Views: 1
মোঃ রাশেদুল ইসলাম:
পঞ্চগড় বোদা উপজেলায় জমি দখলের উদ্দেশ্যে বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। তবে ভুক্তভোগী অভিযোগ করতে পারেনি কথাও । জানা গেছে,গত ১৮-০৪-২০ ইং শনিবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭.৩০ মিনিটে বোদা উপজেলাধীন তেঁপুকুরিয়া ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। তবে ঘটনার প্রায় সতেরো দিন অতিবাহিত হলেও ভুক্তভোগী আইনের আশ্রয় নিতে পারেনি।
ভুক্তভোগী মোঃ আব্দুল খালেক জানান, তার পিতা আলহাজ্ব আব্দুল মান্নান এর ক্রয় করা জমির উপর বসত ঘর নির্মাণ করে বাস করিয়া আসিতেছে। এমত অবস্থায় প্রতিপক্ষ মোঃ আব্দুল ছাত্তার,তার ছেলে মোঃ সুমন ও কতিপয় ভাড়াটে লোকজনকে সাথে নিয়ে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে সাতটায় তার বসত বাড়ীর উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তার আধা পাকা বাড়ি,টিনের চাল,টিনের বেড়া ভাংচুর করে। এবং গৃহ নির্মাণের বিভিন্ন সমগ্র ও বাড়িতে থাকা নগত টাকা লুটপাট করে। এতে প্রায় পৌনে চার লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।
এ বিষয়ে আমরা থানায় অভিযোগ করতে চাইলে পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ করেন নি। তারা বিজ্ঞ আদালতের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেন। করোনা ভাইরাসের জন্য আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় আমরা খুব আতঙ্কে আছি।
তবে এখানে ভাংচুর ও লুটপাটের পর ঘটনা স্থল ত্যাগ করে চলে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় পুলিশ নয়জনকে ও পরে একজনকে আটক করে ।

আটকের বিষয়ে এস আই আকবর হোসেন বলেন রাত্রি কালীন ডিউটি করার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে, উপজেলার ময়দানদিঘী ইউনিয়নের ডাবরভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে দেশীয় অস্ত্রসস্র নিজ হেফাজতে রাখিয়া ডাকাতির পরামর্শ করিতেছে। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় নয়জনকে ও পরে একজনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে নিজে বাদী হয়ে ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা নং -১১ তাং ১৯-০৪-২০ইং ধারা ৩৯৯/৪০২ পেনাল কোড ১৮৬০ আনায়ন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বোদা থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ আশরাফুজ্জামান বলেন, ছাত্তার ও খালেক দুই পরিবারের মাঝে দীর্ঘ দিন ধরে বিবাদ চলছে। যেহেতু কোন হতাহতের ঘটনা ঘটে নি এবং বিষয়টি জমি সংক্রান্ত ও জটিল হওয়ায় উভয় পক্ষ কে বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। আটককৃত আসামীরাই খালেকের বাড়ি ভাংচুরের সাথে জরিত কি না তা তদন্তে জানা যাবে। আপাতত পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে। যেন কেউ নতুন করে কোন ক্ষয়ক্ষতির শিকার না হয়।