আমি এ ডাক্তারের বিচার চাই।
এ ব্যাপারে জানতে ডা. মনিরানীর ফোনে বারবার কল দিলে তিনি রিসিভ না করে সংযোগ বিচ্চিন্ন করে দেন।
দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. স্বাধীন কুমার দাস জানান, আমি আজকে ইমারজেন্সির রেজিস্টারে আসমা নামে কোন রোগীর নাম পাইনি, রেফার ফরমও পাইনি। তারা হয়ত কোন ডাক্তারের চেম্বারে গিয়েছিলেন।