শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৭ অপরাহ্ন

যারা মানুষের হক মেরে খাচ্ছে, তারা জালেম : ডিপজল
স্টাফ রিপোর্টার / ৭৬৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২০

Views: 1

করোনাভাইরাসের প্রকোপে টালমাটাল বিশ্ব। বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল। জীবন বাঁচাতে ঘরে অবস্থান করছেন বেশিরভাগ মানুষ। দেশে দেশে চলছে লকডাউন। বাংলাদেশও করোনার প্রভাব থেকে মুক্ত নয়। এতে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। দিনমজুরদের অবস্থা সংকটে।

 

তবে দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে যাতে অভুক্ত থাকতে না হয়, সে জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা করেছে সরকার। ন্যায্যমূল্যে পণ্য বিক্রি করছে টিসিবি। ত্রাণসামগ্রী চুরি করলে কঠোর হাতে দমন করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কঠোর হুঁশিয়ারি সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ চুরির খবর পত্রপত্রিকায় উঠে আসছে। ত্রাণ চুরি ধরা পড়ায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অনেককে বরখাস্ত করেছে সরকার।

ত্রাণ চুরির খবর পড়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় আভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল। এনটিভি অনলাইনকে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী করোনার সময় যে ত্রাণগুলো দিচ্ছেন, তা সাধারণ মানুষের হক। যারা অসহায় মানুষের এই হক মেরে খাচ্ছে, তারা জালেম। আর জালেমদের আল্লাহ কখনোই মাফ করেবেন না। পরকালে তো শাস্তি পাবেই, এই দুনিয়াতেও তারা ক্ষমা পাবে না।’

ডিপজল আরো বলেন, ‘চুরি তো সারা বছরই করে, তবে এই সময় মানুষ চুরি করবে, এটা চিন্তাও করা যায় না। এখন মানুষ এত বিপদে আছে, যারা কোনোদিন চিন্তাও করেনি মানুষের কাছে হাত পেতে খেতে হবে, তারাও আজ সাহায্যের জন্য অপেক্ষায় থাকে। কারো কাছে চাইতে লজ্জা পায়। মাথা নিচু করে কোনোমতে ত্রাণ নিয়ে চলে যায়।’

‘আরেকটা শ্রেণি আছে যারা দিনমজুরি করে, তাদের তো হাতে টাকা থাকার কথা না। কোথাও কোনো কাজ নাই, কেউ ঘর থেকে বের হতে পারছে না। কেউ নিজের বাসাবাড়িতে কাজের বুয়া পর্যন্ত রাখছে না। আর ত্রাণগুলো যদি মানুষ না পায়, তবে তো মানুষ না খেয়ে মরবে!,’ যোগ করেন ডিপজল।

ডিপজল বলেন, ‘আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে ত্রাণ সাধারণ মানুষের জন্য দিয়েছেন, তা সহিসালামতে মানুষের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া উচিত। সামর্থ্য থাকলে বরং নিজের হাত থেকে আরো কিছু বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। এটা করলে নিজেকে সে মানুষ হিসেবে দাবি করতে পারবে। যে চুরি করছে, সে মানুষ না।’

গত বুধবার ৫০০ শিল্পী ও কলাকুশলীর জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পাঠিয়েছেন ডিপজল। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির মাধ্যমে সেসব এফডিসির বিভিন্ন সমিতিতে পাঠানো হয়।

এর আগে প্রায় এক হাজার পরিবারকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিতরণ করেছেন মনোয়ার হোসেন ডিপজল। সাভারের রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় নিজ শুটিং বাড়ি ডিপু ভিলায় এক হাজার পরিবারকে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন তিনি। এ ছাড়া করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার পর তিন শতাধিক অসচ্ছল শিল্পী ও কলাকুশলীর জন্য বিএফডিসির শিল্পী সমিতিতে নিত্যপণ্য দিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও
Popular Post
Last Update